আজ ২রা এপ্রিল। বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ের অবিসংবাদিত সেনানী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ভাইয়ের ৭৮তম জন্মদিন। এই শুভক্ষণে জয় বাংলা ব্রিগেড তাঁর স্মৃতির প্রতি জানায় গভীর ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা।
পিতার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে যিনি আমৃত্যু রাজপথে লড়ে গেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে, তাঁর শূন্যতা আজও প্রতিনিয়ত অনুভূত হয়। তিনি শুধু একজন নেতাই ছিলেন না, ছিলেন দুঃসময়ে দলের দুঃসাহসী এক অতন্দ্র প্রহরী।
”লোভ-লালসা কিংবা কোনো রক্তচক্ষু যাঁকে কখনো দমাতে পারেনি—তিনিই আমাদের নাসিম ভাই।”
কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ কিংবা রাজপথের উত্তাল আন্দোলন—কোথাও তিনি কখনো কোনো অপশক্তির সাথে আপস করেননি। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের জীবন্ত ইতিহাস।
নাসিম ভাই, আপনার ত্যাগ ও লড়াইয়ের ইতিহাস এদেশের প্রতিটি রাজপথের ধূলিকণায় অমর হয়ে মিশে আছে। বাঙালির প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আপনি অনুপ্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, অনন্তকাল।
জয় বাংলা ব্রিগেড আপনার আদর্শকে বুকে ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার দীপ্ত শপথ নিচ্ছে।
আজ সেই মহান জননেতার ৮২তম জন্মবার্ষিকী, যিনি ঢাকার প্রতিটি ধূলিকণা আর মেহনতি মানুষের হৃদস্পন্দন বুঝতেন। তিনি আর কেউ নন—অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত সফল মেয়র এবং অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় নেতা মোহাম্মদ হানিফ। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা জানাচ্ছি গভীরতম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অর্ঘ্য।
মোহাম্মদ হানিফ কেবল একজন জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন রাজপথ থেকে উঠে আসা জনগণের প্রকৃত কণ্ঠস্বর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিজের জীবনের ধ্রুবতারা বানিয়েছিলেন।
ঢাকার ইতিহাসে প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে তিনি এই প্রাচীন নগরীর উন্নয়নে আধুনিকতার ছোঁয়া এনেছিলেন। শত সংকটেও তিনি ঢাকাবাসীকে আগলে রেখেছিলেন বটবৃক্ষের মতো।
মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন এক চরম আত্মত্যাগের প্রতীক। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সেই বিভীষিকাময় দিনে, ঘাতকদের গ্রেনেডের সামনে মানবঢাল তৈরি করে তিনি আমাদের প্রিয় নেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেছিলেন। নিজের জীবন বাজি রেখে নেত্রীকে বাঁচালেও, তাঁর শরীরে বিঁধে থাকা শত শত স্প্লিন্টারের তীব্র যন্ত্রণা তিনি আমৃত্যু বয়ে বেড়িয়েছেন। এই ত্যাগ বাঙালি জাতি কোনোদিন ভুলবে না।
”যতদিন ঢাকা থাকবে, যতদিন লাল-সবুজের পতাকা থাকবে, ততদিন ঢাকাবাসীর হৃদয়ে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মোহাম্মদ হানিফ এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন।”
আজ তাঁর এই ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে জয় বাংলা ব্রিগেড শপথ নিচ্ছে—মোহাম্মদ হানিফ যে অসাম্প্রদায়িক, উন্নত ও আধুনিক ঢাকার স্বপ্ন দেখেছিলেন, এবং বঙ্গবন্ধুর যে আদর্শ বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই চেতনাকে আমরা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেব। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, উন্নত ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে জয় বাংলা ব্রিগেড সদাপ্রস্তুত ও অবিচল।
শ্রদ্ধাঞ্জলি, হে বীর জননেতা! আপনার স্মৃতি ও আদর্শ আমাদের পথ চলার অনন্ত অনুপ্রেরণা।
— জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বিশেষ বিবৃতি
প্রিয় সহযোদ্ধা ও দেশবাসী, আমাদের দীর্ঘদিনের লড়াই, ত্যাগ এবং সত্যের সপক্ষে অবস্থানের এক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণ এবং ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর অন্যায় ও অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবশেষে বিশ্ববিবেক সোচ্চার হয়েছে। সম্প্রতি জাতিসংঘ (রাষ্ট্রসংঘ) বর্তমান সরকারের কাছে এক কড়া চিঠি পাঠিয়ে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত সকল বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা কেন প্রত্যাহার করা হবে না, তার জবাব চেয়েছে।
বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চরম পক্ষপাতদুষ্ট ও অগণতান্ত্রিক আচরণের পর, বর্তমান বিএনপি সরকারের ওপর এই জবাবদিহিতার দায় চেপেছে। জাতিসংঘের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে— দমন-পীড়ন চালিয়ে কোটি মানুষের প্রাণের সংগঠনকে কখনোই স্তব্ধ করা যায় না।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ও বিশেষজ্ঞদের যৌথ স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বর্তমান ও বিগত প্রশাসনের বেশ কিছু গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে:
অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞা: সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তব কোনো ঝুঁকি ছাড়াই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং রাজনৈতিক বহুত্ববাদ ধ্বংসের প্রয়াস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার: একটি রাজনৈতিক দলকে দমন করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
ভোটের অধিকার হরণ: নির্বাচনের পূর্বে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে বিপুল সংখ্যক ভোটারকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টিতে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
ঢালাও গ্রেপ্তার ও অবিচার: আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও আইনজীবীদের ওপর নির্বিচার গণগ্রেপ্তার, হেফাজতে নির্যাতন ও ন্যায্য বিচার না পাওয়ার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে এসেছে।
আমাদের বক্তব্য: কোনো একটি পুরো দল, তার কোটি কোটি সমর্থক এবং একটি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে গায়ের জোরে স্তব্ধ করে দেওয়া যায় না। অপরাধের বিচার হতে হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে, কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে নয়।
জয় বাংলা ব্রিগেডের উদাত্ত আহ্বান–জাতিসংঘের এই চিঠি প্রমাণ করে যে, অন্ধ আক্রোশে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করার চেষ্টা বিশ্ব দরবারে আজ প্রশ্নবিদ্ধ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে কালো অধ্যায়ের সূচনা করেছিল, তার জবাব এখন এই সরকারকে দিতেই হবে। আসুন, আমরা এই সত্যের জয়কে সাথে নিয়ে রাজপথে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াই আরও জোরদার করি। জয় বাংলা ব্রিগেড সকল প্রকার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগের অধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে সর্বদা অগ্রভাগে থাকবে।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভলগ্নে, যখন জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় বীর শহীদদের স্মরণ করছে, তখন জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি।
আজ এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, “শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো প্রতিটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। অথচ অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ভাবে মিষ্টিসহ আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে, যা কেবল অগণতান্ত্রিক নয় বরং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী।”
জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া সকল কারাবন্দীর অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
উৎসবের দিনে এবং জাতীয় শোকাবহ ও গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্তে এ ধরণের গণগ্রেফতার স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। আওয়ামী লীগের কর্মী মিষ্টির মতো যে সকল নেতাকর্মীদের ওপর আরোপিত হয়রানিমূলক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
সভায় বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “জয় বাংলা ব্রিগেড রাজপথের শক্তি। ভয় দেখিয়ে বা জেল-জুলুমের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের সৈনিকদের দমানো যাবে না। অবিলম্বে আমাদের ভাইদের মুক্তি দেওয়া না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবো।”
পরিশেষে, জয় বাংলা ব্রিগেড দেশের প্রতিটি শান্তিকামী মানুষকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে এবং কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, জয় বাংলা ব্রিগেড।
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ—অন্ধকার চিরে উদিত হয়েছিল এক নতুন সূর্যের সম্ভাবনা। আজ সেই মহান স্বাধীনতা দিবস।
যাঁদের ত্যাগে আজ আমরা মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিচ্ছি, যাঁদের বুকের তাজা রক্তে কেনা হয়েছে আমাদের এই প্রিয় মানচিত্র, সেই অকুতোভয় বীর শহীদদের প্রতি ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ জানাচ্ছে বিনম্র শ্রদ্ধা।
সাধারণ মানুষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সবাই মিলে রুখে দাঁড়িয়েছিল শোষণের বিরুদ্ধে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক হয়ে লড়াই করার সেই মন্ত্রই আমাদের আজকের প্রেরণা।ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠা এক দেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে ঠিক তখনই আবার হায়েনার দল মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা শুধু একটি শব্দ নয়, এটি একটি চিরন্তন দায়িত্ব। জয় বাংলা ব্রিগেড বিশ্বাস করে, শহীদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেই লক্ষ্যে প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশপ্রেমের যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে।
“রক্ত দিয়ে কেনা এই মানচিত্রের মর্যাদা রক্ষায় আমরা আপসহীন।”
সবাইকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের লাল-সবুজ শুভেচ্ছা!
“ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে ঘরে ফেরা”— কিন্তু আজ বাংলাদেশের এক কঠিন বাস্তবতায় এই সংজ্ঞাটি অনেকের জন্যই কেবল এক বুক দীর্ঘশ্বাস। গত বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মী পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
যাদের ঘাম আর শ্রমে এই বাংলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছিল, আজ তাদের অনেকের কাঁধেই ঝুলছে একের পর এক মিথ্যা মামলার পাহাড়। কোনো প্রমাণিত অপরাধ ছাড়াই কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তারা আজ ঘরছাড়া। মবের ভয়, চাকরি হারানো আর ব্যবসা ধ্বংসের আতঙ্কে দিশেহারা এই মানুষগুলো আজ মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ এদের অনেকেই ছিলেন তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
মায়ের হাতের সেই চিরাচরিত রান্নার স্বাদ, বাবার সাথে নামাজ শেষে পরম মমতায় কোলাকুলি, কিংবা ছোট ভাইবোনের নির্মল হাসি—এইসব রঙিন স্মৃতি আজ তাদের তাড়া করে ফেরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন বন্ধুদের নতুন পোশাকে উৎসবের ছবি ভেসে ওঠে, তখন দূরে কোথাও আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগ, যুবলীগ কিংবা আওয়ামী লীগের সেই ছেলেটির বুক অভিমানে ভারী হয়ে ওঠে। সে ফিরতে চায় তার চেনা আঙিনায়, কিন্তু প্রিয়জনদের নিরাপত্তার কথা ভেবে মা-বাবাই তাকে বারণ করেন।
ঈদ তো কেবল উৎসব নয়, ঈদ মানে ঘরে ফেরার আকুতি। কিন্তু কতদিন আর এভাবে? কতদিন আমাদের নিরপরাধ ভাইরা নিজের দেশেই পরবাসী হয়ে থাকবে?
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে আমরা বলতে চাই:
অন্ধকার যত গভীরই হোক, ভোরের সূর্য উদয় হবেই। অন্যায়-অবিচার আর প্রতিহিংসার দেয়াল একদিন ভেঙে পড়বেই। যারা আজ দেশ ও মানুষের কথা বলতে গিয়ে ঘরছাড়া, আমরা আপনাদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। আপনারা একা নন; আপনাদের এই লড়াইয়ে জয় বাংলা ব্রিগেড সবসময় পাশে আছে।
শাসকের অন্যায় অবিচারে ঘরছাড়া প্রতিটি আওয়ামী লীগ কর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। সত্যের জয় হবেই, এবং আগামী দিনে আমরা সবাই মিলে নিজ ঘরে, প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপনের অধিকার ফিরে পাবো—এই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
ঈদ মোবারক!
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, জয় বাংলা ব্রিগেড।
বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আমরা স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আজ ১৭ই মার্চ, বাঙালির আলোকবর্তিকা ও প্রেরণার মহাকাব্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী।
জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর জেনারেল ডক্টর রাব্বী আলম (পিএইচডি) বলেন,বঙ্গবন্ধু মানেই একটি লাল-সবুজের পতাকা। বঙ্গবন্ধু মানেই একটি স্বাধীন মানচিত্র। টুঙ্গিপাড়ার সেই ‘খোকা’ থেকে বিশ্বনেতা হয়ে ওঠার যে মহাকাব্যিক পথচলা, তা আজও বিশ্বের প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণা। তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব এবং হিমালয়সম সাহসিকতা আমাদের উপহার দিয়েছে একটি স্বাধীন জাতিসত্তা।
”আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালোবাসা, আর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশি ভালোবাসি।” — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা প্রবাসের মাটি থেকেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আজকের এই পবিত্র দিনে আমাদের অঙ্গীকার— ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে সশরীরে কেড়ে নিলেও তাঁর আদর্শকে আমাদের হৃদয় থেকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আজ ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) এক বাণীতে তিনি জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শিশুদের প্রতি ভালোবাসা জানান।
শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯২০ সালের এই দিনে টুঙ্গিপাড়ার পুণ্যভূমিতে জন্ম নেওয়া ‘খোকা’ কালক্রমে হয়ে উঠেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা। তিনি আমাদের কেবল একটি স্বাধীন ভূখণ্ডই দেননি, বরং একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিসত্তা উপহার দিয়েছেন।
বানীতে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জন্মদিন শিশুদের সাথে কাটাতে পছন্দ করতেন। আওয়ামী লীগ সরকার সেই ধারাবাহিকতায় দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের প্রচলন করে। তবে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে অবৈধ দখলদার সরকারগুলো ১৭ই মার্চের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ও শিশু দিবস বাতিল করেছিল।
বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির অস্থির সময়ে বঙ্গবন্ধুর ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’—এই নীতির প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশ যেন কোনো পরাশক্তির বলয়ে আবদ্ধ না হয়ে স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে চলতে পারে,সেটিই ছিল জাতির পিতার আজীবন লক্ষ্য।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন আমাদের কেউ ‘দাবায়ে রাখতে’ পারবে না। সকল অগণতান্ত্রিক শক্তির আস্ফালন ও অনিশ্চয়তা কেটে যাবে যদি আমরা বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক ও শোষণমুক্ত ‘সোনার বাংলা’র আদর্শে অবিচল থাকি।
তিনি শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন থেকে সততা, দেশপ্রেম ও সাহসের শিক্ষা নিয়ে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
”জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নই হোক আমাদের জীবনের ব্রত। আঁধার কেটে ভোর হোক, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।” — শেখ হাসিনা
বাণীর শেষে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডকে ‘ইতিহাস বিকৃতির জঘন্য মহোৎসব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সুজিত রায় নন্দী বলেন, “অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা দেখছি, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বঙ্গবন্ধুকে বারবার অসম্মান করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।” তিনি ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ ৮টি জাতীয় দিবস বাতিলের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, পাঠ্যবই থেকে বঙ্গবন্ধুর সঠিক ইতিহাস বাদ দেওয়া একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল।
আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, “বাংলা, বাঙালি ও বঙ্গবন্ধু একটি অবিচ্ছেদ্য মহাকাব্য। মহাকাব্যের স্রষ্টাকে বাদ দিয়ে মহাকাব্য চর্চা করা অসম্ভব। ৩২ নম্বরের বাড়ি পোড়ানো বা সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর মুরাল ও ম্যুরাল ধ্বংস করে বাঙালির হৃদয় থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলা যাবে না। বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের এক চিরন্তন সত্য; তাঁকে মুছে ফেলার চেষ্টা মানেই বাংলাদেশকে মুছে ফেলার চেষ্টা।”
বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নারী, শিশু ও সাধারণ রিকশাচালকদের গ্রেফতার করে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আসামি করা হয়েছে। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর অপরাধে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করে প্রতিহিংসার নিকৃষ্টতম উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে সুজিত রায় নন্দী বলেন, টুঙ্গিপাড়ার মাটি ও মানুষের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর যে নাড়ির টান ছিল, তাই তাঁকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৬৬-র ছয় দফা, ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০-এর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদী নেতা হয়ে উঠেছিলেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের ১৪টি বছর পাকিস্তানি কারাগারে কাটিয়েছেন এবং দু’বার ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও আপস করেননি। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর থেকেই তিনি স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সংগ্রামী এই নেতা সুজিত রায় নন্দী তাঁর বক্তব্যের সমাপ্তিতে বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। ব্যক্তি মুজিবকে স্তব্ধ করা গেলেও তাঁর চেতনা বাঙালির হৃদয়ে চিরঞ্জীব। আজকের এই দিনে আমাদের শপথ হোক—ভালবাসা দিয়েই মানুষের মন জয় করা, যা হবে জাতির পিতার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।”
আজ ১৭ই মার্চ। বাঙালির হৃদস্পন্দন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২০ সালের এই দিনে টুঙ্গিপাড়ার নিভৃত পল্লীতে যে ‘খোকা’র জন্ম হয়েছিল, তিনিই কালক্রমে হয়ে উঠেছিলেন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহানায়ক।
আজকের এই দিনটি কেবল একটি তারিখ নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় সন্ধানের মাহেন্দ্রক্ষণ। একইসাথে দিনটি ‘জাতীয় শিশু দিবস’, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর সেই অগাধ বাৎসল্য ও আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের কথা।
বঙ্গবন্ধুর জীবন মানেই বাংলাদেশের ইতিহাস। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন শোষিতের পক্ষে সোচ্চার। ১৯৪৮-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ‘৫২-এর একুশে, ‘৬৬-এর বাঙালির মুক্তি সনদ ছয় দফা, আর ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি বাঁকেই তিনি ছিলেন আপসহীন।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ১৮ মিনিটের ভাষণ ছিল বাঙালির পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার মন্ত্র। তাঁর সেই বজ্রকণ্ঠ—“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”—আজও সাত কোটি থেকে সতেরো কোটি বাঙালির ধমনীতে রক্তস্রোত বইয়ে দেয়।
এক নজরে ইতিহাসের অমর অধ্যায়
সাল ঐতিহাসিক গুরুত্ব
১৯২০ ১৭ই মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় মহানায়কের জন্ম।
১৯৪৮ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন ও ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব।
১৯৬৬ বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা’ পেশ।
১৯৬৯ ছাত্র-জনতা কর্তৃক প্রাণের নেতাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত।
১৯৭১ ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ।
১৯৭২ ১০ই জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন।
১৯৭৫ ১৫ই আগস্ট সপরিবারে ইতিহাসের বর্বরোচিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ড।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, বর্তমান সরকার এই মহান নেতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালনে রাষ্ট্রীয় কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ব্যক্তিকে হত্যা করা যায়, আদর্শকে নয়। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই আজ টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া—অনলাইনে এবং অফলাইনে—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের লক্ষ-কোটি নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করছেন এই দিনটি।
ঘাতকের বুলেট বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছে, কিন্তু তাঁর ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন আজও আমাদের প্রতিটি কর্মীর হৃদয়ে অম্লান। বর্তমানের এই প্রতিকূল সময়ে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও সাহসই আমাদের পাথেয়। নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
“আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালোবাসা, আর আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো আমি তাদের খুব বেশি ভালোবাসি।” — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
জাতির পিতার ১০৬তম জন্মবার্ষিকীতে জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা। রক্ত দিয়ে যে ঋণ তিনি শোধ করে গেছেন, আমরা আমাদের কর্ম ও আদর্শ দিয়ে সেই ঋণের অমর্যাদা হতে দেব না।