“মানুষ মেরে আমি ক্ষমতায় থাকব না” অডিও ফাঁসে উন্মোচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক ও রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রস্থান 

মোঃ ফকরুল ইসলাম

৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায়। সরকার প্রস্থানের সেই উত্তাল মুহূর্তগুলো নিয়ে জনমনে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও  পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের ফোনালাপ সেই অস্পষ্টতার ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটিয়েছে। সমালোচকরা যখন দেশত্যাগের ঘটনাকে কেবল ‘পলায়ন’ হিসেবে চিত্রিত করতে ব্যস্ত, তখন এই অডিও ক্লিপটি মুদ্রার অপর পিঠ—একজন দায়িত্বশীল শাসকের মানবিকতা ও আত্মত্যাগের চিত্র—সামনে নিয়ে এসেছে। ফাঁস হওয়া কথোপকথনটি বিশ্লেষণ করলে শেখ হাসিনার বিদায়বেলার যে ইতিবাচক ও শক্তিশালী রূপটি ফুটে ওঠে, তা নিরিপেক্ষ বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

রক্তপাত এড়াতে ক্ষমতার মোহ ত্যাগ

অডিওর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হলো শেখ হাসিনার সেই স্পষ্ট উক্তি— “মানুষ মেরে থাকার মানে হয় না।” এটি কেবল একটি বাক্য নয়, বরং চরম সংকটময় মুহূর্তে নেওয়া এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সাধারণত বিশ্বের ইতিহাসে দেখা যায়, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় থাকা শাসকরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টিকে থাকতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেন, যার ফলে হাজারো প্রাণহানি ঘটে। কিন্তু শেখ হাসিনা সেই পথে হাঁটেননি। তার হাতে রাষ্ট্রযন্ত্র ও বলপ্রয়োগের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, তিনি সাধারণ মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় থাকার যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি। পদত্যাগপত্র প্রস্তুত রাখা এবং রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি প্রমাণ করে, তিনি সংঘাতের চেয়ে শান্তি এবং জীবনের মূল্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।

জরুরি অবস্থার প্রলোভন প্রত্যাখ্যান ও দূরদর্শিতা

ফোনালাপে শোনা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ড. হাছান মাহমুদ ‘ইমার্জেন্সি’ বা জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দিচ্ছেন। একজন শাসকের জন্য ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ অস্ত্র হতে পারত এই জরুরি অবস্থা। কিন্তু শেখ হাসিনা অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, “তাতে লাভ হবে না।” এই প্রত্যাখ্যান তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার পরিচায়ক। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, জরুরি অবস্থা জারি করলে সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে সরাসরি সংঘাত তৈরি হবে, যা দেশকে এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। নিজের গদি রক্ষার চেয়ে তিনি দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও জানমালের নিরাপত্তাকেই বড় করে দেখেছেন।

সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রতি শ্রদ্ধা

চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেও শেখ হাসিনা সাংবিধানিক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। অডিওতে তার এই মনোভাব প্রমাণ করে যে, তিনি নিরবে এভাবে প্রস্থান করার বদলে একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রযন্ত্র ভেঙে না পড়ে এবং কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সজাগ ছিলেন।

অভিমান এবং দেশপ্রেমের কান্না

“আমি কিন্তু থাকব না… এই দেশে আর না”— শেখ হাসিনার এই উক্তিতে ভীতির চেয়ে অভিমানই বেশি প্রবল। নোয়াখালীতে গান পাউডার দিয়ে ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার খবরে তার কণ্ঠে যে হতাশা শোনা গেছে, তা একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিকের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ। যে দেশকে তিনি উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছিলেন, সেই দেশের মানুষের সহিংস আচরণ তাকে মানসিকভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছে। তার দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ছিল মূলত এই চরম অকৃতজ্ঞতা ও সহিংসতার প্রতি এক ধরণের নীরব প্রতিবাদ। তিনি বুঝেছিলেন, তার উপস্থিতি যদি আরও সহিংসতার কারণ হয়, তবে সরে যাওয়াই শ্রেয়।

ফাঁস হওয়া এই অডিও বার্তাটি শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক আখ্যানগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা কেবল প্রাণভয়ে দেশ ছাড়েননি; বরং তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন যাতে আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়। ‘মানুষ মেরে ক্ষমতায় না থাকার’ যে নীতি তিনি আঁকড়ে ধরেছিলেন, তা তাকে ক্ষমতার রাজনীতির ঊর্ধ্বে এক অনন্য উচ্চতায় স্থাপন করেছে। ইতিহাস হয়তো তাকে এই চরম ত্যাগের জন্য এক মানবিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেই মনে রাখবে। এবং বাংলাদেশের সাংবিধানিক ভাবে এখনো তিনি বৈধ প্রধানমন্ত্রী। এবং বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ নয়, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন জঙ্গী গোষ্ঠীর প্রধান তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস।তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এই সন্ত্রাসী জঙ্গি ইউনূস এর হাত থেকে দেশ এবং দেশের সাধারণ মানুষকে কিভাবে উদ্ধার করবেন সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

মেজর – জয় বাংলা ব্রিগেড 

Joy Bangla Brigade 

Michigan  USA   22-11-2025

শোক বার্তা 

জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় জয় বাংলা ব্রিগেডের শোক

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে,ঊনসত্তরের গণ -অভ্যুথানের মহানায়ক, উপমহাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান রাজনৈতিক নেতা, জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দশটায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আনোয়ারা বেগম ছিলেন একজন শান্ত, সহনশীল ও সদালাপী মানুষ। জননেতা তোফায়েল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নীরবে শক্তি, সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছেন, পাশে থেকেছেন সবসময়। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ,জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে এবং মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

মেজর – মোঃ ফকরুল ইসলাম 

জয় বাংলা ব্রিগেড  Joy Bangla Brigade 

Michigan , USA 21-11-2025

জয় বাংলা ব্রিগেডের নেতৃবৃন্দের বিবৃতি

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজানো, ভিত্তিহীন ও প্রহসনমূলক ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান”

আমরা জুলাই – আগস্ট ২০২৪ ষড়যন্ত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের এই ক্রান্তিকালে আগষ্ট পরবর্তী জয় বাংলা জুম ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব মহিলা লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের একত্রিত করে ইউনূস এর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছি এবং সকল নেতা-কর্মীদের উজ্জিবিত লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে আসছি।আজ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছি যে,বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সফল সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত আজকের রায় আমাদের কাছে সম্পূর্ণরূপে সাজানো, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়। এই রায় ন্যায়বিচারকে উপহাস করা, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করা এবং গণতন্ত্রকে বিপথগামী করার নগ্ন প্রচেষ্টা। আমরা দৃঢ় কণ্ঠে ও সর্বসম্মতভাবে এই অন্যায়, অবিচার ও অপতৎপরতাপূর্ণ রায় প্রত্যাখ্যান করছি।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই রায় কোনো বিচারের অংশ নয়; এটি ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির পুনরুত্থান। যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা আজ আবার নতুন চেহারায়, নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে । তাদের লক্ষ্য একটাই, বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করা, উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া এবং জাতিকে আবারও অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। আজকের রায় সেই নীলনকশারই সাম্প্রতিকতম সংস্করণ।

এই পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় ১৯৭১ সালের সেই বিভীষিকাময় ডিসেম্বরকে, যখন পাকিস্তানের মিয়াঁওয়ালির কারাগারে বন্দী বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সামরিক গোপন আদালত মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছিল। নির্জন সেলে তাঁর সামনে খোঁড়া হয়েছিল কবর, যেনো বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে দাফন করার প্রস্তুতি। কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ শক্তি, মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা সে ঘৃণ্য পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দেয়।

ইতিহাস তখন যেমন পরাজিত ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছিল, আজও সেই ইতিহাস একই সত্য উচ্চারণ করছে।

যে শক্তি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই অপশক্তি শেষ পর্যন্ত পরাজিত হবেই।

আজকের এই প্রহসনমূলক রায় আমাদের সেই রক্তাক্ত অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতাবিরোধী চক্র কখনো নিষ্ক্রিয় ছিল না; তারা এখনও সক্রিয়, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে বদ্ধপরিকর।

উন্নয়নের রুপকার শেখ হাসিনা,

গণতন্ত্র রক্ষার কারিগর শেখ হাসিনা,

কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ জানে

কারা অসীম অন্ধকারকে ফিরিয়ে আনতে চায়!

জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মানে এই জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অগ্রগতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমরা আইনি ও গণতান্ত্রিক পথেই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো, দেশপ্রেমিক জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সত্য, ন্যায় ও বিজয়ের পথকে সুদৃঢ় করবো।

এই লড়াই শুধু একজন নেত্রীর নয়, এটি ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তে অর্জিত বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অম্লান রাখার লড়াই।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যারা ইতিহাসের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তারা ইতিহাসেই পরাজিত হয়।

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পরাজয় আবারও অবশ্যম্ভাবী।

জয় বাংলা ব্রিগেড প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি – ড. রাব্বি আলম পিএইচডি, মুখপাত্র – মেজর এম কবিরুল ইসলাম আকাশ, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান – মেজর এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মহিলা ব্রিগেড প্রধান -মেজর নমিতা খান, মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম, মেজর মোঃ রুহুল আমিন তালুকদার, মেজর মহসিন টিটু, মেজর শহিদুল ইসলাম শহিদ, মেজর ওমর ফারুক, মেজর বানটি বিন আলম, মেজর হাবিব মিয়া, শ্রমিক ব্রিগেড মেজর মজিবুর রহমান , শ্রমিক ব্রিগেড মেজর আসিফ, মেজর শহর আলী, মেজর হাম্মাদ শাহীন , মোবারক আলী, মেজর নয়ন, মেজর গোলাম মোস্তফা, মেজর তাইজুল ইসলাম, মেজর হুমায়ূন কবির, মেজর দেলোয়ার, মেজর রাকিবুল হাসান, মেজর মহিউদ্দিন, মেজর কামরুল ইসলাম সুবর্নচর, মেজর মাহবুব খান, মেজর রিয়াজ ভুঁইয়া, মেজর আকরাম, মেজর তরিকুল ইসলাম, মেজর জালাল, মেজর রিজভী আলম, মেজর মোঃ জিকু, মেজর সারোয়ার, মেজর সুমন চৌধুরী, এডভোকেট রেজাউল হক রিপন, মেজর লিঙ্কন, মেজর মামুন, মেজর পারভেজ, মেজর রহিম মোল্লা, মেজর শাহজাহান সিরাজ, মেজর আব্দুল্লাহ,মহিলা ব্রিগেড মেজর শাম্মী আক্তার,মহিলা ব্রিগেড মেজর ইফফাত জাহান চৌধুরী,মহিলা ব্রিগেড মেজর ফাতেমা আরজু পলি, মহিলা ব্রিগেড মেজর – জেবুন্নেছা, মহিলা ব্রিগেড মেজর -বেনজির পার্সিয়া, মহিলা ব্রিগেড মেজর খুশি মুনিরা সহ সকল ব্রিগেডের মেজর, কো-মেজর, ক্যাপ্টেন, কো-ক্যাপ্টেন, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং সংগ্রামী সদস্যবৃন্দ।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

জয়তু শেখ হাসিনা

মেজর – মোঃ ফকরুল ইসলাম

জয় বাংলা ব্রিগেড

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 17-11-2025

ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসনের রায় প্রত্যাখ্যান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ শিক্ষকের বিবৃতি

মোঃ ফকরুল ইসলাম

মেজর-জয় বাংলা ব্রিগেড

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও প্রহসনমূলক মামলার সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ১০০১ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ। তারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা গভীর ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করেছে তা প্রহসনমূলক ও অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে ক্যাঙারু কোর্টের রুপ পরিগ্রহ করেছে এর স্বৈরাচারী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থী কার্যকলাপ তথা মিথ্যা সাক্ষাৎ প্রামাণের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এ দেশের কোটি জনতা আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ ধরনের বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রমূলক এবং পূর্বনির্ধারিত রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ বাংলাদেশের আপামর  জনসাধারণের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি এবং ক্যাঙারু কোর্টের প্রহসনমূলক রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন—-

অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান 

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেআন 

অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক 

অধ্যাপক ড. মো: আখতারুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা 

প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম 

প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান 

প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম 

প্রফেসর ড. এম. জেড মামুন 

অধ্যাপক ড. হারুনর রশীদ খান 

অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন 

অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস 

প্রফেসর ড.লায়লা আরজুমান বানু  

অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান 

অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান 

অধ্যাপক মশিউর রহমান 

অধ্যাপক ম. মনিরুজ্জামান 

অধ্যাপক ড.মো: আবুল হোসেন 

অধ্যাপক ডাঃ আহসান হাবীব হেলাল 

অধ্যাপক ড.জাকিয়া সুলতানা মুক্তা

অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি 

অধ্যাপক ড. মো: আমিনুল হক ভূঁইয়া 

অধ্যাপক ড. শবনম জাহান 

অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন 

অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ 

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া 

ড. মাহবুব আলম প্রদীপ  

অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী 

অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন 

প্রফেসর ড.ফাজরিন হুদা

প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান 

অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার 

প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল 

অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক খান 

অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আক্তার 

অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর 

অধ্যাপক ড. সুব্রত সাহা 

অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন 

ড. সিদ্ধার্থ দে 

অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান 

অধ্যাপক আসাদুজ্জামান 

অধ্যাপক ড.ওসমান গণি তালুকদার 

প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া 

অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ 

অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান 

অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ   

অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন 

ড. বেলাল হোসেন 

অধ্যাপক ড. মো: শামীম হোসেন 

অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান 

ড. নীলিমা আখতার 

অধ্যাপক ড. মাহবুব আল মারুফ 

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ 

প্রফেসর ড. ওমর ফারুক 

অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম 

অধ্যাপক ড.দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস 

অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল হোসেন 

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ 

অধ্যাপক ড.আইনুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব 

ড. সোমা দে 

ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির 

অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার 

অধ্যাপক ড. জাহানারা আরজু 

অধ্যাপক মো: জামাল হোসেন 

অধ্যাপক ড. ফারুক উদ্দিন 

অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী 

অধ্যাপক ড. জাভীদ ইকবাল বাঙালী 

প্রফেসর ড. মুসতাক আহমেদ 

অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান 

অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান 

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান 

অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মুহিত 

অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ 

অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দীন 

অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. ফারমিন ইসলাম

অধ‍্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

ড. মো: মিজানুর রহমান 

অধ্যাপক ড. সীমা জামান 

অধ্যাপক ড.কায়সার আহমেদ রকি 

অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা 

অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ 

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির 

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক 

অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম 

অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ 

অধ্যাপক ড. এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া 

অধ্যাপক ড. মু. সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী 

অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান 

অধ্যাপক ড.মো: শফিকুল ইসলাম  

কামরুন নাহার 

অধ্যাপক মো: রবিউল ইসলাম জাবেদ 

প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল্লাহ 

প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার 

প্রফেসর ড. আফরিনা মুস্তারি 

প্রফেসর ড. আকতার হোসেন 

প্রফেসর হাবিবুর রহমান 

অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান 

প্রফেসর মো: হানিফ সিদ্দিকী 

অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস লাভলু

অধ্যাপক রন্তু দাস

প্রফেসর ড.মো: আনোরুল ইসলাম 

প্রফেসর ড.এম এল পলাশ 

অধ্যাপক  ড. এস এম মোস্তফা কামাল

অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীন 

অধ্যাপক ড. আরমিন খাতুন

অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান

জনাব শামীমা খাতুন

অধ্যাপক ড. অতিশ কুমার জোয়ার্দার 

ড. আশরাফুন্নাহার

অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির

অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান 

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন

অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার 

অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর 

অধ্যাপক প্রভাস কুমার চাকলাদার 

ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান 

অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ 

অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু 

প্রফেসর ড. রহমান নাছি 

প্রফেসর ড. খাইরুল ইসলাম  

অধ্যাপক ড. মুবিনা চৌধুরী কেয়া 

প্রফেসর ড.সজিব ঘোষ 

অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান 

অধ্যাপক আরিফা রহমান রুমা 

অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. সামছুজ্জোহা 

অধ্যাপক নুরে আলম সিদ্দিকী 

অধ্যাপক শাহ আজম 

অধ্যাপক হারুন অর রশিদ 

অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান 

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন 

অধ্যাপক বাদশা মিয়া 

অধ্যাপক আব্দুল আলীম 

অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা 

অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম 

প্রফেসর সাইদুল ইসলাম 

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন 

প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার 

অধ্যাপক ড. মঈন উদ্দিন

অধ্যাপক নূর ইসরাত জাহান

ড. মাহমুদুর রহমান 

ড. মোঃ নাসির উদ্দিন 

অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ 

ড. ইব্রাহীম আব্দুল্লাহ 

অধ‍্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান 

প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন 

প্রফেসর ড. তানভীর আহমেদ 

প্রফেসর ড. মো আলমগীর হোসেন 

ড. মোঃ আব্দুল কাইউম 

প্রফেসর ড. আবুল হোসেন 

অধ্যাপক এনামুল কবির 

অধ্যাপক আলতাফ রাসেল 

অধ্যাপক শামিমুর রহমান 

প্রফেসর ফারজানা ইসলাম 

অধ্যাপক সাব্বির সাত্তার 

অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত নয়ন 

অধ্যাপক ড. অনীক কৃষ্ণ কর্মকার 

অধ্যাপক ড. জেবুন্নেসা তালুকদার 

প্রফেসর ড. বশির আহমেদ 

অধ্যাপক সঞ্জয় মুখার্জি 

অধ্যাপক আজিজুর রহমান 

অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন 

অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ 

অধ্যাপক রেদোয়ান আহমদ 

অধ্যাপক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম 

অধ্যাপক রাশেদ মোশাররফ 

অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী 

অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশিদ 

অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন 

প্রফেসর ড.ফারমাইন 

প্রফেসর সীমা জামান  

প্রফেসর রোমানা ইসলাম  

অধ্যাপক ড. মামুন 

প্রফেসর আব্দুস সোবহান 

অধ্যাপক জুলফিকার 

অধ্যাপক ড. মোল্লা হক 

অধ্যাপক শহীদুল্লাহ হাওলাদার 

অধ্যাপক ড. মোঃ আইনুল ইসলাম 

প্রফেসর ড. কাজী শাহানারা আহমেদ 

অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বকুল 

অধ্যাপক আব্দুল হক

অধ্যাপক ড. লাইলা খালেদা

প্রফেসর ড. জামাল উদ্দিন 

প্রফেসর ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার 

অধ্যাপক অমিত রায়  

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান 

অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম 

অধ্যাপক সিদ্ধার্থ সংকর 

প্রফেসর ড. ফারহানা হক 

প্রফেসর ড.পলিট আহমেদ 

প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন 

প্রফেসর ড. তানভীর রহমান 

প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান 

অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন 

অধ্যাপক ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ 

অধ্যাপক মাযাহারুল ইসলাম 

অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান সরকার 

প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্ৰ 

অধ্যাপক জুলকার নাইম 

অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন 

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ 

ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড.সোবহান ইকবাল   

অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ 

প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্ৰ 

অধ্যাপক সোহান আহমেদ 

অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম 

আবু জাফর মিয়া 

অধ্যাপক ড. সুজন সেন 

অধ্যাপক ড. টোভেল 

অধ্যাপক ড.আউয়াল কবির জয় 

অধ্যাপক জনাব ইলিয়াস উদ্দিন 

অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান 

ড. মোঃ নাজমুল হাসান সিদ্দিকী 

অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক 

অধ্যাপক আসাদুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. জাকের আহমেদ

অধ্যাপক আসমা বিনতে শফিক

অধ্যাপক শারমিন আফরোজ

অধ্যাপক ড. সুলাইমান হোসেন 

অধ্যাপক ড. সৌরভ পাল 

অধ্যাপক ড. জহির আহমেদ 

প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা 

অধ্যাপক ড. কল্যাণ দে 

অধ্যাপক ড. নাজনীন নাহার ইসলাম

অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য

অধ্যাপক ড. শুক্লা দাস 

প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান 

অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন 

অধ্যাপক সাজেদা আখতার

অধ্যাপক সিফাত শারমিন

অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান 

অধ্যাপক ডক্টর মোল্লা হক 

অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম সাজিব

অধ্যাপক ড. নির্মল কুমার সাহা

অধ্যাপক ড. হাসান মুহাম্মদ 

অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস 

অধ্যাপক ড. কাজী আয়েশা 

প্রফেসর ড. আজমল হুদা 

অধ্যাপক রোকনুজ্জামান জুয়েল 

ড. সুজন চৌধুরী 

অধ্যাপক সুলতান ইসলাম 

অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম 

অধ্যাপক মেহেদী হাসান 

অধ্যাপক জয়শ্রী সেন

অধ্যাপক ড. শারমিন 

অধ্যাপক হাবিবুর রহমান 

অধ্যাপক মেহেদী হাসান ইকবাল 

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান 

প্রফেসর জিল্লুর রহমান 

অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন 

অধ্যাপক ড. নাঈম হাসান চৌধুরী

অধ্যাপক ড. এস. এম. জিয়াউল ইসলাম সাজল

অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন 

অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম

অধ্যাপক সিরাজ উদ্দৌলা

অধ্যাপক হোসেন মোহাম্মদ ইউনুস সিরাজী

অধ্যাপক ফয়সাল বিন মোনির জনি

অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম সরকার 

প্রফেসর আহসান হাবীব 

অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন

অধ্যাপক ড. এম. দানেশ মিয়া

অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান 

অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন 

অধ্যাপক সুবাস কান্তি দাস 

অধ্যাপক ড. আবুল মানছুর

অধ্যাপক ড. রোবিউল হোসেন ভূঁইয়া

অধ্যাপক মামুনুর রশীদ 

অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন 

অধ্যাপক আলমগীর সরকার 

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন 

প্রফেসর আবু জাফর সিদ্দিকী 

অধ্যাপক বাহার উদ্দিন 

অধ্যাপক মামুন আল আসাদ 

অধ্যাপক আলী আজগর আহমেদ 

অধ্যাপক আবুল কাশেম 

অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক 

অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মাহমুদ 

প্রফেসর আবু নাসের সরকার 

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আবির 

অধ্যাপক বোরন ইকবাল সিদ্দিকী 

অধ্যাপক ফজলুর রহমান 

অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম 

অধ্যাপক ড. কাজী কাশরুল আলম কুদ্দুসী

অধ্যাপক ড. গোলাম কবির

অধ্যাপক এম আবু নোমান 

অধ্যাপক হাসিবুল আলম 

অধ্যাপক সুবেন কুমার 

অধ্যাপক ড. শামীমা ফেরদৌসী

অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান

অধ্যাপক ফাইসাল গণি টিপু 

অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান 

মোহাম্মদ নাজমুল হাসান 

অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র 

অধ্যাপক সুজন সেন 

অধ্যাপক সুলতান আহমদ 

অধ্যাপক জাহিদ হাসান 

অধ্যাপক জান্নাতুল বারি 

অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান 

অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম 

অধ্যাপক সেলিম নাসরীন 

প্রফেসর নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী 

অধ্যাপক ওমর ফারুক দিদার 

অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদ

অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী

অধ্যাপক শেখ সাদী

অধ্যাপক ড. আহসানুল কবির পালাশ

অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র 

অধ্যাপক মনজুরুল আলম সরকার 

অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী 

অধ্যাপক দিলীপ কুমার 

অধ‍্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী 

অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম 

প্রফেসর নাজির মোল্লা জালাল 

অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান

অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান

অধ্যাপক স্বপন চন্দ্র বিশ্বাস 

অধ্যাপক ড. দীপিকা রানী 

অধ্যাপক ড. রাশেদ উদ নবী 

প্রফেসর হারিস আহমদ 

অধ্যাপক রাশেদুজ্জামান খান 

অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বাবু 

অধ্যাপক রুহুল আমিন 

অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন 

অধ্যাপক তপন কুমার বিশ্বাস 

অধ্যাপক আহসান-উল হক 

অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান 

অধ্যাপক ড.মতিয়ার রহমান  

অধ্যাপক ইব্রাহিম আব্দুল্লাহ মাহবুব 

অধ্যাপক রবিউল হোসেন পলাশ 

অধ্যাপক অসীম কুমার বিশ্বাস 

অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর সাদাত 

অধ্যাপক ড. রেজাউর রহমান 

অধ্যাপক আনিছুর রহমান কাওসার 

অধ্যাপক রকিবুল ইসলাম নয়ন 

অধ্যাপক ফরিদ আহমদ

অধ্যাপক ড. সাদাত আল সজীব

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাশ

ড. মো. আব্দুল আলীম

অধ্যাপক ড. এ. কে. ওবায়দুল হক

অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন আরমান

অধ্যাপক লিটন কুমার বর্মন

অধ্যাপক শিরীণ আখতার

অধ্যাপক নাসিমুজ্জামান বাদল

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জাবেদ

অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. শম্পা জাহান

অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন

অধ্যাপক কাজী খসরুল আলম

অধ্যাপক মো. মনজুরুল হক

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ

অধ্যাপক আবুল কাশেম তালুকদার

অধ্যাপক ড. শান্তি রাণী হালদার

অধ্যাপক সুপ্তিকণা মজুমদার

অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন

অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাইনুল হক মিয়াজী

অধ্যাপক ড. মো. নাসিম হাসান

অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক

অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক

অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন

অধ্যাপক সাদাত আকবর হোসেন

অধ্যাপক সোহেল আহমেদ

অধ্যাপক ড. মো. আছাদুজ্জামান

অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার

অধ্যাপক আমিনা পারভীন

অধ্যাপক মাহফুজুল হক

অধ্যাপক ড. শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী

অধ্যাপক ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী

অধ্যাপক রুহুল আমিন হাওলাদার

অধ্যাপক মো. জাকারিয়া সরকার

অধ্যাপক হাসানুল হক মজুমদার

অধ্যাপক গোলাম কবির

অধ্যাপক আলমগীর হোসেন

অধ্যাপক ড. মো. মাসুদার রহমান

অধ্যাপক ইয়াহিয়া আখতার

অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম

অধ্যাপক ড. কবির হোসেন

অধ্যাপক নাজমুল হুদা

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুম

অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

অধ্যাপক এস. এম. মনিরুল হাসান

অধ্যাপক কামরুন্নাহার মৌসুমী

অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ খান

অধ্যাপক ড. খাদেমুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার

অধ্যাপক ড. শাহজাহান মণ্ডল

অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দিন

অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদ হোসেন

অধ্যাপক শাহনেওয়াজ রাব্বি মিয়া

অধ্যাপক জাহিদুল আলম

অধ্যাপক ড. আলম চৌধুরী

অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন

অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন

অধ্যাপক আবু নাসের চৌধুরী

অধ্যাপক ড. রফিকুল হাসান

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া

অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান সজীব

অধ্যাপক একরামুল হক

অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ

অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের

অধ্যাপক শাহাদাত কামাল

অধ্যাপক ড. সিরাজুল আলম

অধ্যাপক তাসনীম হুমাইদা

অধ্যাপক ড. ইকবাল সিদ্দিক

অধ্যাপক ড. মো: তারিকুল ইসলাম

অধ্যাপক গনেশর চন্দ্র

অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল

অধ্যাপক ড. আফরোজা বানু

অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন

অধ্যাপক মাজেদুল হক

অধ্যাপক আবু নাসের চৌধুরী

অধ্যাপক ড. রফিকুল হাসান

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া

অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান সজীব

অধ্যাপক একরামুল হক

অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ

অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের

অধ্যাপক শাহাদাত কামাল

অধ্যাপক ড. সিরাজুল আলম

অধ্যাপক তাসনীম হুমাইদা

অধ্যাপক ড. ইকবাল সিদ্দিক

অধ্যাপক ড. মো: তারিকুল ইসলাম

অধ্যাপক গনেশর চন্দ্র

অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল

অধ্যাপক ড. আফরোজা বানু

অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন

অধ্যাপক মাজেদুল হক

অধ্যাপক আশিষ তালহা

অধ্যাপক আলী আহমেদ

অধ্যাপক রেজাউর করিম

অধ্যাপক ড. মিয়া রাসিদুজ্জামান

অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সিকদার

অধ্যাপক ফারুক হোসেন

অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম

মোহাম্মদ মহিবুল আলম

অধ্যাপক মোরশেদ আহমেদ

অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন

অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন

অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন

অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন নিজামী

অধ্যাপক ড. শামীম আল মামুন

অধ্যাপক বিজয় কুমার পাল

অধ্যাপক হুমায়ুন আহমেদ

অধ্যাপক তুলসী কুমার

অধ্যাপক ফিরোজ আলম

অধ্যাপক মো. কামরুল আলম

অধ্যাপক ড. মো. মঈজ্জেম হোসেন

অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন

অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মন্ডল

অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ

অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন

অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম আক্তারুল ইসলাম

অধ্যাপক সেলিম উল মাসুদ

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম

অধ্যাপক আশরাফুর রহমান

ড. মো: মেহেদী হাসান

অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ

অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দীন

অধ্যাপক ড. হাফিজুল ইসলাম

অধ্যাপক মো. জাহিদুল কবীর

অধ্যাপক মাসুম হাওলাদার

অধ্যাপক ড. জিনোবোধি ভিক্ষু

অধ্যাপক হোসেন কবির

অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা

অধ্যাপক মাহবুবুল হাকিম

অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. সেলিম আল মামুন

অধ্যাপক মো. তুহিনুর রহমান

অধ্যাপক আকতার হোেসন লিমন

ড. রুহুল আমিন

অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান

ড. মোহাম্মদ সায়েদুল ইসলাম সরকার

অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ

অধ্যাপক কামাল আহমেদ

ড. নাঈমাতুল জান্নাত নিপা

অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া

অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ

অধ্যাপক মো. মুশফিকুর রহমান

অধ্যাপক রাকিবুল ইসলাম

ড. অরুণ কুমার

অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল হক

অধ্যাপক মো. ইমদাদুল হক

অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন

অধ্যাপক মিলন মোস্তাফিজ

অধ্যাপক আলী আহাম্মদ খান

অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ

অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম লিটন

অধ্যাপক নাদিরা জামান

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক

অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন

অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব

অধ্যাপক কাউসার মাহমুদ

অধ্যাপক ওয়ারেছ উদ্দিন

সোলাইমান হোসেন মিন্টু

অধ্যাপক আবুল কালাম

অধ্যাপক শ্যামল কুমার দাস

অধ্যাপক শ্যাম দত্ত

অধ্যাপক ড. আবদুল বাকী

অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী

অধ্যাপক বোরহান ইকবাল সিদ্দিকী

অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম

অধ্যাপক মোঃ শাহজাহান ইসলাম

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন টিটু

অধ্যাপক ড. মো: শহিদুল ইসলাম সেকেন্দার

অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আলীম

অধ্যাপক ড. সাহিদা মন্ডল

অধ্যাপক ড. আহমেদ নূর

অধ্যাপক আব্দুর রউফ

অধ্যাপক এসএম জিল্লুর রহমা

অধ্যাপক ইমতিয়াজ সুলতান

অধ্যাপক ড. মো: ইমতিয়াজ ইসলাম

অধ্যাপক ড. অনিন্দিতা হাবিব

অধ্যাপক মো: মিঠুন

অধ্যাপক ড. আহমেদ সালাউদ্দিন

অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন

অধ্যাপক জয়ন্ত কুমার

অধ্যাপক সানাউল হক

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান শাহিন

আব্দুল মালেক সরকার

অধ্যাপক কামরুল হাসান

অধ্যাপক রেজাউর করিম

অধ্যাপক সাদাত আকবর হোসেন

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ

অধ্যাপক ড. মো: মোজাহিদ হোসেন

অধ্যাপক কাজী আখতার হোসেন

অধ্যাপক ইকবাল হোসেন জুয়েল

অধ্যাপক রাবেয়া ইসলাম

অধ্যাপক আব্দুল ছালাম

অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন

অধ্যাপক সাঈদ আহাম্মদ

অধ্যাপক মাসুদ মিয়া

অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার

অধ্যাপক ড. খালেদ মিসবাহুজ্জামান

অধ্যাপক ড. শাহদাৎ হোসেন

অধ্যাপক মো. তারিফুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন

অধ্যাপক মাহামুদুল হক

অধ্যাপক হেলাল আহমদ

অধ্যাপক ড. দেবাশীষ পলিট

অধ্যাপক ড. মূহিবুল আজিজ

অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম

অধ্যাপক আহাম্মদ উল্লাহ

অধ্যাপক মিজানুর রহমান

অধ্যাপক নাজিমুল ইসলাম

অধ্যাপক আব্দুল হাই

অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন

অধ্যাপক সাহাব উদ্দীন

অধ্যাপক মাহবুব হোসেন

অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান খান

অধ্যাপক ফজলুর রহমান

মোসাঃ কামারুন নাহার

অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন

অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা

অধ্যাপক মাজেদুর রহমান

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম

এস. এম. মোয়াজ্জেম হোসেন

জাহিদ ইকবাল

জয়নব বিনতে হোসেন

মো: গোলাম রমিজ

অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. মোঃ মতিয়ার রহমান

কবির ফিরোজ

অধ্যাপক সুশান্ত সাহা

অধ্যাপক মো. ইকবাল কবির

মনিরুল ইসলাম

ইমদাদুল হক শরীফ

অধ্যাপক মোস্তাফিজ মিরাজ

অধ্যাপক সায়েদুর রহমান

অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন

অধ্যাপক রাকিবা নবী

ড. মোঃ কামরুজ্জামান

প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন

অধ্যাপক মো: মঈন উদ্দিন

অধ্যাপক নাজনীন বেগম

অধ্যাপক ড. আহমেদ সালাউদ্দিন

অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন

অধ্যাপক নির্মল কুমার শাহা

অধ্যাপক বাহার উদ্দিন

অধ্যাপক মানিকুল ইসলাম

অধ্যাপক মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল ফারুক

অধ্যাপক নঈম উদ্দিন হাসান আওড়ঙ্গজেব

অধ্যাপক দুলাল বসুনিয়া

অধ্যাপক আনছার আলী

অধ্যাপক শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী

অধ্যাপক এ কে এম রেজাউর রহমান

ড.মো: মাইনুদ্দিন মোল্লা

অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন

জয়নব বিনতে হক

ইশরাত জাহান

রায়হান সরকার

অধ্যাপক ড.এস এ মাসুম বিল্লা

অধ্যাপক এস. সাহা

অধ্যাপক এ. মামুন।

অধ্যাপক আলী আকবর

অধ্যাপক ইসরাফিল আহমেদ

অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ

অধ্যাপক ইসমত আরা

অধ্যাপক শামীম কায়সার

অধ্যাপক শফিকুর রহমান

অধ্যাপক মাহতাব আহমেদ

অধ্যাপক আনোয়ার খসরু পারভেজ

অধ্যাপক সাব্বির আলম

অধ্যাপক আলমগীর কবির

অধ্যাপক শওকত হোসেন

অধ্যাপক বশির আহমেদ

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

অধ্যাপক সায়েদুর রহমান

অধ্যাপক প্রিথিলা নাজনীন

অধিকার রিসালা তাসিন

অধ্যাপক রাশেদা ইয়াসমিন শিল্পি

অধ্যাপক সুকল্যাণ কুমার

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ কাফি

অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ

অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ

অধ্যাপক শরীফ হোসেন

অধ্যাপক খালিদ কুদ্দস

অধ্যাপক জেবুন্নেসা

অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদার

অধ্যাপক শিকদার জুলকারনাইন

অধ্যাপক সুফি মুস্তাফিজুর রহমান

অধ্যাপক সুলতানা আক্তার

অধ্যাপক হাফিজুর রহমান

সহযোগী অধ্যাপক ফজলুল হালিম রানা

সহযোগী অধ্যাপক হোসনে আরা

সহযোগী অধ্যাপক ইখতিয়ার উদ্দিন

সহযোগী অধ্যাপক মনির শিকদার

সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবাল

সহযোগী অধ্যাপক ফিরোজ উল আলম

সহযোগী অধ্যাপক সুপ্রভাত

সহযোগী অধ্যাপক মোরশেদা বেগম

সহযোগী অধ্যাপক খায়ের মাহমুদ

সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল হাবিব

সহযোগী অধ্যাপক মহিবুর রউফ

সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার

সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল হাবিব

সহযোগী অধ্যাপক মহিবুর রউফ

সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার

ড. তাপস কুমার ভৌমিকসহ ১০০১ জন শিক্ষক

Joy Bangla Brigade

Michigan USA  17-11-2025

আন্দোলনের সময় ‘সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ’ শিক্ষিকার মৃত্যু

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

মেজর -জয় বাংলা ব্রিগেড 

আন্দোলনের সময় ‘সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ’ হওয়ার আট দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক।

ফাতেমা আক্তার নামের ওই সহকারী শিক্ষক রোববার সকালে রাজধানীর মিরপুর অলক হাসপাতালে মারা যান বলে তার সহকর্মীরা জানিয়েছেন।

‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ এর অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ এদিন সকালে তার মারা যাওয়ার খবর দেন।

ওই আন্দোলনের আরেক শিক্ষক নেতা মুহিব উল্লাহ সন্ধ্যায় জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিনিধিকে বলেন, চাঁদপুরের মতলবের উত্তর উপজেলার ৫নং ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন ফাতেমা আক্তার। তিনি ৮ নভেম্বর বিকালে শাহবাগে আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

“কিছুদিন হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন, রোববার সকালে মিরপুর অলক হাসপাতালের আইসিউতে মৃত্যুবরণ করেন।”

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনে পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে শিক্ষক নেতারা দাবি করেছেন।

টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৮ নভেম্বর তিন দাবিতে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ এর ব্যানারে শিক্ষকরা ‘কলম বিরতি কর্মসূচি’ পালনে শহীদ মিনার থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মিছিলটি শাহবাগ থানার সামনে এলে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। তখন পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, লাঠি চার্জ, কাঁদুনে গ্যাসে কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।

এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পাশাপাশি ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন শিক্ষক নেতারা।

তার সহর্কর্মীরা বলেন, আহতদের একজন ফাতেমা পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে আহত হয়ে মিরপুরের অলক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, “মতলব উত্তর উপজেলার শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি ফাতেমা আপা শহীদ মিনারে আন্দোলনে ছিলেন এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিল। ওনার পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”

তিনি বলেন, রাতে উত্তর মতলব উপজেলায় ফাতেমার বাড়িতে তার নামাজে জানাজা হওয়ার কথা।

শিক্ষক নেতা মুহিব উল্লাহ বলেন, প্রয়াত ফাতেমা এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী ছিলেন।

এ বিষয়ে জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি,যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমেরিকা সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ড. রাব্বি আলম পিএইচডি বলেন অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এর এই হত্যাকাণ্ডের জবাব দিতে হবে ইনশাআল্লাহ,সেই সময় বেশি দুরে নয়।

জুলাই ষড়যন্ত্র আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত যত হত্যা,মব সৃষ্টি,নারী ধর্ষণ এবং সরকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করেছে তার প্রত্যেকটির বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে ইনশাআল্লাহ।১৭ নভেম্বর ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছে,তা মেটিকুলাস ডিজাইনেরই অংশ। সকল মেটিকুলাস ডিজাইন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আলোচনা সভা শেষ করেন।

Joy Bangla Brigade

Michigan  USA 16-11-2025

বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান প্রহসনমূলক বিচারের প্রেক্ষিতে দেশে বিদেশে অবস্থানরত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের  ১০১ জন প্রকৌশলীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি  জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা ধ্বংস করবার জন্যই এই প্রহসনের বিচারের ব্যবস্থা। উন্নয়নের মাঠ পর্যায়ের কর্মী প্রকৌশলীরা এই অবস্থায় চুপ করে থাকার কোনো সুযোগ নাই।

বাংলাদেশের বৈধ ভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্থাপিত বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতন প্রকৌশলী সমাজ নিম্নোক্ত আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ করছে।

প্রকৌশলী সমাজ মনে করে সংসদ কে পাশ কাটিয়ে অবৈধ ভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এর কার্য পরিধি সংশোধন করে যে অধ্যাদেশ জারি করেছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনগত এখতিয়ার বহির্ভূত। তাই এই ধরণের অবৈধ আদলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার বা দলের কারো বিচার কাজ চলতেই পারে না। 

লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের খ্যাতিমান আইনজীবী স্টিভেন পাওলস কেসি ও তাতিয়ানা ইটওয়েল জাতিসংঘের নিকট দাখিলকৃত জরুরি আবেদনে উক্ত বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুতর আইনি অনিয়ম ও প্রক্রিয়াগত অসামঞ্জস্য’র সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখিত প্রধান উদ্বেগসমূহ হলো—

১. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা ও মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য ঝুঁকি 

২. বিচারক ও প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কিত অভিযোগ

৩. নির্বাচনী বা সিলেক্টিভ জাস্টিসের আশঙ্কা

দেশের এই চরম ক্রান্তিলগ্নে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে আমাদের জোড় দাবী —-

অবিলম্বে এই অবৈধ সরকারের অবৈধ অধ্যাদেশ দিয়ে গঠিত কোর্টের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করা হোক। 

অবৈধ অসাংবিধানিক সরকার বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড লঙ্ঘন করছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বলতে কিছু নাই। এমত্বাবস্থায় আমরা এই সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করছি। এই তথাকথিত বিচারের রায় যাই হোক প্রকৌশলীরা ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় মানে না মানবে না।

১.প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সবুর 

২. প্রকৌশলী শফিকুর রহমান অনু 

৩. প্রকৌশলী নাজমুল আহসান 

৪. প্রকৌশলী মোঃ হোসাইন 

৫. প্রকৌশলী মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ 

৬. প্রকৌশলী স্নেহাশিস ভৌমিক 

৭. প্রকৌশলী আবুল হোসেন 

৮. প্রকৌশলী নুরুজ্জামান 

৯. প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান 

১০. প্রকৌশলী মোঃ মুজিব 

১১. প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম 

১২. প্রকৌশলী আমিনুল হক পলাশ 

১৩. প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন 

১৪. প্রকৌশলী খোকন 

১৫. প্রকৌশলী মোঃ পলাশ 

১৬. প্রকৌশলী মসিউর রহমান 

১৭. প্রকৌশলী মোঃ দোলন 

১৮. প্রকৌশলী মোঃ হাবিব 

১৯. প্রকৌশলী মাহমুদ  শাজাহান 

২০. প্রকৌশলী রেসাদ 

২১. প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মোহন 

২২. প্রকৌশলী সাহাবুদ্দিন মোহাম্মদ 

২৩. প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার 

২৪. প্রকৌশলী আমজাদ হোসাইন 

২৫. প্রকৌশলী রফিকুল আলম 

২৬. প্রকৌশলী দীপন কর দীপন 

২৭. প্রকৌশলী আঞ্জুমান ইসলাম 

২৮. প্রকৌশলী মোঃ ইমরান 

২৯. প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম 

৩০. প্রকৌশলী আব্দুল মতিন 

৩১. প্রকৌশলী আব্দুল জলিল 

৩২. প্রকৌশলী আব্দুল কাদের 

৩৩. প্রকৌশলী খন্দকার কুদরত 

৩৪. প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস 

৩৫. প্রকৌশলী মোঃ মোজাম্মেল 

৩৬. প্রকৌশলী মোঃ হাবিবুল্লাহ 

৩৭. প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ 

৩৮. প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী 

৩৯. প্রকৌশলী আব্দুর রোউফ 

৪০. প্রকৌশলী আব্দুল মতিন 

৪১. প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম 

৪২. প্রকৌশলী মোঃ রিয়াজ শেখ 

৪৩. প্রকৌশলী শেখ ওয়ালিউল্লাহ 

৪৪. প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম 

৪৫. প্রকৌশলী স.ম ফেরদৌস 

৪৬. প্রকৌশলী অসীম পোদ্দার 

৪৭. প্রকৌশলী দেবাশীষ সাহা 

৪৮. প্রকৌশলী সুরঞ্জন চক্রবর্তী 

৪৯. প্রকৌশলী নিরঞ্জন সূত্রধর 

৫০. প্রকৌশলী সুকুমার পালিত 

৫১. প্রকৌশলী আবুল কালাম 

৫২. প্রকৌশলী নুরুল আবসার 

৫৩. প্রকৌশলী ইকবাল হোসাইন 

৫৪. প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল 

৫৫. প্রকৌশলী আবুল বাশার 

৫৬. প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম 

৫৭. প্রকৌশলী পথিক সাহা 

৫৮. প্রকৌশলী সোহরাব হোসাইন ভূঁইয়া 

৫৯. প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান 

৬০. প্রকৌশলী জিয়াউল হাসান 

৬১. প্রকৌশলী কাদের নেওয়াজ 

৬২. প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল্লাহ 

৬৩. প্রকৌশলী তৃপ্তিময় ঘোষাল 

৬৪. প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর 

৬৫. প্রকৌশলী বেগম ফারজানা 

৬৬. প্রকৌশলী বেগম নুসরাত 

৬৭. প্রকৌশলী ডক্টর ইলিয়াস 

৬৮. প্রকৌশলী মোঃ নাসিরুদ্দিন 

৬৯. প্রকৌশলী কামরুজ্জামান 

৭০. প্রকৌশলী প্রাণ কানাই সাহা 

৭১. প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম 

৭২. প্রকৌশলী সামসুদ্দিন চৌধুরী 

৭৩. প্রকৌশলী উত্তম চক্রবর্তী 

৭৪. প্রকৌশলী মোঃ মাইনুদ্দিন 

৭৫. প্রকৌশলী মনোজকুমার বণিক 

৭৬. প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক 

৭৭. প্রকৌশলী অশোক চক্রবর্তী 

৭৮. প্রকৌশলী আলাউদ্দিন আহমেদ 

৭৯. প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম 

৮০. প্রকৌশলী মোঃ বেলাল 

৮১. প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান 

৮২. প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান 

৮৩. প্রকৌশলী আরিফুর রহমান 

৮৪. প্রকৌশলী এরশাদউল্লাহ 

৮৫. প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াদুদ

৮৬. প্রকৌশলী শিহাবউদ্দিন 

৮৭. প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ 

৮৮. প্রকৌশলী কামরুল হাসান 

৮৯. প্রকৌশলী আমিনুর রশিদ 

৯০. প্রকৌশলী আব্দুর রহমান 

৯১. প্রকৌশলী মনসুরুল হক 

৯২. প্রকৌশলী ফজলুর রহমান 

৯৩. প্রকৌশলী আব্দুস সাদেক 

৯৪. প্রকৌশলী পীযুষ সাহা 

৯৫. প্রকৌশলী জহির আহমেদ 

৯৬. প্রকৌশলী আসিরুল ইসলাম 

৯৭. প্রকৌশলী গোপাল ভৌমিক 

৯৮. প্রকৌশলী মোঃ ফারুক এ. খান 

৯৯. প্রকৌশলী রাসেল সরকার 

১০০. প্রকৌশলী মোঃ সেলিমুল্লাহ 

১0১. প্রকৌশলী মনোরঞ্জন পাল 

MD Fakrul Islam

Mejor – Joy Bangla Brigade 

#Bangladesh

#Bangladeshcrisise

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 15-11-2025

লক ডাউন,শাট ডাউন,দিল্লি বোম্বিং এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচার

লক ডাউন,শাট ডাউন,দিল্লি বোম্বিং এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচার 

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ! আওয়ামী লীগের বেশীরভাগ নেতা আজ হয় জেলে অথবা প্রাণ ভয়ে নিরাপদ স্থানে বসবাস করছেন। এই অবস্থায় নভেম্বরের ১৩ তারিখে “ঢাকা লকডাউন” -এর ডাক দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এই লক ডাউন সফলও হয় শুধু ঢাকা নয় লক ডাউন সফল হয় দেশব্যাপী। যাহা ইউনূস গং কল্পনাও করতে পারেনি। অপরদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও চলছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নানা কর্মসুচি। বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার এবং বক্তব্য প্রকাশ চলছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সাথে মত বিনিময় শুরু করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ সকল অঙ্গ সংগঠন ও জয় বাংলা ব্রিগেড এর নেতা-কর্মীরা। তারা কথা বলছেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলা প্রহসনের বিচার নিয়ে,কথা বলছেন দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন মান নিয়ে, কথা বলছেন বাংলাদেশ এর নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে এবং দেশের সংবিধান নিয়ে। তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জুলাই চার্টারকে কেন্দ্র করে চলছে স্বার্থের টানাপোড়ন। অন্যদিকে সমসাময়িক জঙ্গি তৎপরতার প্রেক্ষাপটে ভারতের গাড়ী বোমা হামলাকে কেন্দ্র করে কি আবার উপ্তপ্ত হয়ে উঠছে এ অঞ্চলের ভুরাজনীতি? তা হলে কি দেশে শুরু হতে যাচ্ছে গৃহযুদ্ধ? কোনদিকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতে গড়া সুন্দর সোনালী হয়ে ওঠা এই বাংলাদেশ এর গন্তব্য? 

প্রিয় দেশবাসী আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে দিলাম —–

মেজর

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

জয় বাংলা ব্রিগেড

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 15-11-2025

অবৈধ ও সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এর দেশ বিক্রির মহাপরিকল্পনা এবং গভীর ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান

মেজর

মোঃ ফকরুল ইসলাম

চাঁদপুর জেলা জয় বাংলা ব্রিগেড

★পুলিশ-গণহত্যা! 

★অবৈধ ট্রাইব্যুনালে প্রহসনের বিচার!

★চারিদিকে লাশ আর লাশ; খালে-বিলে-ঘাটে-মাঠে-রাজপথে! 

★রাষ্ট্রীয় মদদে দেশব্যাপী ভয়াবয় মব সন্ত্রাস পরিচালনা! 

★হত্যা করা হচ্ছে পিটিয়ে-পুড়িয়ে-ঝুলিয়ে 

★চারিদিকে অনাহারি মানুষের হাহাকার 

★নিত্যপন্যের বাজারে— মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তের বুকফাটা কান্না! 

★বিদেশি বিনিয়োগ বন্ধ 

★চারিদিকে খুন-চাদাবাজি-ছিনতাই-রাহাজানি-লুটতরাজ! 

★নারী-শিশু ধর্ষণ-হত্যা! 

★মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধু অবাঞ্ছিত, ধ্বংসপ্রাপ্ত! বাংলাদেশ-চেতনা তথা মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় স্মারক-ঐতিহ্য ধ্বংস! 

★সাংবাদিক হত্যা-গ্রেফতার; অ-বাক স্বাধীনতা! গণমাধ্যমের ওপর হামলা! 

★দেশের শিল্পকরখানা বন্ধ, লাখ লাখ মানুষ বেকার! বিদেশীর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে! পোশাক খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে 

★শিক্ষক-শিল্পী-লেখক-বুদ্ধিজীবী-ডাক্তার-সাংবাদিক-দেশপ্রেমিক সেনা সদস্য সহ দেশের প্রগতিমনা পেশাজীবি দেরকে গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা, হামলা! লান্ছিত! অপমানিত!

★কারান্তরীণ অবস্থায় ৩১ আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা! 

★আওয়ামী নিধন কার্যক্রম! 

★গণগ্রেফতার  ও কারা অভ্যন্তরে নির্যাতন 

★সারাদেশে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, জমি-জমা দখল, লুটপাট, জ্বালিয়ে ছারখার করে দেয়া! 

★খুনি-ফ্যাসিস্ট, গণশত্রু ইউনূস গং এর এমন শত-সহস্র মানব বিধ্বংসী দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড আজ বাংলাদেশকে মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত করেছে। প্রিয় মাতৃভূমির বুক জুড়ে আজ কালো আঁধার!

দেশ বিক্রির মহাষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত চক্রান্ত রুখতে—

১৬ ও ১৭ নভেম্বর 

সারাদেশে শাট ডাউন

জয় বাংলা ব্রিগেড 

Michigan USA 15-11-2025

অবৈধ, দখলদার, ফ্যাসিস্ট, মাফিয়া সরকারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে:

জয় বাংলা                  জয় বাংলা ব্রিগেড 

জয় বঙ্গবন্ধু                 জয়তু শেখ হাসিনা 

অবৈধ, দখলদার, ফ্যাসিস্ট, মাফিয়া সরকারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

প্রতিবাদ-বিক্ষোভ-প্রতিরোধ কর্মসূচি ও সর্বাত্মক শাটডাউন সফল করুন

বাংলাদেশের এ ক্রান্তিলগ্নে,জয় বাংলা ব্রিগেড গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, প্রহসনমূলক বিচার বন্ধ ও খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঘোষিত পরবর্তী কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় চলমান অপশাসনের চূড়ান্ত পতন ঘটাতে জয় বাংলা ব্রিগেড এর সকল মেজর, কো-মেজর,ক্যাপ্টেন,কো-ক্যাপ্টেন,আহ্বায়ক,সদস্য সচিব,সন্মানিত সদস্যবৃন্দ সহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি এবং আপামর জনতাকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

কর্মসূচি:

★১৪ ও ১৫ নভেম্বর দেশব্যাপী ঘোষিত বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ কর্মসূচিতে রাজপথে দুর্বার গতিতে অংশগ্রহণ করুন।

★আগামী ১৬ ও ১৭ নভেম্বর সারা দেশে ঘোষিত ‘সর্বাত্নক শাটডাউন’ কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করুন।

জয় বাংলা ব্রিগেড এর সকল সাংগঠনিক ইউনিটকে সকল কর্মসূচি সফল করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধুতনয়া জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আহ্বানে ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘লকডাউন’ কর্মসূচি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সফল ও সার্থক করায় জয় বাংলা ব্রিগেড সংগ্রামী দেশবাসী এবং বিশেষভাবে অগ্রণী ভূমিকা রাখা জয় বাংলা ব্রিগেড এর সকল নেতা-কর্মীদের সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন,অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মী,শিক্ষার্থী,শিক্ষক,চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক-শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনে এই কর্মসূচি প্রমাণ করেছে বাংলার প্রতিটি ঘর আজ খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের দানবীয় শাসনের বিরুদ্ধে অধিকারহারা মানুষের দুর্গে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশকে এই কলঙ্কিত, গণবিরোধী অপশাসন থেকে মুক্ত করাই আমাদের অপরিবর্তনীয় অঙ্গীকার। ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও যৌথ সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে এনে গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী একটি প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়বো।জয় বাংলা ব্রিগেড স্পষ্ট করে বলছে: যত বেশি দমন হবে, ততই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ জোরালো হবে, আর জালিম ইউনূসের দুর্ভেদ্য শাসনের প্রাচীর একে একে ভেঙ্গে পড়বে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান           এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান 

ড.রাব্বি আলম পিএইচডি    এ্যাডঃ কামরুল ইসলাম 

জয় বাংলা ব্রিগেড                   জয় বাংলা ব্রিগেড 

মুখপাত্রঃ—

মেজর 

এম কবিরুল ইসলাম আকাশ

 জয় বাংলা ব্রিগেড  

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

সদস্য সচিব

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

খুলনা জেলা – জয় বাংলা ব্রিগেড

Joy Bangla Brigade 

Michigan    USA 13-11-2025

হত্যা সহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মবসন্ত্রাস ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের লীলাভূমিতে বাংলাদেশ

মোঃ ফকরুল ইসলাম 

মেজর -চাদপুর জেলা জয় বাংলা ব্রিগেড

সদস্য সচিব -খুলনা জেলা জয় বাংলা ব্রিগেড 

জয় বাংলা মহিলা ব্রিগেড প্রধান মেজর নমিতা খানের সভাপতিত্বে এবং জয় বাংলা ব্রিগেড সদস্য সচিব -খুলনা জেলা’র সঞ্চালনায় জয় বাংলা ব্রিগেডের ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং চক্রান্তমূলকভাবে বাংলাদেশের জনগণকে একটা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই অবৈধ দখলদাররা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর থেকে সারা দেশে খুন, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, রাহাজানি বেড়ে চলেছে। মবসন্ত্রাসের মতো এক অভিনব গোষ্ঠীগত সন্ত্রাসের উদ্ভব ঘটেছে। রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক এবং জনগণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী আচরণ করে তখন সেখানে সভ্য ও আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মতো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছু থাকে না। যে কারণে আইনের পোশাক জড়িয়ে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার ব্রাশ ফায়ারের কথা অবলীলায় বলতে পারেন। কেননা জনগণের ম্যান্ডেটহীন অবৈধ দখলদারদের টিকে থাকার উপায়ই হচ্ছে সন্ত্রাসের মাধ্যমে ভয় দেখানো। আর সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি নিয়ে ইতিমধ্যে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। গত মার্চেই একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল যে,তখন দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ৬.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অক্টোবরেও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস সহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কারা হেফাজতে হত্যা, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি অন্যান্য অপরাধ বেড়েই চলছে। পরিকল্পিতভাবে কারা অভ্যন্তরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। আবার কারাগারের বাইরে মবসন্ত্রাস চালিয়ে হামলা, হত্যা ও লুটপাট করা হচ্ছে। অবৈধ দখলদাররা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সন্ত্রাসকে বেছে নিয়েছে, যেখানে মানুষের জানমালের ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। এদিকে বিপরীতে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনকল্যাণমুখী মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকার করছে।

#জয় বাংলা ব্রিগেড #Joy Bangla Brigade 

Michigan, USA, 13-11-2025