
“রাজনীতি কেবল পুরুষের নয়, দেশ গঠনে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য”— এই দর্শনের বাস্তব রূপকার ছিলেন তিনি।
আজ ৩ মার্চ, বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, মহীয়সী নারী এবং বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বেগম বদরুন্নেসা আহমেদ-এর জন্মবার্ষিকী। তাঁর জন্মদিনে জয় বাংলা ব্রিগেড-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
স্মরণ সভা ও ভার্চ্যুয়াল আলোচনা
বেগম বদরুন্নেসা আহমেদের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করতে জয় বাংলা ব্রিগেড-এর জুম প্ল্যাটফর্মে এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয় বাংলা ব্রিগেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. রাব্বি আলম,পিএইচডি বলেন – ছয় দফা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বেগম বদরুন্নেসা আহমেদের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বক্তব্যে আরো তুলে ধরেন ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনকে বেগবান করতে এবং নারীদের প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে ১৯৬৯ সালে তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ’। কলকাতার সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল স্কুল থেকে শুরু করে লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ১৯৭৪ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দেশ ও মানুষের সেবায় অনন্য অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।
”বেগম বদরুন্নেসা আহমেদ কেবল একজন মন্ত্রী বা নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন সরকারি কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পথপ্রদর্শক এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রাতিষ্ঠানিক রূপকার”
জয় বাংলা ব্রিগেড বিশ্বাস করে, বেগম বদরুন্নেসা আহমেদের প্রদর্শিত পথেই গড়ে উঠবে আগামীর স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ। তাঁর জন্মদিনে আমাদের শপথ হোক— নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে নিরলস কাজ করে যাওয়া।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 04-03-2026

