
“জয় বাংলা” স্লোগানকে বুকে ধারণ করে যিনি আমৃত্যু চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন, সেই বটবৃক্ষ আর নেই।
অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে, চট্টগ্রামের গণমানুষের প্রিয় নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আজ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তার প্রয়াণে জয় বাংলা ব্রিগেড গভীরভাবে শোকাহত। আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম, দেশ হারালো তার এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে।
এক নজরে বীরের জীবনগাথা
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কেবল একজন রাজনীতিক ছিলেন না; তিনি ছিলেন ইতিহাসের সাক্ষী ও নির্মাতা। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের কিছু দিক:
রণাঙ্গনের বীর: ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর সাহসিকতা তরুণ প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
উন্নয়নের কারিগর: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন।
আদর্শিক রাজনীতির ধ্রুবতারা: আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথ থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল অবিচল। তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।
চট্টলার বটবৃক্ষ: চট্টগ্রামের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এমন এক মহীরুহ, যাঁর ছায়াতলে কয়েক প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে।
”মৃত্যু একজনকে কেড়ে নেয় সত্যি, কিন্তু তাঁর আদর্শকে মুছে ফেলতে পারে না। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দেখানো পথেই এগিয়ে যাবে আগামীর বাংলাদেশ।”
আমাদের অঙ্গীকার
জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তাঁর অসমাপ্ত কাজ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
হে আল্লাহ, আপনার এই বীর সেনানিকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি:
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
#শোকবার্তা #বীর_মুক্তিযোদ্ধা #ইঞ্জিনিয়ার_মোশাররফ_হোসেন #জয়_বাংলা_ব্রিগেড #চট্টগ্রাম #আওয়ামী_লীগ
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 12-05-2026










