মব সন্ত্রাসের মহোৎসব-ইউনুসের অবৈধ শাসনে আইন-শৃঙ্খলার সম্পূর্ণ বিপর্যয়

বর্তমান বাংলাদেশে এখন আইনের শাসন বলে কিছু নেই!আছে জঙ্গী শাসন। গত দশ মাসে মব সন্ত্রাসে ১৪০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।এই ভয়াবহ পরিসংখ্যান কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়,বরং এটি সরাসরি ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সংঘটিত দাঙ্গা এবং তারপর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ফলাফল। তথাকথিত ইউনুস সরকার যে বিদেশি অর্থায়ন,ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছে,তাদের শাসনে এমন নৈরাজ্য হওয়াটাই স্বাভাবিক।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। মানুষ এখন নিজেই বিচারক, নিজেই জল্লাদ। কোন অভিযোগ উঠলেই ভিড় জমিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে মানুষকে।চোর সন্দেহ,ডাকাত সন্দেহ,ছিনতাইকারী সন্দেহ,ছেলেধরা সন্দেহ, আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থক সন্দেহ,ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এসব নানান অজুহাতে চলছে এই হত্যাযজ্ঞ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে গোপালগঞ্জ সহ প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল সর্বত্র একই চিত্র। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে,আর জনতা মানুষ পিটিয়ে মারছে।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দশ মাসে ২৫৬টি মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৪০ জন নিহত এবং ২৩১ জন আহত হয়েছে। এই সংখ্যা আগের দুই বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ২০২৩ সালে এ ধরনের ঘটনায় মারা গিয়েছিল ৫১ জন, ২০২৪ সালে ১২৮ জন। কিন্তু ২০২৫ সালে মাত্র দশ মাসেই সেই সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে গেছে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরের হিসাব তো এখনো বাকি। এটা স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে অবৈধ সরকারের শাসনামলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে।

ইউনুসের তথাকথিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে পুলিশ বাহিনীর মনোবল সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন,পুলিশ এখন দায়িত্ব পালন করতে ভয় পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপণ করছে,কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। কারণটা খুবই পরিষ্কার। যে দাঙ্গার মাধ্যমে এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় এসেছে,সেই দাঙ্গায় পুলিশকেই প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।পুলিশ সদস্যদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল,তাদের পরিবারকে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল।এখন সেই পুলিশকেই আবার দায়িত্ব পালন করতে বলা হচ্ছে,কিন্তু তাদের পিছনে কোনো রাজনৈতিক সমর্থন নেই, নেই কোনো সুরক্ষা।

দেশে এখন কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই। পুরো দেশ চলছে একটি অবৈধ কাঠামোর অধীনে যার কোনো জনসমর্থন নেই, নেই কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সঠিকভাবেই বলেছেন,পুলিশের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আছে কি না সন্দেহ। এই সুযোগে স্বার্থান্বেষী মহল মব সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে। যখন সরকারপ্রধান নিজেই কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সরকার বলে পরিচিত হন,তখন সেই গোষ্ঠীর লোকজন মব সন্ত্রাস করতেও ভয় পায় না।

গত বারো বছরে মব সন্ত্রাসে নিহত হয়েছে এক হাজার ১৩ জন মানুষ। এটা একটা ভয়াবহ সংখ্যা। কিন্তু যেটা আরও ভয়াবহ তা হলো, এই হত্যাকাণ্ডগুলোতে কদাচিৎ বিচার হয়। হত্যা মামলা হয়, কিন্তু শাস্তি হয় না। অপরাধীরা পার পেয়ে যায়।২০১৯ সালে বাড্ডায় তাসলিমা বেগম রেণু নামের এক নারীকে গণপিটুনিতে মারার ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। কিন্তু ছয় বছর পরও সেই হত্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এটাই হলো বাস্তবতা। অপরাধীরা জানে যে তাদের কিছু হবে না,তাই তারা নির্দ্বিধায় হত্যা করে যাচ্ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুনতাসীর মারুফ বলেছেন, এ ধরনের অনভিপ্রেত সহিংসতা মানুষের চিন্তাজগতকে প্রবলভাবে নাড়া দেয়, মনে চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের মনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। একটা প্রজন্ম বড় হচ্ছে এই সহিংসতা দেখে দেখে। তারা শিখছে যে আইনের চেয়ে জনতার রায়ই বড়,যে কোন সমস্যার সমাধান হলো পিটিয়ে মেরে ফেলা। এই প্রজন্ম যখন বড় হবে,তখন দেশের অবস্থা কী হবে সেটা ভাবতেই গা শিউরে ওঠে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পরে সাধারণত মব সন্ত্রাসের হার বেড়ে যায়। ২০১৩-১৫ সালে এবং ২০২৩-২৪ সালে এই প্রবণতা স্পষ্ট। কিন্তু ২০২৫ সালে যেভাবে এই সংখ্যা বেড়েছে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার। এটা শুধু নির্বাচনী সহিংসতা নয়, এটা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সম্পূর্ণ ভাঙন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যদি কোনো নির্বাচন হয়ও,তার আগ পর্যন্ত এই অবস্থা আরও খারাপ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এইচআরএস এর নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম সঠিকভাবেই বলেছেন যে,মব সন্ত্রাস দূর করতে সরকারের সদিচ্ছা জরুরি।কিন্তু সমস্যা হলো,যে সরকার নিজেই দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে,সেই সরকারের কি আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কোনো সদিচ্ছা থাকতে পারে? যে সরকার জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে,তারা কীভাবে জনগণের নিরাপত্তা দেবে? যে সরকারের কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই, তারা কীভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে?

বাস্তবতা হলো, ইউনুস সরকারের অধীনে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আর কোনো উন্নতি হবে না। বরং দিন দিন অবস্থা আরও খারাপ হবে। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ,সবাই এখন মব সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছে। গোপালগঞ্জের শামিম মিয়া হোক কিংবা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শামীম আহমেদ,সবার ভাগ্যে জুটছে একই পরিণতি। পুলিশ অসহায়, প্রশাসন নিষ্ক্রিয়, আর সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

যারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ক্ষমতা দখল করেছে,তাদের শাসনে দেশের এই অবস্থাই হওয়ার কথা ছিল। বিদেশি অর্থায়নে যারা দাঙ্গা বাঁধিয়েছে,তারা কীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে? যারা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করতে সামরিক সমর্থন নিয়েছে,তারা কীভাবে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখন রাস্তার প্রতিটি মৃতদেহের মধ্যে লেখা আছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলার এই বিপর্যয়ের দায় সম্পূর্ণভাবে ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষকদের। এই অবৈধ শাসনের প্রতিটি দিন দেশকে আরও গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

#Bangladesh #BangladeshCrisis #YunusMustGo

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA #01-12-2025

ইতিহাসের সেই নেতারাঃ

যাদের বিরুদ্ধে হয়েছিল মৃত্যুদণ্ডের আদেশ, তবুও শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়েছেন তাঁরা।

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কিছু নেতা আছেন,যাদের বিরুদ্ধে স্বৈরশাসক, ঔপনিবেশিক শক্তি বা বিদেশি ক্ষমতাসমূহ মৃত্যুদণ্ডের রায় জারি করেছিল।

কিন্তু তাঁরা ভয় পাননি,সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের জাতি ও রাষ্ট্রকে বিজয়ের পথে নিয়ে গেছেন।

নিচে এমন কয়েকজন ইতিহাস প্রসূত নেতার তালিকা দেয়া হলো—

★মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক (তুরস্ক)

 • ১৯২০ সালে অটোমান সামরিক আদালত তাঁকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

 • তিনি পিছিয়ে যাননি—তুর্কি স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা করেন।

 • শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়ে আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।

 • বিশ্ব ইতিহাসে ‘‘death sentence to nation-builder’’—এর অন্যতম বড় উদাহরণ।

★হো চি মিন (ভিয়েতনাম)

 • ফরাসি ঔপনিবেশিক সরকার তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে (অনুপস্থিতিতে)।

 • তিনি দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যান।

 • শেষ পর্যন্ত স্বাধীন ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠাতা নেতায় পরিণত হন।

 • ‘‘Unkillable revolution’’–এর প্রতীক।

★ইমন দে ভ্যালেরা (আয়ারল্যান্ড)

 • ১৯১৬ সালের ঐতিহাসিক Easter Rising–এ অংশ নেওয়ার কারণে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।

 • পরে দণ্ড কমানো হয়, কিন্তু তিনি সংগ্রাম থেকে সরে যাননি।

 • তিনি পরবর্তীতে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হন।

 • আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার ইতিহাসে অন্যতম প্রধান স্থপতি।

★মেনাচেম বেগিন (ইসরাইল)

 • ব্রিটিশরা তাঁকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

 • বেগিন সংগ্রাম চালিয়ে যান—ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

 • পরবর্তীতে তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হন

 • এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

★নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু (ভারত)

 • ব্রিটিশ সরকার তাঁকে বহুবার কঠোর শাস্তি, গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ডের হুমকির মুখে ফেলে।

 • তিনি পালিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ (INA) গঠন করেন।

 • তাঁর আন্দোলন ব্রিটিশ সেনাদের মধ্যে বিদ্রোহ সৃষ্টি করে এবং ভারতের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করে।

 • উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী “death sentence defier”।

★মাওলানা বাকের খান (ঢাকা, ১৮৫৭)

 • ১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ঢাকায় ব্রিটিশবিরোধী বিদ্রোহ সংগঠিত করেন।

 • তাঁকে গুলি বা ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

 • যদিও তিনি শহীদ হন, তবুও তিনি ছিলেন বাংলায় সশস্ত্র প্রতিরোধের অগ্রদূত।

 • তাঁর নেতৃত্ব ১৮৫৭–এর বিদ্রোহকে বাংলায় ছড়িয়ে দেয়।

(তাঁরা বিজয়ী হয়ে বাঁচেননি, কিন্তু সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হন।)

★বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ): মৃত্যুদণ্ডের মুখ থেকে ফিরে আসা সবচেয়ে ঐতিহাসিক উদাহরণ

১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে“আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা”দায়ের করে—

যার পরিণতি ছিল সরাসরি মৃত্যুদণ্ড।কিন্তু বঙ্গবন্ধু মাথা নত করেননি।

আদালতে দাঁড়িয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ঘোষণা ছিল—

“আমি আমার জাতির মানুষের অধিকার নিয়েই কথা বলেছি।”

এরপর দেশের সাধারণ মানুষ বিস্ফোরিত হয় গণঅসন্তোষে—

 • শ্রমিক

 • ছাত্র

 • কৃষক

 • দিনমজুর

 • লাখো সাধারণ মানুষ

রাজপথে নেমে এক স্লোগানে দেশ কাঁপিয়ে তোলে—

“শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি চাই”

ফলাফল

 • পাকিস্তান সরকারের রাজনৈতিক পর্দা ভেঙে পড়ে

 • আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়

 • বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেওয়া হয়

 • তিনি ফিরে আসেন জনসমুদ্রে

 • ১৯৭০ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়।

১৯৭১ সালেও পাকিস্তানের খুনি ইয়াহিয়া খানের সাজানো আদালত বঙ্গবন্ধুকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন।

 • এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৭১–এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্ব

 • জাতি তাঁকে ঘোষণা করে “জাতির পিতা”

★জননেত্রী শেখ হাসিনা (বাংলাদেশ)

 • ১৭ নভেম্বর ২০২৫-এ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ (ICT-1) তাঁকে অদ্যতন সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মোকাবেলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে 

• ইতিহাসে এমন নেতারা আছেন যারা মৃত্যুদণ্ডের মুখে থেকেও পিছিয়ে যাননি — তাদের দীর্ঘ সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত তাদের দেশের জন্য নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে।

 • শেখ হাসিনা’র ঘটনাও বর্তমান সময়ে এমনই এক নতুন অধ্যায়: একটি রায় তাঁকে মৃত্যু দণ্ড দিয়েছেন,কিন্তু অনেকেই বিশ্বাস করেন এটি তাঁর জন্য শেষ স্কোর নয়, বরং নতুন লড়াইয়ের শুরু।

 • আপনার আমার ভরসা ও আশা হলো — ঐতিহাসিক নেতাদের মতো তিনি আবার ফিরে আসবেন,জনগণের জন্য লড়াই চালাবেন এবং দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন।

সারসংক্ষেপ

মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ইতিহাসে বহু নেতাকে থামাতে পারেনি।

বরং সেই রায়ই তাদেরকে আরও শক্তি দিয়েছে সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার।

এই নেতারা প্রমাণ করেছেন—

একজন মানুষের মৃত্যু ভয় যদি জাতির অধিকার রক্ষার চেয়ে ছোট হয়ে যায়,তবে তাকে থামানোর ক্ষমতা কোনো আদালত, কোনো শাসক,কোনো রাষ্ট্রযন্ত্রের থাকে না।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA #30-11-2025

সংকটকালীন বাংলাদেশ,রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বই সমাধান

বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের স্থিতিশীল নেতৃত্ব হঠাৎ থেমে যাওয়ার পর রাষ্ট্রযন্ত্রে যে বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সরকার পরিবর্তনের পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রশাসন, অর্থনীতি ও উন্নয়ন খাতে। নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলা কতটা ভয়াবহ হতে পারে আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতা তারই প্রমাণ।

বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন দেশের জন্য কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না। সিদ্ধান্তহীনতা, অভ্যন্তরীণ অরাজকতা এবং প্রশাসনিক অক্ষমতা মিলিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্থগিত, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে, ব্যবসাবাণিজ্য সংকুচিত, এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে।নেতৃত্বহীনতার চেয়ে রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক কিছু নেই। বাংলাদেশ আজ সেই বাস্তবতার মুখোমুখি।

বাংলাদেশের মানুষ জানে স্থিতিশীলতা,পূর্বাভাসযোগ্যতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতার প্রতীক ছিলেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো বিপ্লব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা প্রতিষ্ঠা,এসব কোনো আকস্মিক সাফল্য নয়; এটি ছিল সুচিন্তিত নেতৃত্বের ফল। সেই নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে দেশ যে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তা ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবাই অনুভব করছে।

উন্নয়নের যে ট্রেন একসময় দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল, নেতৃত্ব বদলের পর তা হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলি টানেল, চারলেন মহাসড়ক—যে সব প্রকল্প দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছিল,এখন সেগুলো অগ্রগতিহীন। বড় বড় প্রকল্পে অর্থায়ন অনিশ্চিত, আন্তর্জাতিক সংস্থার আস্থা দুর্বল। রাষ্ট্র পরিচালনায় অস্থিরতা তৈরি হলে উন্নয়ন কত সহজে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ আজ সে কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করে দিচ্ছে,অদক্ষ নেতৃত্ব রাষ্ট্রকে সংকটে ফেলে দিতে পারে। আইনশৃঙ্খলা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণহীন, এবং প্রশাসন নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চিত। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনসমর্থন ও বৈধতা। এই দুটি বৈশিষ্ট্য ছাড়া রাষ্ট্র কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে না। দেশের ভেতরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা রোধ করার মতো দৃঢ় নেতৃত্ব এখন নেই বললেই চলে।

এই পরিস্থিতিতে জনগণের একটি বড় অংশের মত স্পষ্ট দেশকে আবার স্থিতিশীল পথে ফেরাতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন। নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা শুধু উন্নয়ন নয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানকেও শক্তিশালী করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক, কারণ দেশের সংকট এখন আরও গভীর। অনিশ্চয়তার এই সময়ে একটি শক্ত, সুসংগঠিত ও জনসমর্থিত সরকারের উপস্থিতি ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকবে না।

দেশের সাধারণ মানুষের রায়ও স্পষ্ট। অস্থিরতার মাঝেও অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে আওয়ামীলীগের মতো সংগঠিত দল প্রয়োজন, আর দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে হলে শেখ হাসিনার মতো অভিজ্ঞ,প্রমাণিত ও স্থিতিশীল নেতৃত্বই অপরিহার্য। আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটাই সত্য দেশকে সংকট থেকে টেনে তুলতে হলে আবার শক্ত হাতে হাল ধরতে হবে সেই নেতৃত্বকেই, যিনি এক সময় বাংলাদেশকে উন্নয়নের উচ্চতায় তুলেছিলেন এবং যিনি জানেন রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালনা করতে হয়।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

 Michigan  USA  #29-11-2025

বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের নামে উদ্দেশ্যপ্রোণেদিত ভিত্তিহীন প্লট দুর্নীতি মামলার রায়ের মাধ্যমে সম্মানহানীর অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জয় বাংলা ব্রিগেডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ——

দখলদার ইউনুসের নানাবিধ অপকর্মে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, শান্তি-শৃঙ্খলা চরমভাবে বিপন্ন; অন্যদিকে দুর্নীতি লুন্ঠনে বাংলাদেশ আজ আবার তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হচ্ছে। দেশের এমনতর অরাজকতাময় পরিস্থিতির মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুকে আড়াল করতে দেশবাসীর দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য বারবার মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে বিতর্কিত করার নানাবিধ বাহারি উদ্যোগ নিচ্ছে ফ্যাসিস্ট ইউনুস গং। 

স্মরণাতীতকালের সফল লকডাউনের দিনে তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেন, ক্যাঙারু কোর্টের তথাকথিত রায়ের দিন তিনি বন্দর ইজারার চুক্তি করেন, ভূমিকম্পের আতঙ্ক না কাঁটতেই কড়াইল বস্তির আগুন লাগানোর ষড়যন্ত্র ধামাচাপা দিতে ৮৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার ও নানাবিধ ধারাবাহিকতায়ই তথাকথিত প্লট দুর্নীতির রায় ঘোষণা। এ সকল সুপরিকল্পিত আয়োজন যে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও তার পরিবারের চরিত্রহননের উদ্যোগ দেশবাসী তা ভালোভাবেই জানেন।

জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি ড.রাব্বি আলম পিএইচডি, মুখপাত্র মেজর এম কবিরুল ইসলাম আকাশ, এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান মেজর এডভোকেট কামরুল ইসলাম, এবং জয় বাংলা ব্রিগেডের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ তথাকথিত প্লট দুর্নীতির রায় ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও তার পরিবারের এমনতর সম্মানহানীর অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ইউনুস গং তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতা ঢাকতে এবং দেশের ৫০ শতাংশ ভোটারকে বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজন সফল করতেই ধারবাহিকভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফরমায়েসী আদালতের রায় তৈরি করা হয়েছে।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে অচিরেই এই জঙ্গীবাদী ফ্যাসিস্ট ইউনুস সরকারের পতন ঘটিয়ে বাংলাদেশকে আবার পুনঃমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan  USA  27-11-2025

অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগ–

উল্টো পথে আইনঃ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত না করে উল্টো ভুক্তভোগী নারী অতন্দ্রা নূরীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ।

তথাকথিত সরকারের প্রকাশ্য অবস্থানঃ অবৈধ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দপ্তরের ভেরিফায়েড পেজ থেকে আলী রিয়াজের পক্ষে সাফাই এবং বাদীর বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে আইনি ব্যবস্থার হুমকি।

জনমনে প্রশ্নঃ একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির হয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রধান উপদেষ্টার এমন নজিরবিহীন পক্ষাবলম্বন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড়।

তথাকথিত অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর,তার পাশে দাঁড়িয়েছে অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.ইউনূস। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে ভুক্তভোগী নারীকে গ্রেফতার এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাল্টা হুমকির ঘটনায় জনমনে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর আর্তিঃ

অভিযোগকারী নারী অতন্দ্রা নূরী (রিপা) সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় জানান, ২০২৩ সালে অধ্যাপক আলী রিয়াজের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং নিজের ভ্যাসেকটমি করা আছে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলী রিয়াজ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে রাজনৈতিক ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে গ্রেফতারের আগে ওই নারী বলেছিলেন,”পুলিশ আমাকে গুম করার হুমকি দিচ্ছে। ধর্ষক ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকায় আমি বিচার তো পেলামই না,উল্টো আমাকেই অপরাধী বানানো হচ্ছে।” বর্তমানে সেই আশঙ্কাই সত্য হয়েছে; ভুক্তভোগী কারাগারে,আর অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে।

সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনাটি ঘটে যখন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দপ্তরের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ (Chief Adviser GOB) থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে “মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন” বলে দাবি করা হয়। সেখানে বলা হয়, অধ্যাপক আলী রিয়াজ ওই নারীকে চেনেন না।

শুধু অভিযোগ অস্বীকারই নয়, সরকারের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের ‘মানহানিকর’ বক্তব্য প্রচার বন্ধ না করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জয় বাংলা জুম ব্রিগেডের এক আলোচনা সভায় উক্ত বিষয়কে একটি স্পর্শকাতর ফৌজদারি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের আগেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে এমন বিবৃতি প্রদানকে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলছেন, “আইন কি তবে কেবল দুর্বলের জন্য? ধর্ষক যখন সরকারের বিশেষ সহকারী হন, তখন কি প্রধান উপদেষ্টাও তার অপকর্মের দায় নেন?”

সচেতন মহল মনে করছে, আলী রিয়াজের মতো একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ধামাচাপা দিতেই তড়িঘড়ি করে বাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ায় প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও অভিযুক্তের পক্ষে অবস্থান নেওয়াকে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির’ নতুন নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Michigan  USA  26-11-2025

অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালের রায় ও অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লাগাতার কর্মসূচি

৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ মিছিল——————

প্রিয় দেশবাসী, আপনারা প্রত্যক্ষ করেছেন যে,অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং কতৃক প্রতিষ্ঠিত অবৈধ ক্যাঙ্গারু আদালতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি  বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেছে। প্রহসনমূলক বিচারের রায় আপনারা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বিভিন্ন পরিসরে যেভাবে পেরেছেন তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এজন্য জয় বাংলা ব্রিগেডের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। দেশের জনগণের সাহসী উচ্চারণ ও সমর্থনকে সঙ্গে রেখেই জয় বাংলা ব্রিগেড,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ,মহিলা আওয়ামী যুবলীগ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন অবৈধ আইসিটির অবৈধ রায় এবং অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা নিজেদের পাতানো আদালতে প্রহসনের বিচার মঞ্চস্থ করেছে। শুধু অবৈধ আইসিটির অবৈধ রায় প্রত্যাখ্যান নয়,এই দখলদার বাহিনীর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ফেলতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিজেদের মধ্যে তৃণমূল পর্যন্ত, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ম অংশীজন সর্বোপরি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছে আজ এই অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র পরিষ্কার। দেশের জনগণ স্বাধীনতাবিরোধী ও দেশবিরোধী এই অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামে প্রস্তুত। আর এই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দেশরক্ষার এই লড়াইয়ে সর্বাত্মক কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা হবে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি সহ আওয়ামী লীগ ও জননেত্রী শেখ হাসিনা বিহীন পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশে হতে দেওয়া হবে না।যে কোন মূল্যে তা প্রতিহত করা হবে ইনশাল্লাহ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড 

জয় বাংলা 

জয় বঙ্গবন্ধু

জয় বাংলা ব্রিগেড 

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Michigan  USA  26-11-2025

রাষ্ট্রের স্থিতির স্বার্থে অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড.ইউনুস এর পদত্যাগ এখন অপরিহার্য 

বাংলাদেশ এক জটিল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্রান্তিকালের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এমন সময়ে নেতৃত্বের ওপর জনগণের আস্থাই রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান শক্তি হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো তথাকথিত অবৈধ ড.ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সেই আস্থা আজ গভীরভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত। রাষ্ট্র যখন এভাবে আস্থা সংকটে ডুবে যায়,তখন নেতৃত্ব পরিবর্তন শুধু রাজনৈতিক পছন্দ নয়—এটি হয়ে দাঁড়ায় রাষ্ট্রের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত।

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার পর জনমনে ছিল স্থিতি ও পুনর্গঠনের প্রত্যাশা। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে দেখা গেছে নীতি নির্ধারণে অস্থিরতা, প্রশাসনের দুর্বলতা, এবং সংকট ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব।

বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের স্থবিরতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি সবই দেখাচ্ছে যে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থ।

নেতৃত্বের এই ব্যর্থতা শুধু দৈনন্দিন জীবনে চাপ সৃষ্টি করছে না এটি রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার ওপরও আঘাত হানছে। একজন সরকারপ্রধান যদি জনগণের আস্থা ফেরাতে না পারেন, তাহলে তার অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।

জুলাই ২০২৪ এর আন্দোলনকেন্দ্রিক সহিংসতা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটগুলোর একটি। বহু প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ, উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা সবই প্রশাসনিক দুর্বলতাকে নগ্নভাবে প্রকাশ করেছে।

কিন্তু গুরুতর বিষয় হলো এই সহিংসতার তদন্ত না করে জঙ্গীদের দায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা ও জঙ্গিদমন প্রশ্নে জন আস্থার ঘাটতি সরকারের জন্য একটি মৌলিক ব্যর্থতা। রাষ্ট্র যখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তখন নেতৃত্বের কর্মদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অত্যন্ত যৌক্তিক।

গণতন্ত্রে নেতৃত্ব অচল হয়ে গেলে শান্তিপূর্ণ পদত্যাগই সমাধানের প্রথম ধাপ ড.ইউনুসের পদত্যাগ বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙতে পারে,প্রশাসনে নতুন উদ্যম ও আস্থা তৈরি করতে পারে,অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নতুন নীতি-দৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি করবে,

জঙ্গিবাদদমন ও সহিংসতার বিচারকে আরও নিরপেক্ষতা দিবে,এবং সর্বোপরি জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।

আসলে বিষয়টি কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয় রাষ্ট্রের সামগ্রিক সুস্থতা ও সংহতির প্রশ্ন। নেতৃত্ব পরিবর্তন কখনো ধ্বংস নয়; বরং এটি হতে পারে পুনর্গঠনের সুযোগ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বলছে যে নেতৃত্ব জনগণের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তার টিকে থাকার কোনো নৈতিক ভিত্তি থাকে না। রাষ্ট্রের অগ্রগ্রতি নির্ভর করে অংশগ্রহণমূলক,স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বের ওপর।আজকের সংকটে এই কাঠামো পুনর্গঠনের প্রথম পদক্ষেপই হলো বর্তমান নেতৃত্বের সরে দাঁড়ানো।

অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড.ইউনুস যদি পদত্যাগ করেন,তাহলে নতুন করে রাজনৈতিক আস্থা ফিরবে,বহুমতের অংশগ্রহণ বাড়বে, এবং প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হওয়ার পথ তৈরি হবে। এটাই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

বাংলাদেশের বর্তমান সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে আস্থা ও জবাবদিহি হীনতা। এই বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। রাষ্ট্রের পুনর্গঠন, প্রশাসনের সক্ষমতা, জঙ্গিবাদ দমন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থার পুনর্জন্ম সবকিছুই এখন নির্ভর করছে একটি সাহসী সিদ্ধান্তের ওপর।

ড. ইউনুসের পদত্যাগ তাই আজ রাজনৈতিক দাবি নয় এটি রাষ্ট্রের স্থিতি, ভবিষ্যৎ এবং জনগণের অধিকারের স্বার্থে অপরিহার্য সিদ্ধান্ত।

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম 

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

#YunusMustGo

Joy Bangla Brigade

Michigan  USA   24-11-2025

প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের মাতা কল্পনা রানী দাসের মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করছি —–

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের মাতা কল্পনা রানী দাসের মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। একইসাথে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। 

উল্লেখ্য, কল্পনা রানী দাস গতকাল ২৪-১১-২৫ সোমবার দুপুরে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর এবং তিনি সন্তান-সন্ততি, পরিবার-পরিজন সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড (কেন্দ্রীয়)

Joy Bangla Brigade

Michigan  USA. 25-11-2025

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ হোসেনের মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির শোক

একাত্তরের ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতায় বিহারীরা হত্যা করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ হোসেনের মা সুফিয়া খাতুনকে। বাবার চাকুরির সুবাদে তখন তারা ছিলেন সৈয়দপুর শহরে,আতিয়ার কলোনির এল-৭৬-বি নম্বর কোয়ার্টারে। 

মা কোরআন শরিফ বুকে জড়িয়ে বসেছিলেন। ওই অবস্থাতেই বিহারীরা কুপিয়ে তার দেহ থেকে মাথা আলাদা করে ফেলে। আল্লাহর কালাম কোরআন শরিফও মাটিতে পড়ে রক্তে ভিজে যায়। পরে তার লাশ পাকিস্তানি আর্মিরা ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। রক্তমাখা কোরআন শরিফটি এখনও তার মায়ের একমাত্র স্মৃতি। 

মুরাদ কষ্ট নিয়ে বলেছিলেন, ‘দেশ তো স্বাধীন হয়েছে কিন্তু আমরা তো মাকে ফিরে পাইনি, তার লাশও পাইনি। ফলে তার কবরও নেই। পুরো দেশের মাটিতেই মিশে আছে আমার মায়ের রক্ত। একাত্তরে শত শত মায়েরা এভাবেই স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন। কিন্তু এ দেশ কি মনে রাখবে আমার শহীদ মাকে? 

ওইদিন এ প্রশ্নের উত্তর আমরা দিতে পারিনি।

সৈয়দপুরে বাঙালিদের ওপর বিহারিদের অত্যাচারের কথাও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ তুলে ধরেন এক আলাপচারিতায়। তার ভাষায়,“ সত্তরের নির্বাচনের সময় কলোনির পাশে চিকা(দেওয়াল লেখা) মারছিলাম।পরিচিত এক বিহারি ছেলে এসে বলে, শেখ মুজিব গুণ্ডা হ্যাঁয়। এ কথা শুনেই আমার মাথায় রক্ত চড়ে যায়। নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না। ঘুষি দিয়ে ওর নাক ফাটিয়ে দিই। মুহূর্তের মধ্যে অনেক বিহারি একত্র হয়। ওরা আক্রমণ করে আমার নাকও ফাটিয়ে দেয়, নাকের নিচের ডগাটা আজও ভাঙা।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ হোসেন ১৮ নভেম্বর ২০২৫ বিকেলে মৃত্যুবরণ করেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যার মা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, যিনি রণাঙ্গনে লড়াই করে দেশকে স্বাধীন করেছেন, সেই স্বাধীন দেশেই মুরাদের মতো মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে কাশেমপুর কারাগারে!যাহা আমাদের প্রত্যাশিত নয়।তবুও ভালো যে জীবদ্দশায় অপমান আর কষ্ট পেলেও মৃত মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ হোসেনকে অন্তত রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হলো! 

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরাদ হোসেনের প্রতি আমরা জয় বাংলা ব্রিগেড এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। নিশ্চয়ই ইতিহাসের অংশ হয়েই থাকবেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।।

তথ্য সংগ্রহে মহিলা ব্রিগেড মেজর জেবউন নিছা

Joy Bangla Brigade

Michigan   USA 23-11-2025

এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান জয় বাংলা ব্রিগেড সংগ্রামী মেজর এডভোকেট কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জয় বাংলা ব্রিগেড মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম,মহিলা ব্রিগেড প্রধান মেজর নমিতা খান,ডেলটা ব্রিগেড সাধারণ সম্পাদক জয় বাংলা ব্রিগেড মেজর ওমর ফারুক এর সঞ্চালনায় বিশেষ ভার্চ্যুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জয় বাংলা ব্রিগেড ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন সাবেক সংগ্রামী সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাননীয় উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম,প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখছেন জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুব সমাজের আইকন,ত্যাগী তৃনমুল আওয়ামী লীগের পথ প্রদর্শক ডায়নামিক লিডার, আমেরিকা সেনাবাহিনীর চৌকস সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ড.রাব্বী আলম পিএইচডি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন মুখপাত্র,জয় বাংলা ব্রিগেড মেজর এম কবিরুল ইসলাম আকাশ। সভাপতিত্বের বক্তব্য রাখছেন এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও জয় বাংলা মহিলা ব্রিগেড মেজর জেবুন্নেছা,মেজর রুহুল তালুকদার,মহিলা ব্রিগেড মেজর পার্সিয়া রোজা সহ অন্যান্য মেজর,কো-মেজর, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং সংগ্রামী সদস্যবৃন্দ।

জয় বাংলা ব্রিগেড এর ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপমন্ত্রী (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়) সাবেক সংগ্রামী সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয়,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশ এর ২০২৯ সাল পর্যন্ত বৈধ প্রধানমন্ত্রী। এবং বাংলাদেশের অসাংবিধানিক অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এর মেটিকুলাস ষড়যন্ত্রের বিষ দাঁত ভেঙে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন জয় বাংলা জুম ব্রিগেড খুব দ্রুত সময়ে এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উজ্জিবীত করেছে। আমরা জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সকল নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। জয় বাংলা ব্রিগেডের অবদান আমরা মনে রাখবো। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জয় বাংলা ব্রিগেডের কার্যক্রমকে স্বাগত জানান।

মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 23-11-2025