
বাগেরহাটে এক নারকীয় ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হলো দেশ। বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি, রাজপথের লড়াকু সৈনিক সাদ্দাম হোসেনের অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রী ও অবুঝ শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। জয় বাংলা ব্রিগেড এই কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
ঘটনার বীভৎসতা ও প্রশাসনের ভূমিকা
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘ ১১ মাস ধরে কারাবন্দি। এই সুযোগে “সমন্বয়ক” নামধারী শিবির সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে এবং তার নিষ্পাপ শিশু সন্তানকেও হত্যা করে মেঝেতে ফেলে রেখে যায়।
আমাদের পর্যবেক্ষণ ও দাবি:
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: এটি কেবল একটি সাধারণ অপরাধ নয়, বরং একজন রাজনৈতিক কর্মীকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত একটি “রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড”।
মানবাধিকার লঙ্ঘন: নিজ স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা অত্যন্ত অমানবিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রশাসনের নির্লিপ্ততা: কারাগারের ফটকে হাতকড়া পরা অবস্থায় মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য মৃতদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এমনকি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) এই বিষয়ে এড়িয়ে যাওয়া ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতাকে নির্দেশ করে।
আমাদের দাবি সমূহ:
১. এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত “সমন্বয়ক” নামধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
২. প্রশাসনের যে সকল কর্মকর্তা প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে সাদ্দামকে তার পরিবারের শেষ বিদায় থেকে বঞ্চিত করেছে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
৩. ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে।
বিবৃতি: “শোক নয়, আজ প্রতিরোধের সময়। আমাদের ভাই সাদ্দামের পরিবারকে যারা শেষ করে দিয়েছে, তাদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই হবে না। জয় বাংলা ব্রিগেড এই অন্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বে।”
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 27-01-2026


ইনশাআল্লাহ শুধু সময়ে অপেক্ষা, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ✊