এক নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ ও এক যুগের অবসান

“জয় বাংলা” স্লোগানকে বুকে ধারণ করে যিনি আমৃত্যু চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন, সেই বটবৃক্ষ আর নেই।

​অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে, চট্টগ্রামের গণমানুষের প্রিয় নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আজ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

​তার প্রয়াণে জয় বাংলা ব্রিগেড গভীরভাবে শোকাহত। আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম, দেশ হারালো তার এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে।

​এক নজরে বীরের জীবনগাথা

​ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কেবল একজন রাজনীতিক ছিলেন না; তিনি ছিলেন ইতিহাসের সাক্ষী ও নির্মাতা। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের কিছু দিক:

রণাঙ্গনের বীর: ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর সাহসিকতা তরুণ প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উন্নয়নের কারিগর: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন।

আদর্শিক রাজনীতির ধ্রুবতারা: আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথ থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল অবিচল। তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।

চট্টলার বটবৃক্ষ: চট্টগ্রামের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এমন এক মহীরুহ, যাঁর ছায়াতলে কয়েক প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে।

​”মৃত্যু একজনকে কেড়ে নেয় সত্যি, কিন্তু তাঁর আদর্শকে মুছে ফেলতে পারে না। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দেখানো পথেই এগিয়ে যাবে আগামীর বাংলাদেশ।”

​আমাদের অঙ্গীকার

​জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তাঁর অসমাপ্ত কাজ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

​হে আল্লাহ, আপনার এই বীর সেনানিকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি:

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

#শোকবার্তা #বীর_মুক্তিযোদ্ধা #ইঞ্জিনিয়ার_মোশাররফ_হোসেন #জয়_বাংলা_ব্রিগেড #চট্টগ্রাম #আওয়ামী_লীগ

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 12-05-2026

কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে মাঠে জয় বাংলা ব্রিগেড: মানবিক রাজনীতির অনন্য দৃষ্টান্ত

উৎসবের আমেজ আর ঘামের গন্ধে যখন হাওরের ধান পেকে সোনালী রঙ ধারণ করেছে, ঠিক তখনই শ্রমিকের সংকট আর অকাল বন্যার আশঙ্কায় কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কৃষকের সেই দুশ্চিন্তা দূর করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাঠে নেমেছে জয় বাংলা ব্রিগেড। ড. রাব্বি আলম (পিএইচডি)-এর নেতৃত্বে ব্রিগেডের নেতা-কর্মীরা সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের ধান কেটে নিজ হাতে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন।

★জননেত্রীর নির্দেশ ও মানবিক সংহতি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করেন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষকের কষ্ট লাঘব করতে তিনি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনাকে শিরোধার্য করে জয় বাংলা ব্রিগেড তাদের সর্বশক্তি নিয়ে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

★ড. রাব্বি আলমের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব

একজন উচ্চশিক্ষিত ও প্রজ্ঞাবান নেতা হিসেবে ড. রাব্বি আলম কেবল নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তিনি নিজে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে এসে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাস্তে হাতে মাঠে নেমেছেন। তাঁর এই অংশগ্রহণ তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, “জয় বাংলা ব্রিগেড” কেবল স্লোগানে নয়, বরং রাজপথ থেকে কৃষকের ধানক্ষেত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রকৃত বন্ধু।

★মাঠ থেকে আঙিনা: এক নিরবচ্ছিন্ন সেবা

জয় বাংলা ব্রিগেডের কার্যক্রম কেবল ধান কাটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নেতা-কর্মীরা ধান কাটার পর তা পরম মমতায় কৃষকের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছেন।

★শ্রমিক সংকটের সমাধান: অর্থনৈতিক কারণে সৃষ্ট শ্রমিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এই স্বেচ্ছাশ্রম কৃষকদের বড় অঙ্কের আর্থিক সাশ্রয় দিচ্ছে।

★দুর্যোগ মোকাবিলা: বন্যার আশঙ্কার মুখে দ্রুত ধান ঘরে তোলা নিশ্চিত করে ফসলের ক্ষতি রোধ করা হচ্ছে।

★মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া

সুনামগঞ্জের সাধারণ কৃষকরা এই উদ্যোগে আপ্লুত। তাদের ভাষ্যমতে, “যখন লোকবল আর টাকার অভাবে ধান ঘরে তোলা নিয়ে ভয়ে ছিলাম, তখন ড. রাব্বি আলম পিএইচডি’র নেতৃত্বে এই তরুণেরা আমাদের রক্ষা করেছে। শেখ হাসিনার জন্য আমাদের প্রাণভরে দোয়া রইল।”

“আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতিটি নির্দেশ পালন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কৃষকের মুখে হাসি মানেই বাংলার মুখে হাসি, আর সেই হাসি অটুট রাখতেই জয় বাংলা ব্রিগেড মাঠে আছে এবং থাকবে।”— ড. রাব্বি আলম (পিএইচডি)

জয় বাংলা ব্রিগেডের এই কার্যক্রম কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি দেশপ্রেম আর ত্যাগের এক জ্বলন্ত উদাহরণ। ড. রাব্বি আলমের নেতৃত্বে এই ব্রিগেড প্রমাণ করেছে যে, বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনার আদর্শের সৈনিকেরা বিপদে মানুষের পাশেই থাকে। সুনামগঞ্জের প্রতিটি সোনালী ধানের শীষে মিশে থাকবে এই নিরলস শ্রম আর জয় বাংলার জয়ধ্বনি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

কর্মী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 06-05-2026

📢 কৃষকের পাশে আমরা-জয় বাংলা ব্রিগেড!🌾❤️

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণ এই মেহনতি কৃষকরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাঁরা সোনালী ফসল ফলান, যা আমাদের মুখে অন্ন যোগায়। তাঁদের কষ্ট ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

​আজ জয় বাংলা ব্রিগেড-এর একদল স্বেচ্ছাসেবী ধান কাটার মৌসুমে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ‘কৃষকের পাশে’ (Beside the Farmer) স্লোগান নিয়ে লাল টি-শার্ট পরা আমাদের ব্রিগেডের সদস্যরা সোনালী ধান ক্ষেতে নেমে কৃষকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ফসল সংগ্রহ করেছেন।

​কৃষকদের এই হাসি, তাঁদের এই সন্তুষ্টি আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমরা বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা কৃষকদের মুখে স্থায়ী হাসি ফোটাতে পারি এবং আমাদের কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি।

​👉 জয় বাংলা ব্রিগেড সবসময় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এবং তাঁদের উন্নয়নে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

​আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের কৃষকদের পাশে দাঁড়াই, তাঁদের কষ্ট লাঘব করি এবং আমাদের কৃষি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাই।

​#কৃষকেরপাশে #জয়বাংলাব্রিগেড #কৃষক #বাংলাদেশ #কৃষি #স্বেচ্ছাসেবী #ফসল #ধানকাটা #ঐক্যবদ্ধ #উন্নয়ন

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 06-05-2026

১৭ই এপ্রিল বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির আলোকবর্তিকা ও ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

“পলাশীর আম্রকাননে যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল, ১৯৭১-এর ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে সেই স্বাধীনতার সূর্য পুনরুদিত হয়েছিল।”

​১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের পতনের মধ্য দিয়ে আমরা যে স্বাধীনতার সূর্য হারিয়েছিলাম, দীর্ঘ ২শ বছরের ব্রিটিশ শোষণ আর পাকিস্তানি হায়েনাদের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে একাত্তরের এই দিনে তা নতুন করে উদ্ভাসিত হয়।

​১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল, শনিবার। মেহেরপুরের ভবের পাড়ার অখ্যাত বৈদ্যনাথতলা গ্রামটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে যায় ‘মুজিবনগর’ নামে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিপ্লবী সরকার এই দিনেই আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করে।

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে)

প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ

মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামান এবং অন্যান্য।

ঘোষণাপত্র পাঠ: অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

​পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিমান হামলার চরম ঝুঁকি মাথায় নিয়ে খোলা আকাশের নিচে চৌকি দিয়ে তৈরি মঞ্চে মাত্র ৪৫ মিনিটের সেই অনুষ্ঠান বদলে দিয়েছিল বিশ্ব মানচিত্র। বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং আনসার সদস্যদের দেওয়া সেই ‘গার্ড অব অনার’ ছিল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পদধ্বনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থেকেও ছিলেন আমাদের প্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা,আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আজ সেই মুজিবনগর সরকারের আদর্শকে ধারণ করে বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছেন সমৃদ্ধির সোপানে।বাঙালির ত্যাগ, ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। মুজিবনগর সরকারই ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশক, যা নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামটিকে স্থায়ীভাবে খোদাই করে দিয়েছিল।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে জয় বাংলা ব্রিগেড-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের সকল কর্ণধার এবং বীর শহীদদের প্রতি। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সদা জাগ্রত।

জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 17-04-2026

খাম্বা ও বিএনপি;একই মুদ্রার দুই পিঠ—একটি অন্ধকার অধ্যায়ের নাম

                                      মোঃ ফকরুল ইসলাম 

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, কিছু নাম সমার্থক হয়ে দাঁড়ায়। যেমন দুর্নীতি আর তারেক রহমান, কিংবা বঞ্চনা আর বিএনপি। কিন্তু গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির শাসনামলের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণার নাম— ‘খাম্বা রাজনীতি’

​যাঁরা আজ বড় বড় কথা বলেন,গণতন্ত্রের সবক দেন, তাঁদের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান—শহরের এসি রুম থেকে বেরিয়ে একবার গ্রামবাংলার মেঠোপথ ধরে ঘুরে আসুন। বাংলার প্রতিটি ধুলিকণা আজও সেই অন্ধকার অধ্যায়ের সাক্ষী দিচ্ছে। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে উন্নয়নের অর্থ ছিল লুটপাট। রাস্তার ধারে মাইলের পর মাইল খাম্বা পোঁতা হয়েছিল ঠিকই,কিন্তু সেই খাম্বায় কোনোদিন বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।

​মানুষ বিদ্যুতের আশায় চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকত, আর তারেক রহমানের সিন্ডিকেট ‘খাম্বা কোম্পানি’র মাধ্যমে জনগণের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছিল। সাধারণ মানুষের রক্ত পানি করা টাকায় কেনা খাম্বাগুলো দাঁড়িয়ে ছিল এক একটি ‘মূর্তি’র মতো,যা কেবল বিএনপির দুর্নীতির স্মৃতি বহন করত।

​সত্য তিক্ত,কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী ​বিএনপি মানেই বিদ্যুৎহীন অন্ধকার,বিএনপি মানেই সারের দাবিতে কৃষকের ওপর গুলি,আর বিএনপি মানেই দুর্নীতির রাজপুত্রদের লুটতরাজ। তারা জনসেবার নামে কেবল নিজেদের পকেট ভারী করেছে। তাদের কাছে রাজনীতি ছিল ব্যবসার হাতিয়ার।

​”খাম্বা আর বিএনপি—এই দুইয়ের মাঝে কোনো তফাত নেই।একটি দুর্নীতির প্রতীক,অন্যটি সেই দুর্নীতির ধারক।”

​আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা করেছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, গ্রাম হয়েছে শহর। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বিপথগামী সেনাসদস্যদের সহযোগিতায় ইউনূস গং বাংলাদেশে ডেকে নিয়ে আসছে সেই পুরনো ধ্বংসযজ্ঞ এবং অন্ধকারের দিক নির্দেশিকাকে। যাদের অতীত ইতিহাসই নিজেদের পকেট ভারী করা,সাধারণ জনগণের রক্ত চুষে খাওয়া দেশের অস্তিত্ব বিলীন করা। আমরা আর সেই আদিম অন্ধকারের যুগে ফিরে যেতে চাই না। ​জয় বাংলা ব্রিগেড মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে ড. রাব্বি আলম পিএইচডি’র নেতৃত্বে রাজপথে আছে এবং থাকবে—সেই সব অপশক্তির বিরুদ্ধে, যারা খাম্বা রাজনীতির মাধ্যমে বাংলার মানুষকে জিম্মি করতে চায়। ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত সেই খাম্বা রাজনীতি আর বাংলাদেশে চলতে দেওয়া হবে না,ফিরতে দেওয়া হবে না।

জয় বাংলা!জয় বঙ্গবন্ধু! জয়তু শেখ হাসিনা!

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 16-04-2026

নতুন সূর্যোদয়ে শানিত হোক প্রতিরোধের শপথ: নববর্ষের ডাক

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

​বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলনমেলা—পহেলা বৈশাখ। আজ সেই দিন, যখন আমরা পুরোনো বছরের জরা আর গ্লানিকে মুছে ফেলে নতুন আগামীর স্বপ্ন বুনি। কিন্তু এবারের বৈশাখ আমাদের কাছে কেবল উৎসব নয়, বরং এক কঠিন ক্রান্তিকালে নিজেদের অস্তিত্ব ও আদর্শকে পুনরুত্থানের অঙ্গীকার।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ এক ঐতিহাসিক ষড়যন্ত্র ও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যারা এদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি, যারা বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে চায়, তারা আজ সক্রিয়। কিন্তু মনে রাখবেন, আওয়ামী লীগ কেবল একটি দল নয়—আওয়ামী লীগ এই দেশের মাটি ও মানুষের স্পন্দন। ফিনিক্স পাখির মতো বারবার ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠার ইতিহাস আমাদের আছে।

​বাংলার আপামর জনসাধারণের কাছে আমাদের উদাত্ত আহ্বান:

গুজবে কান দেবেন না: সত্যকে আড়াল করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা রুখে দিতে সচেতন থাকুন।

ঐক্যবদ্ধ থাকুন: বিভেদ সৃষ্টিকারীরা বারবার আঘাত হানবে, কিন্তু বাঙালির মূল শক্তি আমাদের ঐক্য। সেই শক্তিকে অটুট রাখুন।

ইতিহাসের প্রতি আস্থাশীল হোন: বাংলাদেশ,বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা এবং জয় বাংলা—এই চার অবিচ্ছেদ্য সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করুন।

​জয় বাংলা ব্রিগেড-এর অঙ্গীকার

​আমরা ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর প্রতিটি সদস্য রাজপথ থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—সর্বত্র অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ আছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমরা বিন্দুমাত্র আপস করব না। অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের সূর্য তত নিকটবর্তী হয়।

​এই নববর্ষে আমাদের শপথ হোক—অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর দেশপ্রেমের অগ্নিমন্ত্রে আমরা আবারও বাংলাকে সোনার বাংলায় রূপান্তর করব।

মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।

সবাইকে আবারও বাংলা নববর্ষের বিপ্লবী শুভেচ্ছা।

জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু! জয়তু শেখ হাসিনা!

শুভেচ্ছান্তে,

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 13-04-2026

ইতিহাসের মহানায়ক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার অপচেষ্টা গণতন্ত্রের কপালে কলঙ্ক তিলক!

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিবাদ ও সংহতি প্রকাশ

​মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল, বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার শেষ আশ্রয়স্থল এবং দেশের কোটি কোটি মানুষের প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কার্যক্রম তথাকথিত একপাক্ষিক সংসদে নিষিদ্ধ করার হীন অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জয় বাংলা ব্রিগেড

যে দল একটি জাতিরাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে, সেই দলকে নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকাকে অস্বীকার করা। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা মানেই মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে ফেলার এক গভীর ষড়যন্ত্র। ​অসাংবিধানিক ও জনবিচ্ছিন্ন শক্তির মাধ্যমে মহান জাতীয় সংসদকে কলঙ্কিত করে এই ধরনের একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী। আওয়ামী লীগ কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি বাঙালির আবেগ ও সংগ্রামের নাম। ইতিহাস সাক্ষী আছে, কোনো শক্তির দাপট বা নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল দিয়ে গণমানুষের হৃদয়ে প্রোথিত এই আদর্শকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার এই হীন উদ্যোগ দেশকে এক ভয়াবহ অস্থিরতা ও বিভাজনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দমন-পীড়ন চালিয়ে কখনোই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, বরং এটি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে।

​বাংলার আপামর জনসাধারণের প্রতি আহ্বান:

​দেশ ও দশের ক্রান্তিলগ্নে গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা ঐক্যবদ্ধ। স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী অপশক্তির কোনো রক্তচক্ষু আমাদের দমাতে পারবে না। ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে জনগণ ও গণতন্ত্রের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ।

নিষেধাজ্ঞার শেকল ছিঁড়ে বারবার ফিরে আসবে আলোকবর্তিকা—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Michigan USA 09-04-2026

​অস্তিত্বের শেকড় উপড়ানো অসম্ভব: বাংলার স্পন্দন আওয়ামী লীগ

“অস্তিত্বের শিকড় উপড়াবে, এমন সাধ্য কার?”

​বাংলার আকাশ-বাতাস, ধূলিকণা আর মানচিত্রের পরতে পরতে যার নাম মিশে আছে, তাকে কি কেবল একটি আদেশের কালিতে মুছে ফেলা সম্ভব? যারা নিষিদ্ধ করার দুঃস্বপ্ন দেখছে, তারা সম্ভবত ইতিহাসের পাঠ ভুলে গেছে। তারা জানে না—বাংলাদেশ আর আওয়ামী লীগ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

বায়ান্নর রাজপথ থরথর করে কেঁপেছিল যে মিছিলে, তার নাম আওয়ামী লীগ। বাঙালির বাঁচার দাবি ‘ছয় দফা’র যে মুক্তি সনদ ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল, তার নাম আওয়ামী লীগ। সত্তরের গণরায়ে যে বজ্রপাত বিশ্ব দেখেছিল, তার নাম আওয়ামী লীগ। আর সাতই মার্চের যে তর্জনীর ইশারায় একটি পরাধীন জাতি শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল, সেই অমর কাব্যের স্রষ্টার নাম আওয়ামী লীগ।

​কোন কালিতে লিখবে সেই নিষিদ্ধের ফরমান? যে মাটি ও মানুষের মুক্তি লেখা হয়েছে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত দিয়ে?

মুজিবনগর সরকার: যার হাত ধরে জন্ম নিয়েছিল একটি রাষ্ট্র।

সংবিধান: যা আমাদের নাগরিক অধিকারের রক্ষাকবচ।

বিজয় গাথা: সমুদ্রসীমা জয় থেকে শুরু করে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

রূপান্তর: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে আজকের আধুনিক ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।

​মুজিবনগর সরকার থেকে আজকের আধুনিক বাংলাদেশ—প্রতিটি ইটে,প্রতিটি ঘামে আওয়ামী লীগের নাম অবিনশ্বর হয়ে খোদাই করা আছে।

​আমরা সেই অপশক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই, যারা বাঙালির আত্মপরিচয়কে অস্বীকার করতে চায়। মনে রাখবেন,একটি রাজনৈতিক দলকে হয়তো প্রহসনের আঘাতে দমানোর চেষ্টা করা যায়,কিন্তু কোটি মানুষের ধমনীতে প্রবহমান আদর্শকে স্তব্ধ করার শক্তি এই পৃথিবীতে কারো নেই।

আমরা রাজপথের লোক, আমরা লড়াইয়ের লোক। জয় বাংলা আমাদের জয়ধ্বনি, আর জয় বঙ্গবন্ধু আমাদের চেতনার অবিনাশী মশাল। এই মশাল নেভানোর সাধ্য কারো নেই। সত্যের পথে আমাদের যাত্রা অদম্য, আমাদের সংগ্রাম চিরন্তন।

জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড​ কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 08-04-2026

ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর ওপর অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

​বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বর্তমান সময়টি এক কালিমালিপ্ত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যে পথ দিয়ে আমরা হাঁটছি, তা কেবল কণ্টকাকীর্ণই নয়, বরং চরম অন্ধকার ও নির্মম। এই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে যখন দেশের অন্যতম মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত এবং প্রাজ্ঞ আইন বিশেষজ্ঞ ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী-র মতো একজন নিরেট ভদ্র ব্যক্তিত্বকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বানানো হয়, তখন তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের কপালে এক বিশাল প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দেয়।

ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি নারী জাগরণ ও সংসদীয় গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিত্বকে ‘সন্ত্রাস দমন আইন’ বা ‘হত্যা মামলা’-র মতো কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগে অভিযুক্ত করা কেবল হাস্যকরই নয়, বরং এটি আইনের শাসনের চরম অবমাননা।

একজন অক্সফোর্ড শিক্ষিত আইনবিদকে যখন মিথ্যে মামলায় জড়ানো হয়, তখন তা দেশের শিক্ষিত সমাজের জন্য একটি অশনিসংকেত।

এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কোনো মেধাবী ও রুচিশীল মানুষ রাজনীতিতে আসার সাহস পাবে না। রাজনীতি হয়ে পড়বে মেধা ও সৌজন্য বিবর্জিত এক অন্ধকার গলি।

​রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তা যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননের পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন জাতির মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে।

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একজন অমায়িক ব্যক্তিত্ব ও দক্ষ সংসদীয় অভিভাবকের ওপর এমন অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

​”আমরা অবিলম্বে ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।”

​অন্ধকার ছিঁড়ে আলোর উদয় হবেই। সত্যের জয় অনিবার্য।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।

Michigan USA 07-04-2026#FreeShirinSharmin #JusticeForDrShirin #BangladeshPolitics #BangladeshAwamiLeague #প্রতিবাদ #মুক্তিচাই #নিঃশর্তমুক্তি #জয়বাংলাব্রিগেড

​সংকটকালে কান্ডারি ড. রাব্বি আলম: তৃণমূলকে জাগিয়ে তুলতে ‘জয় বাংলা জুম মিটিং’ এর ডাক

ওয়েব ডেস্ক,জয় বাংলা ব্রিগেড০৫ এপ্রিল ২০২৬

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এক চরম কঠিন ও বৈরি সময় পার করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলের এই ঐতিহাসিক ক্রান্তিলগ্নে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং সংগঠনকে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম পিএইচডি

​দলের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায়, তিনি দেশ-বিদেশের নেতাকর্মীদের এক সুতোয় বাঁধতে শুরু করেছেন ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা জুম মিটিং’। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি বিশাল অংশের মতে, সময়ের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ড. রাব্বি আলম আজ আওয়ামী লীগের সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ও আস্থার নেতায় পরিণত হয়েছেন।

তৃণমূলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে ড. রাব্বি আলম দিনরাত আওয়ামী লীগের মূল দলসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। একের পর এক ধারাবাহিক ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বিপর্যস্ত নেতাকর্মীদের মনে সাহস জোগাচ্ছেন, যার ফলে নেতাকর্মীরা আবারও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন।

​শুধু কথায় নয়, কাজেও তিনি দুঃসময়ের কাণ্ডারি। তার উদ্যোগে গঠিত ‘আইন ব্রিগেড’ (যার নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম) রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের নিরলস আইনি সহায়তা ও জামিনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তিনি কারাবন্দী নেতাকর্মীদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া এবং চরম অর্থকষ্টে পড়া অসহায় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘরোয়া সভা ও জুম মিটিংয়ে ড. রাব্বি আলম নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত দূরদর্শী ও স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন। তিনি নেতাকর্মীদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন: ​”এখন বিভেদ নয়, ঐক্যের সময়। বিয়োজন নয়, বরং সংযোজন করতে হবে। মনে রাখবেন, এই রাজনৈতিক লড়াই ১০০ মিটার স্প্রিন্ট বা দ্রুত দৌড়ের খেলা নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ‘রিলে রেস’। তাই আমাদের চরম ধৈর্য ধরে অত্যন্ত বিচক্ষণতা, মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসের সাথে এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে।”

​এদিকে মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মীদের মাঝে বিগত দিনে দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা দুর্নীতিবাজ, সুবিধাবাদী ও হাইব্রিডদের নিয়ে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা এম কবিরুল ইসলাম আকাশ এ বিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন:

​”মাননীয় নেত্রী বিগত ১৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকায় দলের প্রতি শতভাগ খেয়াল রাখতে পারেননি। এই সুযোগে অনেক দুর্নীতিবাজ, হাইব্রিড, লম্পট ও কমিটি বাণিজ্যকারীরা দলের বারোটা বাজিয়েছিল। নেত্রীর কাছে সবার আমলনামাই আছে।”

​তৃণমূলের দৃঢ় বিশ্বাস, গত প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এসব দুর্নীতিবাজ ও সিন্ডিকেট নামধারী মাফিয়াদের বাদ দিয়ে নতুনভাবে সংগঠন গোছানোর কাজ করছেন। দল এখন খাঁটি ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়নের দিকে এগোচ্ছে।

দলের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, যেকোনো ষড়যন্ত্র বা বিরোধীদের পাতা ফাঁদ এড়িয়ে তারা এখন ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে চান। আগামী দিনের রাজপথের লড়াই ও সংগ্রামে তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ড. রাব্বি আলম পিএইচডি’র মতো সৎ, সাহসী ও ত্যাগী নেতাদেরই দলীয় প্রধানের পাশে দেখতে চান।​প্রতিকূল এই সময়ে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলের সংগঠকেরা।

​জয় বাংলা!জয় বঙ্গবন্ধু!বাংলাদেশ চিরজিবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 05-04-2026

RSS
Follow by Email