জয় বাংলা জুম ব্রিগেড অন লাইন প্লাটফর্মে বাংলাদেশ সংবিধান দিবস উপলক্ষ্যে ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা

বাংলাদেশ সংবিধান দিবস উপলক্ষ্যে জয় বাংলা ব্রিগেডের চেয়ারম্যান এর মুখপাত্র সংগ্রামী মেজর জনাব এম কবিরুল ইসলাম আকাশ এর সভাপতিত্বে এবং জয় বাংলা ব্রিগেড খুলনা জেলা সদস্য সচিব মোঃ ফকরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি,যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আমেরিকা সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ড. রাব্বি আলম পিএইচডি,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – জয় বাংলা লিগ্যাল এইড ব্রিগেড এর প্রধান এডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংগ্রামী মেজর ওমর ফারুক, সংগ্রামী মেজর নমিতা খান, সংগ্রামী মেজর বানটি বিন আলম সহ জয় বাংলা ব্রিগেডের বিভিন্ন জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন এর মেজর, কো-মেজর, ক্যাপ্টেন, কো-ক্যাপ্টেন, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং অন্যান্য সংগ্রামী নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব ড.রাব্বি আলম পিএইচডি বলেন আজ ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ সংবিধান দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালীন যেসব মৌলিক আইনের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হতো স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি সেসব আইনকেই একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অস্থায়ী সংবিধান হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আলোকেই হয় বাংলাদেশের সংবিধান। বঙ্গবন্ধু নির্দেশ দেন যত দ্রুত সম্ভব সংবিধানের খসড়া চূড়ান্ত করতে।

সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। মাত্র ১০ মাসের মধ্যে জাতিকে সংবিধান উপহার দেন বঙ্গবন্ধু। এর আগে পৃথিবীর কোন দেশ এতো কম সময়ে সংবিধান প্রণয়ন করতে পারেনি।

তিনি আরো বলেন যেখানে শ্রমিকের ঘামে তিলে তিলে গড়ে ওঠা কারখানা বন্ধ হয়, সেখানে স্বপ্নও বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিক হারায় রুটি-রুজি, পরিবার হারায় ভবিষ্যৎ।

দখলদার ইউনুস সরকারের ‘উপহার’ যদি হয় বন্ধ কারখানা, বেকার শ্রমিক আর নিরাপত্তাহীন নারী—তাহলে এই উপহার জাতির জন্য অভিশাপ!

কারখানার গেট বন্ধ, মায়ের চোখে জল, শিশুর হাতে খালি থালা—

এই বাস্তবতা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটা এক জাতির ভাঙ্গা মেরুদণ্ডের প্রতিচ্ছবি। শ্রমিকের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করা মানে দেশের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া।

এভাবে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভাঙ্গার দায় অবশ্যই দখলদার ইউনুস সরকারকে নিতে হবে।

এখন সময় নীরবতা ভাঙ্গার—ন্যায়,অধিকার ও মর্যাদার জন্য একসাথে দাঁড়ানোর।

#YunusMustGo #Bangladesh

Michigan USA 04-11-2025

Please follow and like us:
Pin Share