
ঢাকা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে জামায়াতে ইসলামি এবার মাঠে নামিয়েছে এক ভয়ংকর মাস্টারপ্ল্যান। ঢাকার আসনগুলোতে কৃত্রিম জয় নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ‘ভাড়াটে’ ভোটার এনে ভোট জালিয়াতির এক নজিরবিহীন উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় এক ‘অপরিচিত’ ভোটারের অসংলগ্ন তথ্যে বেরিয়ে এসেছে এই গভীর ষড়যন্ত্রের রোমহর্ষক চিত্র।
বনশ্রীতে ‘পথ হারানো’ ভোটার: থলের বিড়াল যেভাবে বের হলো
০৮-০২-২০২৬ ইং তারিখে বনশ্রী এলাকায় জনৈক ব্যক্তিকে হাতে ভোটার স্লিপ নিয়ে হন্যে হয়ে ঠিকানা খুঁজতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ওই ব্যক্তি জানান, তিনি আদতে নীলফামারি জেলার বাসিন্দা এবং দীর্ঘকাল ধরে সেখানে আসাদুজ্জামান নূরের আসনের ভোটার ছিলেন।
কিন্তু জামায়াতে ইসলামির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তার ভোটটি কৌশলে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তারা একা নন, বরং দুটি রিজার্ভ বাসে করে প্রায় ১০০ জন লোক একসাথে নীলফামারি থেকে বনশ্রীতে এসেছেন শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য। আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিজের ভোটকেন্দ্র বা এলাকার ঠিকানা পর্যন্ত চেনেন না এই তথাকথিত ভোটাররা!
৭ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটারের মাস্টারপ্ল্যান
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকার নির্বাচনী আসনগুলোতে জয় ছিনিয়ে নিতে জামায়াত একটি মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় সারা দেশ থেকে প্রায় ৭ লাখ ভোটারকে ঢাকার বিভিন্ন আসনে ভুয়া ঠিকানায় নিবন্ধন করিয়েছে।
ঠিকানা চেনে না, তবুও ভোটার: হাজার হাজার লোক ঢাকা শহরের গলি বা এলাকা না চিনলেও তারা নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত।
ভুয়া পরিচয় ও জালিয়াতি: এর আগেও গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল যে, একই পিতার নাম ব্যবহার করে শত শত ভুয়া ভোটার তৈরি করা হয়েছে।
সংগঠিত অনুপ্রবেশ: নির্বাচনের ঠিক আগে রিজার্ভ বাসে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোক এনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
“এটি কোনো সাধারণ ভোট স্থানান্তর নয়, বরং সরাসরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। এক এলাকার মানুষকে অন্য এলাকায় এনে ভোট দেওয়ানো নির্বাচনী আইনের চরম লঙ্ঘন।”— রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
জয় বাংলা ব্রিগেডের আহ্বান
গণতন্ত্রের লেবাস পরে জামায়াতের এই ‘ভাড়াটে ভোটার’ জালিয়াতি রুখতে হবে এখনই। একটি নির্দিষ্ট আদর্শের জয় নিশ্চিত করতে যারা নীলফামারি থেকে ঢাকা পর্যন্ত লোক সরবরাহ করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা সময়ের দাবি।
বনশ্রীর এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, জামায়াতে ইসলামি জনসমর্থনের ওপর নয়, বরং জালিয়াতি আর পেশিশক্তির ওপর ভর করে প্রহসনের নির্বাচনী ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সচেতন দেশবাসীকে জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এই‘বহিরাগত’ ভোটারদের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার এবং নৌকা ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানাচ্ছি।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 11-02-2026


জয় বাংলা ভোট দিতে যাবো না ইনশাআল্লাহ