জয় বাংলা ব্রিগেড ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন সাবেক সংগ্রামী সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাননীয় উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম,প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখছেন জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুব সমাজের আইকন,ত্যাগী তৃনমুল আওয়ামী লীগের পথ প্রদর্শক ডায়নামিক লিডার, আমেরিকা সেনাবাহিনীর চৌকস সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ড.রাব্বী আলম পিএইচডি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন মুখপাত্র,জয় বাংলা ব্রিগেড মেজর এম কবিরুল ইসলাম আকাশ। সভাপতিত্বের বক্তব্য রাখছেন এডমিনিস্ট্রিটিভ প্রধান এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও জয় বাংলা মহিলা ব্রিগেড মেজর জেবুন্নেছা,মেজর রুহুল তালুকদার,মহিলা ব্রিগেড মেজর পার্সিয়া রোজা সহ অন্যান্য মেজর,কো-মেজর, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং সংগ্রামী সদস্যবৃন্দ।
জয় বাংলা ব্রিগেড এর ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপমন্ত্রী (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়) সাবেক সংগ্রামী সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয়,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশ এর ২০২৯ সাল পর্যন্ত বৈধ প্রধানমন্ত্রী। এবং বাংলাদেশের অসাংবিধানিক অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এর মেটিকুলাস ষড়যন্ত্রের বিষ দাঁত ভেঙে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন জয় বাংলা জুম ব্রিগেড খুব দ্রুত সময়ে এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উজ্জিবীত করেছে। আমরা জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সকল নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। জয় বাংলা ব্রিগেডের অবদান আমরা মনে রাখবো। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জয় বাংলা ব্রিগেডের কার্যক্রমকে স্বাগত জানান।
৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায়। সরকার প্রস্থানের সেই উত্তাল মুহূর্তগুলো নিয়ে জনমনে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের ফোনালাপ সেই অস্পষ্টতার ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটিয়েছে। সমালোচকরা যখন দেশত্যাগের ঘটনাকে কেবল ‘পলায়ন’ হিসেবে চিত্রিত করতে ব্যস্ত, তখন এই অডিও ক্লিপটি মুদ্রার অপর পিঠ—একজন দায়িত্বশীল শাসকের মানবিকতা ও আত্মত্যাগের চিত্র—সামনে নিয়ে এসেছে। ফাঁস হওয়া কথোপকথনটি বিশ্লেষণ করলে শেখ হাসিনার বিদায়বেলার যে ইতিবাচক ও শক্তিশালী রূপটি ফুটে ওঠে, তা নিরিপেক্ষ বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
রক্তপাত এড়াতে ক্ষমতার মোহ ত্যাগ
অডিওর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হলো শেখ হাসিনার সেই স্পষ্ট উক্তি— “মানুষ মেরে থাকার মানে হয় না।” এটি কেবল একটি বাক্য নয়, বরং চরম সংকটময় মুহূর্তে নেওয়া এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সাধারণত বিশ্বের ইতিহাসে দেখা যায়, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় থাকা শাসকরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টিকে থাকতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেন, যার ফলে হাজারো প্রাণহানি ঘটে। কিন্তু শেখ হাসিনা সেই পথে হাঁটেননি। তার হাতে রাষ্ট্রযন্ত্র ও বলপ্রয়োগের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, তিনি সাধারণ মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় থাকার যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি। পদত্যাগপত্র প্রস্তুত রাখা এবং রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি প্রমাণ করে, তিনি সংঘাতের চেয়ে শান্তি এবং জীবনের মূল্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
জরুরি অবস্থার প্রলোভন প্রত্যাখ্যান ও দূরদর্শিতা
ফোনালাপে শোনা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ড. হাছান মাহমুদ ‘ইমার্জেন্সি’ বা জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দিচ্ছেন। একজন শাসকের জন্য ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ অস্ত্র হতে পারত এই জরুরি অবস্থা। কিন্তু শেখ হাসিনা অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, “তাতে লাভ হবে না।” এই প্রত্যাখ্যান তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার পরিচায়ক। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, জরুরি অবস্থা জারি করলে সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে সরাসরি সংঘাত তৈরি হবে, যা দেশকে এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। নিজের গদি রক্ষার চেয়ে তিনি দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও জানমালের নিরাপত্তাকেই বড় করে দেখেছেন।
সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রতি শ্রদ্ধা
চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেও শেখ হাসিনা সাংবিধানিক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। অডিওতে তার এই মনোভাব প্রমাণ করে যে, তিনি নিরবে এভাবে প্রস্থান করার বদলে একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রযন্ত্র ভেঙে না পড়ে এবং কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সজাগ ছিলেন।
অভিমান এবং দেশপ্রেমের কান্না
“আমি কিন্তু থাকব না… এই দেশে আর না”— শেখ হাসিনার এই উক্তিতে ভীতির চেয়ে অভিমানই বেশি প্রবল। নোয়াখালীতে গান পাউডার দিয়ে ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার খবরে তার কণ্ঠে যে হতাশা শোনা গেছে, তা একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিকের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ। যে দেশকে তিনি উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছিলেন, সেই দেশের মানুষের সহিংস আচরণ তাকে মানসিকভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছে। তার দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ছিল মূলত এই চরম অকৃতজ্ঞতা ও সহিংসতার প্রতি এক ধরণের নীরব প্রতিবাদ। তিনি বুঝেছিলেন, তার উপস্থিতি যদি আরও সহিংসতার কারণ হয়, তবে সরে যাওয়াই শ্রেয়।
ফাঁস হওয়া এই অডিও বার্তাটি শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক আখ্যানগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা কেবল প্রাণভয়ে দেশ ছাড়েননি; বরং তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন যাতে আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়। ‘মানুষ মেরে ক্ষমতায় না থাকার’ যে নীতি তিনি আঁকড়ে ধরেছিলেন, তা তাকে ক্ষমতার রাজনীতির ঊর্ধ্বে এক অনন্য উচ্চতায় স্থাপন করেছে। ইতিহাস হয়তো তাকে এই চরম ত্যাগের জন্য এক মানবিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেই মনে রাখবে। এবং বাংলাদেশের সাংবিধানিক ভাবে এখনো তিনি বৈধ প্রধানমন্ত্রী। এবং বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ নয়, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন জঙ্গী গোষ্ঠীর প্রধান তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস।তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এই সন্ত্রাসী জঙ্গি ইউনূস এর হাত থেকে দেশ এবং দেশের সাধারণ মানুষকে কিভাবে উদ্ধার করবেন সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় জয় বাংলা ব্রিগেডের শোক
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে,ঊনসত্তরের গণ -অভ্যুথানের মহানায়ক, উপমহাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান রাজনৈতিক নেতা, জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দশটায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আনোয়ারা বেগম ছিলেন একজন শান্ত, সহনশীল ও সদালাপী মানুষ। জননেতা তোফায়েল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নীরবে শক্তি, সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছেন, পাশে থেকেছেন সবসময়। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ,জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে এবং মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।
Joy Bangla Brigade Chairman Dr. Rabbi Alam addressed Bangladesh Situation in the Millennium TV Network on 11-20-2025. A great presentation for the International media outlets.
Dr. Rabbi Alam: Chairman of Joy Bangla Brigade, working for counter revolution of Democratic return of Prime Minister Sheikh Hasina to Bangladesh from India. Dr. Rabbi addressing days after the Kangaroo court’s verdicts lead by War criminals Tajul Islam and other anti-Liberation war in 1971 in Bangladesh.
Dr. Rabbi strongly believes and predicts that the HPM Sheikh Hasina is coming back as the Prime minister of Bangladesh.
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজানো, ভিত্তিহীন ও প্রহসনমূলক ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান”
আমরা জুলাই – আগস্ট ২০২৪ ষড়যন্ত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের এই ক্রান্তিকালে আগষ্ট পরবর্তী জয় বাংলা জুম ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব মহিলা লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের একত্রিত করে ইউনূস এর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছি এবং সকল নেতা-কর্মীদের উজ্জিবিত লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে আসছি।আজ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছি যে,বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সফল সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত আজকের রায় আমাদের কাছে সম্পূর্ণরূপে সাজানো, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়। এই রায় ন্যায়বিচারকে উপহাস করা, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করা এবং গণতন্ত্রকে বিপথগামী করার নগ্ন প্রচেষ্টা। আমরা দৃঢ় কণ্ঠে ও সর্বসম্মতভাবে এই অন্যায়, অবিচার ও অপতৎপরতাপূর্ণ রায় প্রত্যাখ্যান করছি।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই রায় কোনো বিচারের অংশ নয়; এটি ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির পুনরুত্থান। যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা আজ আবার নতুন চেহারায়, নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে । তাদের লক্ষ্য একটাই, বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করা, উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া এবং জাতিকে আবারও অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। আজকের রায় সেই নীলনকশারই সাম্প্রতিকতম সংস্করণ।
এই পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় ১৯৭১ সালের সেই বিভীষিকাময় ডিসেম্বরকে, যখন পাকিস্তানের মিয়াঁওয়ালির কারাগারে বন্দী বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সামরিক গোপন আদালত মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছিল। নির্জন সেলে তাঁর সামনে খোঁড়া হয়েছিল কবর, যেনো বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে দাফন করার প্রস্তুতি। কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ শক্তি, মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা সে ঘৃণ্য পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দেয়।
ইতিহাস তখন যেমন পরাজিত ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছিল, আজও সেই ইতিহাস একই সত্য উচ্চারণ করছে।
যে শক্তি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই অপশক্তি শেষ পর্যন্ত পরাজিত হবেই।
আজকের এই প্রহসনমূলক রায় আমাদের সেই রক্তাক্ত অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতাবিরোধী চক্র কখনো নিষ্ক্রিয় ছিল না; তারা এখনও সক্রিয়, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে বদ্ধপরিকর।
উন্নয়নের রুপকার শেখ হাসিনা,
গণতন্ত্র রক্ষার কারিগর শেখ হাসিনা,
কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ জানে
কারা অসীম অন্ধকারকে ফিরিয়ে আনতে চায়!
জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মানে এই জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অগ্রগতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমরা আইনি ও গণতান্ত্রিক পথেই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো, দেশপ্রেমিক জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সত্য, ন্যায় ও বিজয়ের পথকে সুদৃঢ় করবো।
এই লড়াই শুধু একজন নেত্রীর নয়, এটি ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তে অর্জিত বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অম্লান রাখার লড়াই।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যারা ইতিহাসের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তারা ইতিহাসেই পরাজিত হয়।
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পরাজয় আবারও অবশ্যম্ভাবী।
জয় বাংলা ব্রিগেড প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি – ড. রাব্বি আলম পিএইচডি, মুখপাত্র – মেজর এম কবিরুল ইসলাম আকাশ, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান – মেজর এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মহিলা ব্রিগেড প্রধান -মেজর নমিতা খান, মেজর মোঃ ফকরুল ইসলাম, মেজর মোঃ রুহুল আমিন তালুকদার, মেজর মহসিন টিটু, মেজর শহিদুল ইসলাম শহিদ, মেজর ওমর ফারুক, মেজর বানটি বিন আলম, মেজর হাবিব মিয়া, শ্রমিক ব্রিগেড মেজর মজিবুর রহমান , শ্রমিক ব্রিগেড মেজর আসিফ, মেজর শহর আলী, মেজর হাম্মাদ শাহীন , মোবারক আলী, মেজর নয়ন, মেজর গোলাম মোস্তফা, মেজর তাইজুল ইসলাম, মেজর হুমায়ূন কবির, মেজর দেলোয়ার, মেজর রাকিবুল হাসান, মেজর মহিউদ্দিন, মেজর কামরুল ইসলাম সুবর্নচর, মেজর মাহবুব খান, মেজর রিয়াজ ভুঁইয়া, মেজর আকরাম, মেজর তরিকুল ইসলাম, মেজর জালাল, মেজর রিজভী আলম, মেজর মোঃ জিকু, মেজর সারোয়ার, মেজর সুমন চৌধুরী, এডভোকেট রেজাউল হক রিপন, মেজর লিঙ্কন, মেজর মামুন, মেজর পারভেজ, মেজর রহিম মোল্লা, মেজর শাহজাহান সিরাজ, মেজর আব্দুল্লাহ,মহিলা ব্রিগেড মেজর শাম্মী আক্তার,মহিলা ব্রিগেড মেজর ইফফাত জাহান চৌধুরী,মহিলা ব্রিগেড মেজর ফাতেমা আরজু পলি, মহিলা ব্রিগেড মেজর – জেবুন্নেছা, মহিলা ব্রিগেড মেজর -বেনজির পার্সিয়া, মহিলা ব্রিগেড মেজর খুশি মুনিরা সহ সকল ব্রিগেডের মেজর, কো-মেজর, ক্যাপ্টেন, কো-ক্যাপ্টেন, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং সংগ্রামী সদস্যবৃন্দ।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও প্রহসনমূলক মামলার সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ১০০১ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ। তারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা গভীর ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করেছে তা প্রহসনমূলক ও অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে ক্যাঙারু কোর্টের রুপ পরিগ্রহ করেছে এর স্বৈরাচারী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থী কার্যকলাপ তথা মিথ্যা সাক্ষাৎ প্রামাণের মাধ্যমে।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এ দেশের কোটি জনতা আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ ধরনের বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রমূলক এবং পূর্বনির্ধারিত রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি এবং ক্যাঙারু কোর্টের প্রহসনমূলক রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
মেজর -জয় বাংলা ব্রিগেড
আন্দোলনের সময় ‘সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ’ হওয়ার আট দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক।
ফাতেমা আক্তার নামের ওই সহকারী শিক্ষক রোববার সকালে রাজধানীর মিরপুর অলক হাসপাতালে মারা যান বলে তার সহকর্মীরা জানিয়েছেন।
‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ এর অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ এদিন সকালে তার মারা যাওয়ার খবর দেন।
ওই আন্দোলনের আরেক শিক্ষক নেতা মুহিব উল্লাহ সন্ধ্যায় জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিনিধিকে বলেন, চাঁদপুরের মতলবের উত্তর উপজেলার ৫নং ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন ফাতেমা আক্তার। তিনি ৮ নভেম্বর বিকালে শাহবাগে আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনে পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে শিক্ষক নেতারা দাবি করেছেন।
টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৮ নভেম্বর তিন দাবিতে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ এর ব্যানারে শিক্ষকরা ‘কলম বিরতি কর্মসূচি’ পালনে শহীদ মিনার থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মিছিলটি শাহবাগ থানার সামনে এলে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। তখন পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, লাঠি চার্জ, কাঁদুনে গ্যাসে কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।
এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পাশাপাশি ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন শিক্ষক নেতারা।
তার সহর্কর্মীরা বলেন, আহতদের একজন ফাতেমা পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে আহত হয়ে মিরপুরের অলক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, “মতলব উত্তর উপজেলার শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি ফাতেমা আপা শহীদ মিনারে আন্দোলনে ছিলেন এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিল। ওনার পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”
তিনি বলেন, রাতে উত্তর মতলব উপজেলায় ফাতেমার বাড়িতে তার নামাজে জানাজা হওয়ার কথা।
শিক্ষক নেতা মুহিব উল্লাহ বলেন, প্রয়াত ফাতেমা এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী ছিলেন।
এ বিষয়ে জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি,যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমেরিকা সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ড. রাব্বি আলম পিএইচডি বলেন অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এর এই হত্যাকাণ্ডের জবাব দিতে হবে ইনশাআল্লাহ,সেই সময় বেশি দুরে নয়।
জুলাই ষড়যন্ত্র আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত যত হত্যা,মব সৃষ্টি,নারী ধর্ষণ এবং সরকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করেছে তার প্রত্যেকটির বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে ইনশাআল্লাহ।১৭ নভেম্বর ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছে,তা মেটিকুলাস ডিজাইনেরই অংশ। সকল মেটিকুলাস ডিজাইন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আলোচনা সভা শেষ করেন।
আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা ধ্বংস করবার জন্যই এই প্রহসনের বিচারের ব্যবস্থা। উন্নয়নের মাঠ পর্যায়ের কর্মী প্রকৌশলীরা এই অবস্থায় চুপ করে থাকার কোনো সুযোগ নাই।
বাংলাদেশের বৈধ ভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্থাপিত বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতন প্রকৌশলী সমাজ নিম্নোক্ত আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ করছে।
প্রকৌশলী সমাজ মনে করে সংসদ কে পাশ কাটিয়ে অবৈধ ভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এর কার্য পরিধি সংশোধন করে যে অধ্যাদেশ জারি করেছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনগত এখতিয়ার বহির্ভূত। তাই এই ধরণের অবৈধ আদলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার বা দলের কারো বিচার কাজ চলতেই পারে না।
লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের খ্যাতিমান আইনজীবী স্টিভেন পাওলস কেসি ও তাতিয়ানা ইটওয়েল জাতিসংঘের নিকট দাখিলকৃত জরুরি আবেদনে উক্ত বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুতর আইনি অনিয়ম ও প্রক্রিয়াগত অসামঞ্জস্য’র সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখিত প্রধান উদ্বেগসমূহ হলো—
১. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা ও মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য ঝুঁকি
২. বিচারক ও প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কিত অভিযোগ
৩. নির্বাচনী বা সিলেক্টিভ জাস্টিসের আশঙ্কা
দেশের এই চরম ক্রান্তিলগ্নে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে আমাদের জোড় দাবী —-
অবিলম্বে এই অবৈধ সরকারের অবৈধ অধ্যাদেশ দিয়ে গঠিত কোর্টের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করা হোক।
অবৈধ অসাংবিধানিক সরকার বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড লঙ্ঘন করছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বলতে কিছু নাই। এমত্বাবস্থায় আমরা এই সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করছি। এই তথাকথিত বিচারের রায় যাই হোক প্রকৌশলীরা ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় মানে না মানবে না।
লক ডাউন,শাট ডাউন,দিল্লি বোম্বিং এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ! আওয়ামী লীগের বেশীরভাগ নেতা আজ হয় জেলে অথবা প্রাণ ভয়ে নিরাপদ স্থানে বসবাস করছেন। এই অবস্থায় নভেম্বরের ১৩ তারিখে “ঢাকা লকডাউন” -এর ডাক দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এই লক ডাউন সফলও হয় শুধু ঢাকা নয় লক ডাউন সফল হয় দেশব্যাপী। যাহা ইউনূস গং কল্পনাও করতে পারেনি। অপরদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও চলছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নানা কর্মসুচি। বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার এবং বক্তব্য প্রকাশ চলছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সাথে মত বিনিময় শুরু করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ সকল অঙ্গ সংগঠন ও জয় বাংলা ব্রিগেড এর নেতা-কর্মীরা। তারা কথা বলছেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলা প্রহসনের বিচার নিয়ে,কথা বলছেন দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন মান নিয়ে, কথা বলছেন বাংলাদেশ এর নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে এবং দেশের সংবিধান নিয়ে। তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জুলাই চার্টারকে কেন্দ্র করে চলছে স্বার্থের টানাপোড়ন। অন্যদিকে সমসাময়িক জঙ্গি তৎপরতার প্রেক্ষাপটে ভারতের গাড়ী বোমা হামলাকে কেন্দ্র করে কি আবার উপ্তপ্ত হয়ে উঠছে এ অঞ্চলের ভুরাজনীতি? তা হলে কি দেশে শুরু হতে যাচ্ছে গৃহযুদ্ধ? কোনদিকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতে গড়া সুন্দর সোনালী হয়ে ওঠা এই বাংলাদেশ এর গন্তব্য?