কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ,বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্বে,বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ভারতের কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনো রুটিন প্রশাসনিক বিষয় নয়। এটি একটি নীরব কিন্তু গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতা নিয়ে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা বিপজ্জনকভাবে ক্ষয়ে গেছে।

কূটনীতির ভাষায়, যখন কোনো রাষ্ট্র তার কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার করে নেয়, তখন সেটি সম্ভাব্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সতর্কসংকেত। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ এমন কোন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেও এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে?

২০২৪–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় যারা নিজেদের বিজয়ী ভাবছে, তারা আদতে দেশকে কোন দিক নিয়ে যাচ্ছে এই প্রশ্ন এখন আর শুধু অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সীমাবদ্ধ নয়। উগ্রবাদী রাজনীতির সঙ্গে আপস, সহিংস ও বিভাজনমূলক ভাষ্যকে প্রশ্রয়, এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে আদর্শিক অন্ধত্ব এই সব মিলিয়েই বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে চিহ্নিত করছে।

যে অগ্রগতির গল্প শোনানো হচ্ছে, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে কূটনীতির দরজায়। আজ কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার, আগামীকাল মিশন সীমিতকরণ, তারপর দূতাবাস বন্ধ এই ধারা বিশ্ব রাজনীতিতে বহুবার দেখা গেছে। ইতিহাস জানে, এর শেষ কোথায় গিয়ে ঠেকে।

বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশকে বিশ্ব যেভাবে দেখছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এটি কোনো স্থিতিশীল, আস্থা-জাগানো রাষ্ট্রের ছবি নয় বরং এমন এক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি, যেখানে উগ্রতার প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান অনুপস্থিত, আর সেই শূন্যস্থান দখল করছে চরমপন্থা।

এর পরিণতি আর কাগজে-কলমে নেই এটি বাস্তব জীবনে আঘাত হানছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থবিরতা, বৈদেশিক লেনদেনে অনিশ্চয়তা, শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়া, ভিসা প্রক্রিয়ায় অঘোষিত অবরোধ সব মিলিয়ে সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিক ক্রমেই একটি অদৃশ্য কিন্তু কঠিন দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

সবচেয়ে নিষ্ঠুর বাস্তবতা হলো এই বিপর্যয়ের মূল্য দেবে না উগ্র রাজনীতির সুবিধাভোগীরা। মূল্য দেবে সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশে কাজ করতে চায়, যারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চায়, যারা কেবল নিরাপদ ও স্থিতিশীল একটি দেশে বাঁচতে চায়।

উগ্রবাদ সবসময়ই এই ফল চায় রাষ্ট্রকে একঘরে করা, অর্থনীতিকে দুর্বল করা, মানুষকে দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। আজ যারা এই পরিস্থিতিতে উল্লাস করছে, কাল তারাই হবে এই আগুনের প্রথম শিকার।

রাষ্ট্র যদি এখনও এই পথ থেকে সরে না আসে, তবে আন্তর্জাতিক অবিশ্বাস আরও গভীর হবে। আর সেই অবিশ্বাসের ভার বইতে হবে পুরো জাতিকে যার দায় কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের নয়।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 23-01-2026

বাংলাদেশ আজ কোন পথে………!!!

সাদ্দাম বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, গত ১১মাস ধরে জেলে, আজকে সাদ্দামের স্ত্রী দুই বছরের সন্তান সহ আত্মহ*ত্যা করেছে!! নাকি হত্যা করে এভাবে রেখে চলে গিয়েছে কেউ?

সাদ্দামের কথা ভেবে খারাপ লাগছে।দলকে ভালোবেসে প্রায় বছরখানেক ধরে সে জেলে,আজ তার প্রিয়তমা স্ত্রী সন্তানকেও হারালো।এই শোক কেমনে সইবে সে?

এ রকম হাজারো সাদ্দামের পরিবার আছে,নির্যাতিত হচ্ছে নিপিড়িত হচ্ছে তবুও হাল ছাড়ছে না। এই ছবি স্পষ্ট বলে দিচ্ছে বাংলাদেশ ফিরে গিয়েছে সেই ১৯৭১ সাল। পাক হানাদার বাহিনী যেভাবে মা বোনদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, ধর্ষণ করেছে দেশের সপক্ষের মানুষদের হত্যা করছে নির্যাতন নিপিড়ন করছে ঠিক সেখানেই আজ আমার সোনার বাংলাদেশ!!! 

কিন্তু দুঃখের বিষয় বঙ্গবন্ধুর এই বাংলার মানুষ এখনো আবেগে গা ভাসাচ্ছে বুঝতে পারছে না কি হচ্ছে দেশে।

আমি দেশবাসীকে আহ্বান করছি আসুন এই দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করি ঐ পাকিস্তানের আইএসআই এবং সিআইএ’র হাত থেকে।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 23-01-2026

দিল্লির প্রেস কনফারেন্সে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের নয়া দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।  

শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অবৈধ, সহিংস’ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি ড. ইউনূসকে ‘দখলদার’, ‘অর্থ পাচারকারী’ এবং ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বারবার উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশ বর্তমানে “একটি বিশাল কারাগার, একটি বধ্যভূমি এবং মৃত্যু উপত্যকায়” পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়েছে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন।

 শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।”

 বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:

১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা।

২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে। সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। 

ভাষণের এক পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 23-01-2026

২৩ জানুয়ারি ২০২৬ রোজ শুক্রবার আসছে নতুন চমক চোখ রাখুন টিভির পর্দায় ও জয় বাংলা ব্রিগেড এর জুম প্লাটফর্মে 

৫ ই আগস্ট ২০২৪ এর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রবাসে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পর এই প্রথম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ রোজ শুক্রবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ এর সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন।

উক্ত বক্তব্যে দেশী-বিদেশী ১০৯ টি নিউজ মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচার করা হবে। উক্ত লাইভ অনুষ্ঠান “জয় বাংলা ব্রিগেড এর জুম প্লাটফর্মে” সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সকল নেতা-কর্মীদের জয় বাংলা ব্রিগেড এর জুম প্লাটফর্মে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

ভবিষ্যৎ কথা বলছে নতুন নেতৃত্বের ডাকে……….

জয় বাংলা ★জয় বঙ্গবন্ধু…🇧🇩✊🏼

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

 Michigan USA 20-01-2026

বিদ্রোহের বজ্রধ্বনি

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

‘বিদ্রোহের বজ্রধ্বনি’ কবিতাটি একটি দেশাত্মবোধক ও প্রতিবাদী রচনা, যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনজাগরণের ডাক দেওয়া হয়েছে। বাংলার প্রান্তরে প্রান্তরে, সমুদ্র থেকে পাহাড়ে সর্বত্র প্রতিবাদের আওয়াজ তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একটি অগণতান্ত্রিক বা অবৈধ নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে একে দেশ বাঁচানোর লড়াই এবং অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

জনগণের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধের মুখে স্বৈরাচারের তাসের ঘর বা ঠুনকো দুর্গ ধূলিসাৎ হতে বাধ্য। জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তিকে এখানে ‘বজ্রের’ সাথে তুলনা করা হয়েছে।

প্রহসন বর্জন এবং প্রতিটি অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে একটি সুন্দর ও আলোকিত ‘শুভ্র প্রভাত’ বা নতুন দিন আনার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশের নিজস্ব স্বকীয়তা রক্ষা এবং জনগণের হৃত অধিকার ফিরিয়ে আনাই এই কবিতার মূল লক্ষ্য।

সংক্ষিপ্ত ভাবার্থ: কবিতাটি মূলত অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে এক দীপ্ত অঙ্গীকার। এটি একটি সুন্দর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং রাজপথে মুক্তি মিছিলে শামিল হওয়ার প্রেরণা জোগায়।

মোঃ ফকরুল ইসলাম                                              প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক                                      জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade Michigan USA 19-01-2026

রুধির রাঙ্গানো রাজপথ

মোঃ ফকরুল ইসলাম

​জুলাই-আগস্টের সেই মেঘলা আকাশ, ষড়যন্ত্রের জাল, থমকে গিয়েছিল চেনা রাজপথ, অস্থির মহাকাল। সেই ক্রান্তির তিমির ফুঁড়ে জাগল সাহসের স্বর, তৃণমূলের প্রাণভোমরায় জাগলেন মেজর জেনারেল রাব্বী আলম ডক্টর।

তিনি দিলেন ডাক— ‘জেগে ওঠো আজ বঙ্গবন্ধুর সেনা’, বাংলার মাটিতে চলবেনা আর কোনো ষড়যন্ত্রের হেনা।প্রতিষ্ঠা হলো ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’—প্রতিরোধের এক দুর্গ, নেতা-কর্মীর রক্তে নামলো সাহসের মহোৎসর্গ।

​২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে ৩২-এর সেই স্মৃতি, উজ্জীবিত হলো আবার শাশ্বত এক প্রীতি। তৃণমূলের প্রতিটি কোণ থেকে এলো এক একটি দল, শপথ নিলো রাজপথে তারা দেখাবেই বীরের বল।

​মুজিব সৈনিক সিলেট আর খাউলিয়া ইউনিয়ন জাগে, জয় বাংলা বীর সৈনিকরা নামে লড়াইয়ের অনুরাগে।ধানমন্ডি ৩২ থেকে ধ্বনি ওঠে— ‘আমরা আছি তৈরি’, পরাস্ত হবেই হবে বাংলার মাটিতে অশুভ বৈরী।

​গেরিলা সংগঠন থেকে টিম জয় আর সাইবার ৭১, ডিজিটাল থেকে রাজপথ—সবই যেন এক রণস্থল। রিজার্ভ ফোর্স আর মুজিবিয়ান ব্রিগেডিয়ার এক সুরে, মুক্তির বারতা পৌঁছে দেয় তারা বাংলার ঘরে ঘরে।

​বরগুনা থেকে ঝালকাঠি, কিংবা বহির্বিশ্ব পরিবার, সকলেই আজ এক মোহনায়, ভাঙতে শৃঙ্খল-কার। তৃণমূল শ্রমিক লীগ আর আমরা ৭১ এর সাথী, অন্ধকারের বুক চিরে তারা জ্বালে বিপ্লবের বাতি।

​‘প্রতিবিপ্লব আসবেই’—এই বজ্রকঠিন স্বরে, লড়াই চলছে অনবরত প্রতিটি বালুকণা ফুঁড়ে। রাব্বী আলমের দিকনির্দেশনা, আদর্শের এক শিখা, ইতিহাসের পাতায় আঁকা রবে এই প্রতিরোধের লিখা।

​রক্ত রাঙানো ২৩ এভিনিউ আর ৩২-এর মাটি, দাবি জানায়—মুজিবের আদর্শই চিরন্তন আর খাঁটি। জয় বাংলা ব্রিগেড লড়ছে, লড়বে বীরের দর্পে, বাংলাদেশকে রক্ষা করবেই তারা সকল ষড়যন্ত্রের হূঙ্কারে।

মোঃ ফকরুল ইসলাম প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade Michigan USA 17-01-2026

পলাতক নেতার প্রতি আর্তি

মোঃ ফকরুল ইসলাম

কবিতার মূলভাব ও সারাংশ

​কবিতাটি মূলত মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ত্যাগ এবং দুর্দিনে আত্মগোপনকারী বা বিদেশে পাড়ি জমানো নেতাদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও প্রত্যাশার একটি সংমিশ্রণ।

​তৃণমূলের কর্মীরা যখন জেল-জুলুম,পুলিশি নির্যাতন এবং রোদে পুড়ে রাজপথ আগলে রাখছে,তখন সুবিধাবাদী নেতারা বিদেশে নিরাপদ ও বিলাসী জীবনযাপন করছেন। একে নেতার নৈতিক স্খলন হিসেবে দেখানো হয়েছে।

​শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক লাইভ) বিপ্লবের ডাক দেওয়াকে আমি প্রকৃত নেতৃত্ব হিসেবে মানতে পারছি না। আমার মতে, বিপদের সময় কর্মীকে ফেলে পালানো নেতার কোনো সম্মান থাকতে পারে না।

​আমার দৃষ্টিতে যিনি রক্ত দিয়ে দল গড়েন এবং দুর্দিনে কর্মীর পাশে থেকে জেল-জুলুম সহ্য করেন, তিনিই প্রকৃত নেতা।

সুতরাং আমি আপনাদের (নেতাদের) প্রতি কঠোর বার্তা দিচ্ছি। যদি রাজপথের আন্দোলনে ফিরে এসে বীরের মতো লড়াই করার সাহস না থাকে, তবে ভবিষ্যতে রাজপথে আপনাদের কোনো জায়গা হবে না। সম্মান পেতে হলে ভীরুতা ছেড়ে মাটির টানে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি বাঁচলে একসাথে মরলেও একসাথে মরবো।

সারকথা:এটি একটি প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে সুবিধাবাদী পলায়নপর রাজনীতির সমালোচনা করে ত্যাগী ও সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 16-01-2026

জয় বাংলা ব্রিগেডের হুঙ্কার

জয় বাংলা ব্রিগেডের হুঙ্কার”

কবিতাটি মূলত একটি রাজনৈতিক উদ্দীপনামূলক রচনা, যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লেখা হয়েছে। ২০২৪ সালের প্রেক্ষাপটে দেশে একটি অন্ধকার বা ষড়যন্ত্রের ছায়া দেখছেন। এই ক্রান্তিকালে যখন সংগঠনটি (আওয়ামী লীগ) কঠিন সময় পার করছে, তখন ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ একটি আশার আলো হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ডক্টর রাব্বি আলমকে এই ব্রিগেডের পেছনের কারিগর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে “বাংলার অবিনাশী প্রাণ” হিসেবে অভিহিত করে তাঁকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।

কবিতার ভাষায়, কর্মীরা আজ জাগ্রত এবং তারা সব ষড়যন্ত্র ছিঁড়ে ফেলার শপথ নিয়েছে। অবৈধ শক্তির পতন ঘটিয়ে পুনরায় বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানানো হয়েছে।

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বীরের বেশে এবং বিপ্লবের সাজে রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াবে—এটিই কবিতার মূল প্রতিপাদ্য।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Michigan USA 17-01-2026

প্রতিরোধের অগ্নিনাশ:জয় বাংলা ব্রিগেড

মোঃ ফকরুল ইসলাম

​​ষড়যন্ত্রের কালো মেঘে ঢেকেছে আজ দেশ, নীল নকশায় কেড়েছে সুখ, বাড়ালো দীর্ঘশ্বাস প্রাণের নেত্রী দেশরত্ন—আশার প্রদীপ শিখা ফিরিয়ে আনতে লড়ছি মোরা, রক্তে ভাগ্য লিখা।

ডক্টর রাব্বি আলমের ডাকে জেগেছে তৃণমূল, রক্ত দিয়ে শোধ করে দেবো ষড়যন্ত্রের ভুল। কবিরুল ইসলাম আকাশ আর কামরুল ইসলাম বীর অন্যায়ের কাছে কক্ষনো তারা নত করেনি তো শির।

ফকরুল আর রুহুল তালুকদার দপ্তরে আজ স্থির, জসীম-তাইজুল-ফাতেমারা সব অকুতোভয় বীর!জেগেছে নারী ব্রিগেড আজ নমিতা-জেব-উন-নিছার হাত, শহিদ আর বোরহান উদ্দিনের মিছিলে কাটবে কালো রাত।

সুমন,কামরুল,মাঈনু, পারভেজ হুঙ্কার ছাড়ে ওই, ষড়যন্ত্রের জাল বুনে আজ পালাবি তোরা কই?ফারুক,দেলোয়ার,শহর আলী’র হাতে শানিত তলোয়ার, নাঈম,নয়ন,হাবিব,করিম,পার্সিয়ারা সইবে না অবিচার।

রিজভী আলম আর হাফিজুর রহমান ইকবাল লড়ে অকুতোভয়, বাংলার মাটি জানান দিচ্ছে—আগামী দিন মোদের জয়। দেশদ্রোহী মামলা দিয়ে রুখবে কারে আজ? মোদের শিরে জ্বলছে শুধু জয়ের রক্ত-তাজ।

ইউনূস গং-এর বিদায় ঘণ্টা বাজছে দিকে দিকে, মিথ্যে অপবাদ মুছে দেবো—রইবে না কেউ ফিকে।মেজর, ক্যাপ্টেন, আহ্বায়ক—শপথ নিয়েছে সবে, বাংলার আকাশ ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখর হবে।

আবার ফিরবেন নেত্রী মোদের, আবার আসবে আলো, ছিঁড়ব মোরা ষড়যন্ত্রের জাল যত ছিল কালো। ভয় নেই কোনো জেল-জুলুমে, জয় বাংলা ব্রিগেড জাগে, আওয়ামী লীগের তৃণমূল আজ চলছে সবার আগে!

মোঃ ফকরুল ইসলাম  প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক  জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 12-01-2026

দুর্জয় ও স্বপ্ন সারথী

মোঃফকরুল ইসলাম

দুর্জয় ও স্বপ্ন সারথী’ কবিতাটি মূলত ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্গঠিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে লেখা।

কবিতার শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ঘটনাপ্রবাহকে একটি ‘ষড়যন্ত্র’ এবং ‘অন্ধকার সময়’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। শেখ হাসিনার ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়াকে চক্রান্ত হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিকূল এই সময়ে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গঠন এবং ডক্টর রাব্বি আলমের নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে। তাকে একজন মেধাবী ও সাহসী নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যিনি ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ইউনূস গং শব্দবন্ধে উল্লেখিত) সময়কে ‘অমানিশা’ বা অন্ধকার হিসেবে উল্লেখ করে তাদের পতনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

কবিতার শেষাংশে শেখ হাসিনাকে পুনরায় দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আওয়ামী লীগের হাত ধরে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে দলের জয়পতাকা ওড়ানোর সংকল্পের মধ্য দিয়ে কবিতাটি শেষ হয়।

সারসংক্ষেপ: এটি একটি রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কবিতা, যেখানে বিগত সরকারের পতনকে ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়ে ডক্টর রাব্বি আলমের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 12-01-2026

RSS
Follow by Email