
সারাদেশে আসন্ন নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সবশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের নির্বাচনী পরিবেশ সাধারণ ভোটারদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে ভোট দিতে যাওয়া মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলা—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
পরিসংখ্যানের চোখে ভয়াবহতা সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে নাজুক।সারাদেশে ঝুঁকি: মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৪১ শতাংশ কেন্দ্রকেই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা ‘অধিকতর স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংখ্যায় যা ১৭,৫৫৬টি।ঢাকার চিত্র: রাজধানী ঢাকার পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। এখানে প্রায় ৭৫ শতাংশ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থাৎ ঢাকার ১,৬১৪টি কেন্দ্রে ভোটারদের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। কেন এই ভোট বর্জনের ডাক? সচেতন নাগরিক সমাজ ও অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলো এই নির্বাচনকে একটি ‘অবৈধ প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করছে। তাদের মতে, যেখানে রাষ্ট্রের অর্ধেকের বেশি কেন্দ্র অনিরাপদ, সেখানে ভোট দেওয়া মানেই সহিংসতাকে আমন্ত্রণ জানানো। সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের আহ্বান:
★জীবনের নিরাপত্তা সবার আগে: যেখানে ৪১ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে আপনার একটি ভোট দেওয়ার প্রচেষ্টায় ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা।
★প্রহসনে অংশ না নেওয়া: যে নির্বাচনে জনগণের জানমালের গ্যারান্টি নেই এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ, সেই ভোট বর্জন করাই নাগরিক সচেতনতার পরিচয়।
★অনিশ্চয়তা ও ভীতি: রাজধানীর ৭৫ শতাংশ কেন্দ্রে সংঘাতের আশঙ্কা থাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম ভীতি কাজ করছে। এই আতঙ্কিত পরিবেশে কখনোই সঠিক জনমত প্রতিফলিত হওয়া সম্ভব নয়।
”আপনার নিরাপত্তা আপনার হাতে। কোনো প্রহসনের বলি হয়ে নিজের বা পরিবারের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবেন না।”
সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ভোটকেন্দ্রগুলোর এই ভয়াবহ পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, এটি কোনো স্বাভাবিক নির্বাচন নয়। তাই এই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘প্রহসনের’ ভোট উৎসব বর্জন করে ঘরে থাকাই এখন সময়ের দাবি।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 11-02-2026


জয় বাংলা ভোট দিতে যাবো না ইনশাআল্লাহ