
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ রোজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করেছেন যে,অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে অপমানিত ও কোণঠাসা অনুভব করছেন।
ঢাকার সরকারি বাসভবন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে ৭৫ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, “আমি পদত্যাগ করতে চাই। ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়ে কোনো দ্বিধা নেই। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালনই আমার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এজন্যই এখনও আমি এই অবস্থানে আছি।”
২০২৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সাংবিধানিকভাবে তিনি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও তার ভূমিকা মূলত আনুষ্ঠানিক; নির্বাহী ক্ষমতা সবসময়ই প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে থাকে। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন ষড়যন্ত্র আন্দোলনের মুখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ ছাড়া শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার পর সাংবিধানিক ভাবে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সংসদ ভেঙে যাওয়ায় তিনিই হয়ে ওঠেন দেশের শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তার অপমানের বেশ কয়েকটি ঘটনাও উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, গত সাত মাস ধরে অবৈধ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তার সঙ্গে কোনো সাক্ষাৎ করেননি। শুধু তাই নয়, তার প্রেস বিভাগ বাতিল করা হয়েছে এবং গত সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলো থেকে রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”এক রাতে হঠাৎ ই সব জায়গা থেকে আমার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে—মনে হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে বোধহয় সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছি।” প্রতিকৃতি সরানোর বিষয়ে তিনি ড. ইউনূসকে চিঠিও লিখেছেন, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও তিনি জানান।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।
Michigan USA #19-12-2025
#trendingpost #trendingnow #Bangladesh

