​ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন:জনগণের সাথে চরম তামাশা ও নীল নকশার অন্তরালে ষড়যন্ত্র

জয় বাংলা ব্রিগেড ​ভূমিকা ​বর্তমান বাংলাদেশে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকার জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে এক গভীর ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়,বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ‘ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন’। এই সরকার দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার এবং নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য যে নীল নকশা তৈরি করেছে, তা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকি।

​নির্বাচনের নামে প্রহসন কেন?

১.বর্জিত ও একপেশে প্রক্রিয়া দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনের বাইরে রেখে একটি নির্দিষ্ট বলয় তৈরি করা হয়েছে। যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ নেই, সেখানে নির্বাচন কেবলই একটি আইনি মোড়ক, যা দিয়ে অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার চেষ্টা চলছে।

২.ভাগবাটোয়ারার ফর্মুলা রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন এবং বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, কোন দল কতটি আসন পাবে এবং কার ভূমিকা কী হবে, তা আগেই নির্ধারিত। এই ‘সিট শেয়ারিং’ বা ভাগবাটোয়ারা মূলত ভোটারদের সাথে এক নিষ্ঠুর তামাশা।

৩.ষড়যন্ত্রের ‘জুলাই চার্টার’ ও গণভোট নির্বাচনের সাথে তথাকথিত ‘জুলাই চার্টার’ নিয়ে গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এটি মূলত সংবিধানকে ধ্বংস করে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার। ভোটারদের বিভ্রান্ত করে তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই সংস্কারগুলো দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে।

৪.বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়ন তথ্যমতে, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে বিদেশের সাথে বিভিন্ন গোপন চুক্তি (যেমন: ইউএস ট্যারিফ ডিল) করার প্রস্তুতি চলছে। জনগণের ম্যান্ডেটবিহীন একটি সরকারের দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। এটি সরাসরি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর আঘাত।

​জনগণের প্রতি আহ্বান: জয় বাংলা ব্রিগেড-এর অবস্থান “এই ষড়যন্ত্রের নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের ত্যাগ ও গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননা। আমরা এই ভাগবাটোয়ারার নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করি।”

অবৈধ সরকারকে রুখে দিন: যারা পর্দার আড়ালে বসে দেশের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন।

ভোটের অধিকার রক্ষা করুন: আপনার পবিত্র আমানত ‘ভোট’ যেন কোনো পাতানো খেলার অংশ না হয়, সেদিকে সজাগ থাকুন।

ষড়যন্ত্র ফাঁস করুন: জয় বাংলা ব্রিগেড প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় এই অবৈধ সরকারের দুর্নীতির তথ্য ও নির্বাচনের নামে প্রহসনের কথা পৌঁছে দেবে।

​মোটকথা ইতিহাস সাক্ষী,জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো শাসক টিকে থাকতে পারেনি। ড. ইউনূসের এই তাসের ঘর অচিরেই ভেঙে পড়বে। জয় বাংলা ব্রিগেড রাজপথে আছে এবং থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রকৃত জনগণের শাসন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 07-02-2026

Please follow and like us:
Pin Share