​শোক সংবাদ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের প্রয়াণে জয় বাংলা ব্রিগেডের শোক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান-এর মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

​তিনি ছিলেন রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের প্রতি অবিচল এক জননেতা। তাঁর মৃত্যুতে দেশ ও দল একজন অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবককে হারালো।

​আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমিন।

​”জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু”

বিনীত,

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 11-02-2026

ষড়যন্ত্রের নীলনকশা:নীলফামারি থেকে বাসে চড়ে ঢাকায় ‘ভাড়াটে’ ভোটার!জামায়াতের ভোট জাল জালিয়াতির মহোৎসব

ঢাকা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে জামায়াতে ইসলামি এবার মাঠে নামিয়েছে এক ভয়ংকর মাস্টারপ্ল্যান। ঢাকার আসনগুলোতে কৃত্রিম জয় নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ‘ভাড়াটে’ ভোটার এনে ভোট জালিয়াতির এক নজিরবিহীন উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় এক ‘অপরিচিত’ ভোটারের অসংলগ্ন তথ্যে বেরিয়ে এসেছে এই গভীর ষড়যন্ত্রের রোমহর্ষক চিত্র।

বনশ্রীতে ‘পথ হারানো’ ভোটার: থলের বিড়াল যেভাবে বের হলো

০৮-০২-২০২৬ ইং তারিখে বনশ্রী এলাকায় জনৈক ব্যক্তিকে হাতে ভোটার স্লিপ নিয়ে হন্যে হয়ে ঠিকানা খুঁজতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ওই ব্যক্তি জানান, তিনি আদতে নীলফামারি জেলার বাসিন্দা এবং দীর্ঘকাল ধরে সেখানে আসাদুজ্জামান নূরের আসনের ভোটার ছিলেন।

কিন্তু জামায়াতে ইসলামির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তার ভোটটি কৌশলে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তারা একা নন, বরং দুটি রিজার্ভ বাসে করে প্রায় ১০০ জন লোক একসাথে নীলফামারি থেকে বনশ্রীতে এসেছেন শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য। আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিজের ভোটকেন্দ্র বা এলাকার ঠিকানা পর্যন্ত চেনেন না এই তথাকথিত ভোটাররা!

৭ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটারের মাস্টারপ্ল্যান

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকার নির্বাচনী আসনগুলোতে জয় ছিনিয়ে নিতে জামায়াত একটি মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় সারা দেশ থেকে প্রায় ৭ লাখ ভোটারকে ঢাকার বিভিন্ন আসনে ভুয়া ঠিকানায় নিবন্ধন করিয়েছে।

ঠিকানা চেনে না, তবুও ভোটার: হাজার হাজার লোক ঢাকা শহরের গলি বা এলাকা না চিনলেও তারা নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত।

ভুয়া পরিচয় ও জালিয়াতি: এর আগেও গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল যে, একই পিতার নাম ব্যবহার করে শত শত ভুয়া ভোটার তৈরি করা হয়েছে।

সংগঠিত অনুপ্রবেশ: নির্বাচনের ঠিক আগে রিজার্ভ বাসে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোক এনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

“এটি কোনো সাধারণ ভোট স্থানান্তর নয়, বরং সরাসরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। এক এলাকার মানুষকে অন্য এলাকায় এনে ভোট দেওয়ানো নির্বাচনী আইনের চরম লঙ্ঘন।”— রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

জয় বাংলা ব্রিগেডের আহ্বান

গণতন্ত্রের লেবাস পরে জামায়াতের এই ‘ভাড়াটে ভোটার’ জালিয়াতি রুখতে হবে এখনই। একটি নির্দিষ্ট আদর্শের জয় নিশ্চিত করতে যারা নীলফামারি থেকে ঢাকা পর্যন্ত লোক সরবরাহ করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা সময়ের দাবি।

বনশ্রীর এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, জামায়াতে ইসলামি জনসমর্থনের ওপর নয়, বরং জালিয়াতি আর পেশিশক্তির ওপর ভর করে প্রহসনের নির্বাচনী ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সচেতন দেশবাসীকে জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এই‘বহিরাগত’ ভোটারদের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার এবং নৌকা ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানাচ্ছি।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 11-02-2026

​ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন:জনগণের সাথে চরম তামাশা ও নীল নকশার অন্তরালে ষড়যন্ত্র

জয় বাংলা ব্রিগেড ​ভূমিকা ​বর্তমান বাংলাদেশে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকার জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে এক গভীর ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়,বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ‘ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন’। এই সরকার দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার এবং নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য যে নীল নকশা তৈরি করেছে, তা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকি।

​নির্বাচনের নামে প্রহসন কেন?

১.বর্জিত ও একপেশে প্রক্রিয়া দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনের বাইরে রেখে একটি নির্দিষ্ট বলয় তৈরি করা হয়েছে। যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ নেই, সেখানে নির্বাচন কেবলই একটি আইনি মোড়ক, যা দিয়ে অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার চেষ্টা চলছে।

২.ভাগবাটোয়ারার ফর্মুলা রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন এবং বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, কোন দল কতটি আসন পাবে এবং কার ভূমিকা কী হবে, তা আগেই নির্ধারিত। এই ‘সিট শেয়ারিং’ বা ভাগবাটোয়ারা মূলত ভোটারদের সাথে এক নিষ্ঠুর তামাশা।

৩.ষড়যন্ত্রের ‘জুলাই চার্টার’ ও গণভোট নির্বাচনের সাথে তথাকথিত ‘জুলাই চার্টার’ নিয়ে গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এটি মূলত সংবিধানকে ধ্বংস করে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার। ভোটারদের বিভ্রান্ত করে তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই সংস্কারগুলো দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে।

৪.বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়ন তথ্যমতে, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে বিদেশের সাথে বিভিন্ন গোপন চুক্তি (যেমন: ইউএস ট্যারিফ ডিল) করার প্রস্তুতি চলছে। জনগণের ম্যান্ডেটবিহীন একটি সরকারের দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। এটি সরাসরি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর আঘাত।

​জনগণের প্রতি আহ্বান: জয় বাংলা ব্রিগেড-এর অবস্থান “এই ষড়যন্ত্রের নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের ত্যাগ ও গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননা। আমরা এই ভাগবাটোয়ারার নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করি।”

অবৈধ সরকারকে রুখে দিন: যারা পর্দার আড়ালে বসে দেশের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন।

ভোটের অধিকার রক্ষা করুন: আপনার পবিত্র আমানত ‘ভোট’ যেন কোনো পাতানো খেলার অংশ না হয়, সেদিকে সজাগ থাকুন।

ষড়যন্ত্র ফাঁস করুন: জয় বাংলা ব্রিগেড প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় এই অবৈধ সরকারের দুর্নীতির তথ্য ও নির্বাচনের নামে প্রহসনের কথা পৌঁছে দেবে।

​মোটকথা ইতিহাস সাক্ষী,জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো শাসক টিকে থাকতে পারেনি। ড. ইউনূসের এই তাসের ঘর অচিরেই ভেঙে পড়বে। জয় বাংলা ব্রিগেড রাজপথে আছে এবং থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রকৃত জনগণের শাসন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 07-02-2026

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে দেশ বাসীকে জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা

পবিত্র শবে বরাত আমাদের মাঝে নিয়ে আসে ক্ষমা, বরকত ও শুদ্ধির বার্তা। এই মহিমান্বিত রজনীতে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য রহমতের দুয়ার উন্মুক্ত করে দেন। জয় বাংলা ব্রিগেড-এর পক্ষ থেকে আমরা বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে শুভেচ্ছা। আমাদের প্রার্থনা—এই পবিত্র রাতের আলোকচ্ছটায় দূর হয়ে যাক সকল অন্ধকার, সাম্প্রদায়িকতা ও অশুভ শক্তি। ​আমাদের অঙ্গীকার দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে জয় বাংলা ব্রিগেড যেমন অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাচ্ছে, তেমনি এই পবিত্র দিনেও আমরা দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করছি। ​আসুন, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সংযম ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা ছড়িয়ে দেই। মহান আল্লাহ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নিরাপদ ও শান্তিময় রাখুন। এবং এই অবৈধ দখলদার বাহিনীর হাত থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করুন। শুভেচ্ছান্তে, জয় বাংলা ব্রিগেড পরিবার

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 03-02-2026

অমর একুশে আমাদের অহংকার ও চেতনার বাতিঘর

​ফেব্রুয়ারি মানেই হার না মানা এক ইতিহাস। ১৯৫২ সালের এই মাসে বাংলার দামাল ছেলেরা রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিল আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার। রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত আর শফিউরের সেই আত্মত্যাগ আজ কেবল বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত। বাংলা ভাষা শহীদদের স্মরণে আমাদের নিবেদনঅদম্য সাহস: বায়ান্নর সেই উত্তাল দিনে ঘাতকের বুলেট দমাতে পারেনি বাঙালির কণ্ঠস্বর। রক্তে কেনা বর্ণমালা: প্রতিটি বর্ণমালায় মিশে আছে একেকজন শহীদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। বিশ্বজনীন স্বীকৃতি: আজ পৃথিবীর ১৯৩টি দেশে পালিত হয় আমাদের এই গৌরবময় দিনটি। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,আমি কি ভুলিতে পারি?”। –আবদুল গাফফার চৌধুরী​আমাদের অঙ্গীকার ​আসুন, এই ভাষার মাসে আমরা প্রতিজ্ঞা করি— শুদ্ধভাবে বাংলা বলব, বাংলা লিখব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের এই ত্যাগের ইতিহাস গর্বের সাথে পৌঁছে দেব। ১২ ই ফেব্রুয়ারী দখলদার সরকার এর অবৈধ প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করি। সকল ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 01-02-2026

জয় বাংলা ব্রিগেড এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও সন্তানকে নৃশংস হত্যা ও প্রশাসনের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ।

বাগেরহাটে এক নারকীয় ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হলো দেশ। বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি, রাজপথের লড়াকু সৈনিক সাদ্দাম হোসেনের অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রী ও অবুঝ শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। জয় বাংলা ব্রিগেড এই কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

​ঘটনার বীভৎসতা ও প্রশাসনের ভূমিকা

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘ ১১ মাস ধরে কারাবন্দি। এই সুযোগে “সমন্বয়ক” নামধারী শিবির সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে এবং তার নিষ্পাপ শিশু সন্তানকেও হত্যা করে মেঝেতে ফেলে রেখে যায়।

আমাদের পর্যবেক্ষণ ও দাবি:

পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: এটি কেবল একটি সাধারণ অপরাধ নয়, বরং একজন রাজনৈতিক কর্মীকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত একটি “রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড”।

মানবাধিকার লঙ্ঘন: নিজ স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা অত্যন্ত অমানবিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রশাসনের নির্লিপ্ততা: কারাগারের ফটকে হাতকড়া পরা অবস্থায় মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য মৃতদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এমনকি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) এই বিষয়ে এড়িয়ে যাওয়া ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতাকে নির্দেশ করে।

​আমাদের দাবি সমূহ:

​১. এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত “সমন্বয়ক” নামধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

২. প্রশাসনের যে সকল কর্মকর্তা প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে সাদ্দামকে তার পরিবারের শেষ বিদায় থেকে বঞ্চিত করেছে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

৩. ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে।

বিবৃতি: “শোক নয়, আজ প্রতিরোধের সময়। আমাদের ভাই সাদ্দামের পরিবারকে যারা শেষ করে দিয়েছে, তাদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই হবে না। জয় বাংলা ব্রিগেড এই অন্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বে।”

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 27-01-2026

​শোক সংবাদ: বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমানের বড় ভাইয়ের ইন্তেকালে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর গভীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ দক্ষিণ-এর সংগ্রামী সভাপতি, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান-এর বড় ভাই হারুনুর রশিদ মোল্লা আজ বাংলাদেশের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।তাঁর মৃত্যুতে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

​শোক ও সমবেদনা: এক শোক বার্তায় জয় বাংলা ব্রিগেডের নেতৃবৃন্দ বলেন, হারুনুর রশিদ মোল্লা একজন সৎ ও আদর্শবান মানুষ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমানসহ তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করেন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।

​দোয়া মাহফিল: মরহুমের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আহ্বান জানানো হয়েছে। শোকাহত পরিবারের এই কঠিন সময়ে জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিটি কর্মী ও সদস্য তাঁদের পাশে সমব্যথী হয়ে আছে।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 27-01-2026

বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন জুয়েল এর সাথে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ও হৃদয় বিদারক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।​

বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন জুয়েলের পরিবারে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

​বাগেরহাট জেলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি সাদ্দাম হোসেন জুয়েল-এর প্রতি বর্তমান অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চরম অমানবিক আচরণের ফলে যে অবর্ণনীয় ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে, তাতে জয় বাংলা ব্রিগেড গভীরভাবে শোকাহত, স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ।

​আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সাদ্দাম হোসেন জুয়েলকে বিনা মামলায় দীর্ঘ সময় কারান্তরীণ রাখা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে বারবার জামিন পাওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন তাকে মুক্তি না দিয়ে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। রাষ্ট্রের এই নিপীড়ন মূলক আচরণের ফলেই আজ একটি সাজানো পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। ​দীর্ঘদিন কারাবন্দি স্বামীর মুক্তি না হওয়া এবং প্রশাসনের অন্যায্য বাধার মুখে হতাশ হয়ে সাদ্দামের স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান যে চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে,তার দায়ভার সম্পূর্ণ এই অবৈধ সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের। ​জয় বাংলা ব্রিগেড এই পৈশাচিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত দাবি জানাচ্ছে:

​সাদ্দাম হোসেন জুয়েলসহ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আটক সকল নেতাকর্মীকে বিনাশর্তে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এবং যে সকল কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সাদ্দামের মুক্তিতে বাধা সৃষ্টি করেছে,তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

​রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিরোধী মতাদর্শের পরিবার গুলোকে ধ্বংস করার এই অপরাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

​”একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আদালতের জামিন পাওয়ার পরও কারামুক্ত হতে না দেওয়া শুধু মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়, বরং এটি পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড। সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের এই আত্মদান এই সরকারের জুলুমের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।”



জয় বাংলা ব্রিগেড স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করছে, এই রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা সাদ্দাম হোসেন জুয়েলের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং এই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড
কেন্দ্রীয় কমিটি,

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 26-01-2026

বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫-দফা দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন

বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫-দফা দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন

প্রিয় দেশবাসী, আপনারা প্রত্যক্ষ করেছেন, খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের দানবীয় দুঃশাসন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে ফেলেছে। খাদের কিনারায় নিয়ে গেছে।  এর বিপরীতে জয় বাংলা ব্রিগেড গভীর সন্তোষ  প্রকাশ করছে যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি  বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন  শেখ হাসিনা ঘোষিত ৫ দফা আজ দেশের সর্বস্তরের জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে। দেশের গণতন্ত্র ও আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন দক্ষ ক্রাইসিস ম্যানেজার। যা বার বার প্রমাণিত। তিনি সংকটে সমাধানের পথ দেখান। আজকের বাংলাদেশকেও সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে তিনি ৫-দফা উত্থাপন করেছেন৷ বাংলাদেশকে গভীর সংকট থেকে বাঁচাতে এই ৫-দফা অত্যন্ত কার্যকরী। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে কৃষক,ছাত্র,নারী, পেশাজীবী,ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজ—সবাই এই ৫ দফাকে বাংলাদেশের মসৃণ ভবিষ্যতের রূপরেখা হিসেবে দেখছে।

এই ৫ দফা দাবি কেবল রাজনৈতিক বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে কার্যকর করে গড়ে তোলা এবং সমগ্র জাতিকে বিভেদের সংকট থেকে মুক্ত করার সূত্র। এটা জনগণের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তা, গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও জনগণের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক থেকেই শেখ হাসিনা এই ৫ দফা প্রণয়ন করেছেন—যা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

জয় বাংলা ব্রিগেড দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, শেখ হাসিনার এই ৫ দফাই বর্তমান সংকট উত্তরণে জনগণের  ভরসা এবং একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের শক্ত ভিত্তি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন প্রমাণ করে— আওয়ামী লীগই জনগণের দল।

অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বাংলাদেশ ও সমগ্র জাতিকে দীর্ঘ মেয়াদি গভীর সংকটে ফেলে দিবে। তাই আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক শক্তি-সহ সমগ্র দেশবাসীকে আহ্বান জানাই—এই পাতানো নির্বাচনকে বর্জন ও বাস্তবসম্মত এই ৫ দফার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ রক্ষার সংগ্রামে শামিল হতে হবে।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 24-01-2026

এক জীবনে শেখ হাসিনার ওপর যে পরিমাণ অবিচার,নির্যাতন,ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, সেগুলো কি আজ হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে গেছে?নাকি ইতিহাস ভুলে যাওয়াটাই এখন তথাকথিত সুশীলতার শর্ত?

এক জীবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর যে পরিমাণ অবিচার, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হয়েছে,সেগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো

★শুধুমাত্র বিএনপি–জামাত জোট সরকারের আমলে, ২০০১ থেকে ২০০৬-এই পাঁচ বছরে শেখ হাসিনাকে কমপক্ষে সতেরোবার হ*ত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটি কোনো দলীয় অভিযোগ নয়, এটি নথিভুক্ত বাস্তবতা। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী-তাঁর ও তাঁর বোন শেখ রেহেনার জন্য নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।★সায়েদাবাদে শেখ হাসিনার গাড়িবহর লক্ষ্য করে গু*লি চালানো হয়। একই দিনে সাতক্ষীরা থেকে ফেরার পথে আবারও তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গু*লি করা হয়। সেই হামলায় ঘটনাস্থলেই একজন নিরীহ পথচারী নিহত হন। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষোভে ফেটে পড়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি যখন শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে,তখন সংসদ ভবনের গেটে দাঁড়িয়ে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ হাসতে হাসতে বলেছিলেন,“শেখ হাসিনা নাকি জনগণের নেত্রী। যদি তাই হয়, জনগণই শেখ হাসিনার নিরাপত্তা দেবে।” ★এটা কোনো বক্তব্য ছিল না।এটা ছিল রাষ্ট্রের মুখোশ খুলে পড়া এক নিষ্ঠুর হাসি। ★এরপর আসে একুশে আগস্ট। শেখ হাসিনার চোখের সামনে ২৬ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গ্রে*নেড ছুড়ে হ*ত্যা করা হয়। আল্লাহর অসীম রহমতে তিনি সেদিন বেঁচে গেলেও তাঁর শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত সেদিন বলেছিলেন,“শেখ হাসিনার একটি কান প্রায় আশি শতাংশ ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে।” ★এই ভয়াবহতার পরও যারা মিথ্যা আর নির্লজ্জতার আশ্রয় নিয়েছিল, ইতিহাস তাদের নাম মনে রেখেছে। বিএনপির থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ একুশে আগস্টের পর এন টিভিতে স্পিচ দিতে গিয়ে বলেছিলেন,“সরকার আজ যে অপকর্ম করলো, তার জন্য এদের চড়া মূল্য দিতে হবে।” ★জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো যখন তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছিল,যখন হাসপাতালের বেডে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন আইভী রহমান,যখন জিল্লুর রহমান তাঁর স্ত্রী ও নেতাকর্মীদের চিন্তায় প্রায় পাগলপ্রায়,ঠিক তখন সংসদে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বলেছিলেন,“হাসিনাকে কে মারতে যাবে? সে-ই নিজে ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রে*নেড নিয়ে গিয়ে নিজেই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।” ★এই একটি বাক্যই প্রমাণ করে,সেই সময় রাষ্ট্র কতটা নৈতিকভাবে দেউলিয়া ছিল। ★২০০৪ সালের ৭ মে, গাজীপুর–২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি আহসানউল্লাহ মাস্টারকে ব্রা*শ*ফায়ারে হত্যা করা হয়। পরদিন গাজীপুরের বিক্ষোভ সমাবেশে মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেন গুপ্তদের বহনকারী গাড়িকে শেখ হাসিনার গাড়ি ভেবে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি রোডে আবারও গু*লি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন আরও একজন পথচারী। ★শেখ হাসিনা তখন গাড়ি থামিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। মুহূর্তে সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঢাকায়। সেখান থেকেই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ★ঠিক পরদিন, সেই কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজার মোড়ে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি তুলে দেয় ডিসি কোহিনূর মিয়া। ★গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে আবারও শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গু*লি ছোড়া হয়। সেদিনও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। ★জোট সরকারের আমলের একটি একটি ঘটনা মনে করলে আজও শরীর হিম হয়ে আসে। শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের ওপর এমন কোনো অত্যাচার নেই,যা করা হয়নি। ★এই দেশ দেখেছিল এক অসহায় মাকে, যিনি তাঁর সন্তানের জীবন বাঁচাতে ধ*র্ষ*ক*দে-র উদ্দেশে বলেছিলেন,“বাবারা, আমার মেয়েটা অনেক ছোট। তোমরা একজন একজন করে এসো।”। ★এই সমাজ, এই রাষ্ট্র,সবকিছু তখন কী পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল, তা এই একটি বাক্যই যথেষ্ট। ★প্রতিহিংসার রাজনীতি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ শুরু করেনি। প্রতিহিংসার সূচনা করেছিল বিএনপি–জামাত জোট। হ*ত্যা, গ্রে*নে*ড, গু*লি আর রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচার দিয়ে। ★আজ যদি বেগম জিয়ার মৃত্যু নিয়ে শেখ হাসিনার দায় খোঁজা হয়, তাহলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর চালানো এই দীর্ঘ, রক্তাক্ত, পরিকল্পিত অবিচারের দায়ও কাউকে না কাউকে নিতেই হবে।★আমি এসব কথা বলতে চাইছিলাম না। কিন্তু গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত কিছু তথাকথিত “সুশীল” যেভাবে ইতিহাস ধুয়ে মুছে নতুন ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে, তাতে চুপ থাকা মানে অপরাধে শরিক হওয়া। ★আমি মাত্র কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করেছি। বিএনপি-জামাতের পাঁচ বছরের ইতিহাস  নিয়ে লিখতে গেলে কয়েক মাস কেটে যাবে।  ★আমরা সেই সব অন্ধকার দিন ভুলে যাইনি। ভুলবোও না। কারণ মাত্র পাঁচ বছরে তখনকার সরকার শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জীবন নরক বানিয়ে দিয়েছিল। ★রাজনীতিতে ভুল সবারই আছে। কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থে এবং আবেগের বশবর্তী হয়ে বিএনপি–জামাতের পাঁচ বছরের শাসনামলকে (২০০১–২০০৬) ইচ্ছাকৃতভাবে স্কিপ করে কাউকে ভিলেন আর কাউকে মহান বানানো যাবে না।★ইতিহাস সিলেক্টিভ না। ইতিহাস সুবিধামতো কাটা–ছেঁড়া করার বিষয় নয়। জানলে আংশিক নয়,পুরোপুরি জানতে হবে। ★শুধু সুবিধাজনক সময় বেছে নিয়ে কাউকে মহান বানানো আর কাউকে দানব বানানো এটা রাজনীতি নয়, এটা ভণ্ডামি।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 23-01-2026

RSS
Follow by Email