
★বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম কে পিটিয়েছিলেন পুলিশ দিয়ে। এর কারন জাহানারা ইমাম গোলাম আজম ও নিজামীদের বিচার চেয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আসামী করেন জাহানারা ইমাম’কে।সেই মামলা কাঁধে নিয়েই তিনি মৃত্যুবরন করেন।
কিন্তু খালেদা জিয়া এরপরও আপনাদের কাছে ইননোসেন্ট!কারন রাজাকার শিরোমনি’দের পিতাদের রক্ষা করতে চেয়েছিলেন ।অথচ এই কাজ দেশরত্ন শেখ হাসিনা করলে সে হয়ে যেতো ফ্যাসিস্ট।
★ ১৯৯৫ সালে সারের দাবিতে আন্দোলন করায় খালেদা জিয়ার পুলিশের গুলিতে ১৮ জন কৃষক মারা যায়। একই বছর সিলেট থেকে ফেরার পথে শেখ হাসিনার ট্রেনযাত্রায় বৃষ্টির মতো গুলি করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। কিন্তু আপনারা বলবেন এখানে খালেদা জিয়ার কোনো দায় নেই! শেখ হাসিনা এই কাজ করলে আপনাদের কাছে হয়ে যেতো সে জালিম।
★১৯৯৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী পাতানো ইলেকশনের দিন আওয়ামিলীগ এর নেতা-কর্মী ৩০ জনের উপরে হত্যা হয়। এবং ৩ মাসের লাগাতর হরতালে ২০০ জনের কাছাকাছি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নিহত হয়। এই ইলেকশনে বঙ্গবন্ধুর খুনী রশিদ কে পাতানো বিরোধী দলীয় প্রধান বানানো হয়,এরপরও তিনিই ভালো! কারন শেখ মুজিবের খুনীরা বিএনপি সমর্থক ও রাজাকারদের কাছে হিরো।
★শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম ছিল ঢাকা আন্তজার্তিক বিমানবন্দর।১৯৮০ সালে বিএনপি উক্ত বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করে নাম দেয় জিয়া আন্তজার্তিক বিমানবন্দর এবং আওয়ামীলীগ তা মেনেও নেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬-২০০০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন বিমান বন্দরের নামটিতে হাত দেয়নি। কিন্তু শেখ হাসিনা যখন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের নামকরন করেন এম হান্নানের নামে তখন আর সহ্য করতে পারেনি খালেদা। তিনি এই নামটি পরিবর্তন করে শাহ আমানত রাখেন। কারন হান্নান সাহেব স্বাধীনতার ঘোষনার প্রথম পাঠক। যদি মানুষ সত্যটা জেনে যায় তাই খালেদার নাম পরিবর্তনের খেলা শুরু হয়।
এরপর শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় এসে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নাম রাখেন। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রতিহিংসাপরায়ন বাট খালেদা জিয়া ইনোসেন্ট!! শেখ হাসিনা খারাপ কারণ তিনি কেন একজন বীরউত্তম এর নাম পরিবর্তন করলেন। এদিকে বীরউত্তম উপসেনাপ্রধান সহ ৪ বছরে ৩ বার জিয়াউর রহমান কে প্রমোশন দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপরও শেখ মুজিবুর রহমান এর উপর রাগের শেষ নাই।
★ যাইহোক এইবার আসি বাড়ির প্রসঙ্গে। খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাড়িটি দিয়েছিল এরশাদ। খালেদা জিয়া সেটি সাদরে গ্রহন করেন। অথচ বিএনপি দাবি করে এরশাদ জিয়াউর রহমান এর খুনে জড়িত এবং শেখ হাসিনা নাকি এরশাদের সাথে জোট করেছিলেন। হাসিনা মুনাফেক ব্লা ব্লা ব্লা।
অথচ, শেখ হাসিনা কোনদিনও সেই বাড়ি নিয়ে এলার্জি দেখাননি। কথাও বলেন নি। কিন্তু ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার নামে বাড়ি বরাদ্দ করা হয়।কারন তাদের ব্যাক্তিগত কোন সম্পত্তি ছিল না।১৯৯৪ সালে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার’কে জাদুঘর ঘোষনা করা হয় এবং এটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিয়ে দেয়া হয় ট্রাস্টের নামে। অর্থাৎ এটি জনগনের সম্পদ হিসাবে ঘোষনা করেন শেখ হাসিনা।
কিন্তু খালেদা জিয়া ২০০১ সালে এসেই শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা’কে দেয়া দুটি বাড়ির বরাদ্দ বাতিল করে দেন। এবং শেখ হাসিনাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেন। অথচ খালেদা গনভবনে একদিনের জন্যও থাকেননি। কিন্তু এরপরও খালেদা জিয়া ইনোসেন্ট। সব দোষ হাসিনার তিনি কেন রিভেঞ্জ নিলেন।
★১৯৯০ দশক থেকে খালেদা জিয়া ১৫ ই আগস্ট জন্মদিন পালন শুরু করেন ঘোষনা দিয়ে। অথচ ওনার জন্ম ১৯৪৫ সালে ৫ সেপ্টেম্বর। এটা ওনার বাবা ইস্কান্দার মির্জাই বলেছেন বিচিত্রা’তে সাক্ষাৎকারে যখন খালেদা গৃহবধূ থেকে রাজনীতি’তে আসেন । এই সাক্ষাৎকার এর হার্ডকপি এখনও আছে। সাক্ষাৎকারটি সংযুক্ত করা হলো।
কিন্তু আওয়ামিলীগ বা শেখ হাসিনা কখনোই জিয়ার মৃত্যুদিনে উৎসব তো দূরে থাক সামান্য সেলিব্রেটও করেনি। তাও হাসিনা খারাপ কারন তিনি একটি ভূয়া জন্মদিন পয়দা করতে পারেননি।
★কবর প্রসঙ্গঃ শেখ হাসিনার সরাসরি কাটছাট বক্তব্য শুনে বিএনপি সমর্থকদের ক্ষোভ ও রাগ আসবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বাস্তবতা হলো জিয়াউর রহমান এর ডেডবডি পাওয়া যায়নি। কারন ব্রাশফায়ারের ফলে তার শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। পরবর্তীতে হালদা নদীতে জিয়াউর রহমান সহ বাকিদের লাশ ফেলা হয়। সেখান থেকেই কিছু ছাইভষ্ম উদ্ধার করে ঢাকায় আনা হয়। এবং লাশ কাউকে দেখাতে পারেনি।
জিয়াউর রহমান এর লাশ নেই কবরে এই বিতর্ক প্রথম তুলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী। যাকে বিএনপি রাষ্ট্রপতি বানিয়েছিল ২০০১ সালে। তিনি কবর জিয়ারত করতে অস্বীকৃতি জানান। যার ফলশ্রুতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। এবং হামলা করা হয় তার উপর। তার গুলশানে বাড়িতেও আগুন দেয়া হয়।
★গ্রেনেড হামলাঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা। শাহবাগ ও রমনা থানা মামলা নেয়নি। ঘটনাস্থলে এম্বুলেন্স যায়নি। আইভী রহমান, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের,হাসান মাহমুদ সহ সকল আহতদের রিক্সা ও ঠেলাগাড়িতে করে হাসপাতালে যেতে হয়। সরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা দেয়নি। তারপর জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে এই হামলা অন্যদিকে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। শেখ হাসিনা’কে তখন দেখতে পর্যন্ত যায়নি খালেদা। কিন্তু দিনশেষে সব দোষ শেখ হাসিনার!সে নাকি ব্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছে। বলেছিলেন,”খালেদা জিয়া’ই”। খন্দকার মোশাররফ বলেছিলেন “আরে এগুলো কোনো ঘটনাই না”। এখনো সেই ক্লিপ পাবেন ইউটিউবে।
কিন্তু না! শেখ হাসিনা খারাপ,কারন তিনি গ্রেনেড মারেননি,বিরোধী দলকে বড় বড় সমাবেশ করতে দিয়েছেন,শুধুমাত্র খালেদা জিয়াকে জেলে নিলেন কেন তার তো উচিত ছিল খালেদাকে তখন ওপেন রাজপথে ফায়ার স্কোয়াড দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা। অথচ পৃথিবীর ইতিহাসের প্রতিপক্ষের সমাবেশে গ্রেনেড মারার নজির না থাকলেও প্রতিপক্ষকে জেল খাটানোর নজীর আছে হাজার হাজার।
ইমরান খান কে দেখেন পাকিস্তানে। আরো অনেক উদাহরণ আছে। শেখ মুজিব তো ৫৫ বছরের প্রায় সাড়ে বারো বছর জেল খেটেছিলেন। ম্যান্ডেলা ছিলেন সম্ভবত ৩৯ বছর। আর ২ বছর কারাগারে থাকায় সব দোষ এখন শেখ হাসিনা’র। তবে এই মামলাটিও করেছিলো তৎকালীন ফখরুদ্দিন সরকার,শেখ হাসিনার সরকার করেননি।
★২০০৬ সালে বিদ্যুৎ না পেয়ে ক্ষুদ্ধ জনতা আন্দোলন করলে খালেদা জিয়ার পুলিশ ও বিজিবি মিলে ৩১ জন কে গুলি করে হত্যা করেছিল।কিন্তু এরপরও ওনার ব্যর্থতা নাই। শেখ হাসিনা করলে তিনি হয়ে যেতো ফেরাউন/ ফ্যাসিবাদ।
★শেখ হাসিনা বলেছিলেন-আমি ভারতকে যা দিয়েছি তারা তা সারাজীবন মনে রাখবে।সীমান্তে প্রতিদিনের গুলি ও বোমাবাজি থেকে তাদের মুক্তি দিয়েছি।
এটা তো সত্য উলফার প্রধানকে হাসিনা বন্দী বিনিময় চুক্তিতে হ্যান্ডওভার করেছিল শুধু আঞ্চলিক শান্তির জন্য। বিনিময়ে ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গাও আদায় করেছিলেন ভারত থেকে। তারেক জিয়া সীমানা বাড়ানোর কথা বললেও বাস্তবে সীমানা বাড়িয়েছেন শেখ হাসিনা (গিভ এন্ড টেক ওয়েতে)।
কিন্তু আমাদের দেশের দালাল মিডিয়া শুধু কাট করে “আমি যা ভারতকে দিয়েছি সারাজীবন তা মনে রাখবে” এটিই প্রচার করে এবং বিরোধীরাও এখন এ টুকুই প্রচার করে।
আর খালেদা জিয়া ২০০২ সালে ভারতকে গ্যাস দিতে চেয়েছিলেন।যার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে আওয়ামিলীগ ও বামপন্থীরা। পরবর্তীতে গ্যাস দেয়া ঠেকিয়ে দেন।
কিন্তু এরপরও খালেদা জিয়া ভারতের বিরুদ্ধে আধিপত্যবাদবিরোধী আর শেখ হাসিনা দালাল।
★যেই রেন্টুর বই নিয়ে বিএনপি সমর্থকরা লাফায়। সেই রেন্টু বিএনপির আমলেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।এই রেন্টুকে হত্যার ছক তৈরী করেছিল গোয়েন্দারা কারন সে হাওয়া ভবন নিয়েও লিখেছিলেন বলে।
★১৯১৮ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কর্মীদের হাতে সূর্বনচরে গৃহবধূ ধর্ষনের ঘটনায় শেখ হাসিনার সরকার ঐ আসামীদের সাজা দিয়েছিলেন।তারা এখনো দেশেই আছে। এদিকে বিএনপি’র আমলে বহুল আলোচিত পূর্নিমা গনধর্ষন মামলার আসামীরা বিচার তো দুরের কথা বরং তারা বিএনপি’র সহযোগিতায় দেশ ছেড়েছিলেন।
★খালেদা জিয়া গোপালগঞ্জের নাম বদলে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা কখনোই বলেন নাই আমি ফেনী, বগুড়া ও দিনাজপুরের নাম বদলে দিব। যেহেতু ওটা খালেদার এলাকা। তাও খালেদা জিয়া ইননোসেন্ট।
★পদ্মা সেতু নিয়ে ম্যাডাম জিয়া কি করেছেন তাও সবাই দেখেছেন। কর্মীদের ও মানুষকে উঠতে বারন করেছিলেন বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে বানানো। আর এখন বিএনপি সমর্থকরাই বলে হাসিনা তার বাপের টাকায় উন্নয়ন করেননি।
অথচ জনগণের টাকায় জনগণের উপকার করতে গিয়ে শেখ হাসিনা’কে খেতে হলো গালি ও নানা ঘাত-প্রতিঘাত। বলি দিতে হলো সৈয়দ আবুল হোসেন এর মতো এক জননন্দিত নেতাকে।
★বিনামূল্যে পেয়েও উনি সাবমেরিন কিনেন নাই। অথচ ভর্তুকি দিয়ে শেখ হাসিনা সাবমেরিন কিনেই হয়ে গেলো খারাপ। উনি বললেন এই সাবমেরিন ডুবে যাবে। অথচ এটি যে পানির নিচে থাকে সেটা তিনি জানেন’ই না।
★খালেদা জিয়া ইন্টারনেট আনেননি কারণ তথ্য পাচার হয়ে যাবে দেশের। অথচ ইন্টারনেট এর সর্বোচ্চ সুবিধা টা ব্যবহার করছে এখন তার কর্মীরা।
★শুধু তার মন্ত্রী মোর্শেদ খান কে দিয়ে একটি সিম বাজারে রেখেছিলেন যার নাম সিটিসেল। আর শেখ হাসিনা রবি, গ্রামীন সহ সবাইকে এনে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিলেন মোবাইল। তাও হাসিনা খারাপ আর খালেদা হইলো সফল!
★শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের নাম টিউলিপ দেখে তিনি নেদারল্যান্ডস থেকে কম্পিউটার চুক্তি করে নাই। অথচ নেদারল্যান্ডস যে ফুলের জন্য বিখ্যাত তিনি তা জানাতেনই না!
আর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্প নিয়ে সবচেয়ে তিরস্কার ও হাসি তামাশা করলো তারই কর্মীরা। কিন্তু সুযোগ সুবিধা ঠিকই সবাই পাচ্ছেন।এ জন্যই শেখ হাসিনা খারাপ!
★রাজনৈতিক নেত্রীর গাড়ি বহরে হামলা শুরু হয় খালেদার আমলেই। গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া সহ একাধিক জায়গায় শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা হয়।
শেখ হাসিনা এর কিচ্ছুটি করেন নাই,তাই শেখ হাসিনা খারাপ!
★১৯৮৮ সালে এরশাদ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিলেন। খালেদা জিয়া বলেছিলেন এটির প্রয়োজন পড়েনা। এটার মাধ্যমে জাতিকে বিভাজিত করা হচ্ছে।
যদিও আওয়ামিলীগ ও জামায়াতও তখন এর বিরোধীতা করেছিলো।অথচ জামায়াত ও কওমীদের কাছে শেখ হাসিনা প্রগতিশীল নারী না,তাই খালেদার বেলায় নারী নেতৃত্ব হারাম না। শেখ হাসিনা নাকি ইসলাম বিরোধী তার বেলায় নারী নেতৃত্ব হারাম। কিন্তু ৫৬০টি মডেল মসজিদ, মাদ্রাসা পড়ুয়াদের কামিলকে এমএ’র মান দিল,কওমীদের সকল সুযোগ সুবিধা দিল সেগুলো আড়াল করে যান এবং শেখ হাসিনা ভালো না,এবং শুধু শেখ হাসিনার নেতৃত্বই ছিল হারাম!
★দিনশেষে ধ্রুব সত্য হলো বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকার প্রধান,যিনি সেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়েছিল ২০০১ সালে কেয়ারটেকার এর কাছে কোন ধরনের বাঁধা বিপত্তি ছাড়া।
আপনারা যারা আপোষহীন নেত্রী বলছেন এই খালেদা জিয়াকে,সেই খালেদা জিয়ার ইতিহাসে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়ার নজির আছে? বরং সাধারণ জনগনকে ২ বার রক্ত দিয়ে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হয়েছিল ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে।
যার ফলশ্রুতিতে শেখ হাসিনাও ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন পরবর্তীতে। কারন আপনি বিরাজনীতিকরন না করলে আমি কেন করবো? শুধু তাই নয় খালেদা জিয়ার উপর এই দেশের ভুমি রক্ষার ভরসা নেই, নেই দেশের জনগণের নিরাপত্তা।তো শেখ হাসিনা যদি মনস্টার হয় সেই মনস্টার হওয়ার জন্য ৭০% দায়ী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার সরকার বিরোধীরা।
কিন্তু এতকিছুর পরেও বিএনপি সমর্থকদের কপাল ভালো তখন ফেসবুক ছিলনা।
অর্থাৎ দিনশেষে বিষয়টা হলো বিএনপি বা খালেদা জিয়া করলে ফ্লার্টিং আর শেখ হাসিনা ও লীগ করলে সেটা হ্যারাজমেন্ট ও পৈশাচিকতা। মানে যারে দেখতে পারিনা তার চলন বাঁকা। বিচার মানে তালগাছ টা আমার।
আসলেই খালেদা জিয়া ভাগ্যবান। তিনি পাচমিশালী এক সাপোর্টারস পেয়েছেন। যারা ওনাকে অন্ধের মতো পূজা করেন। ওনার কোনো দোষ বা ভূল দেখে না।
খালেদার মৃত্যুর পর এতকিছু বলতাম না বা লিখতাম না।কিন্তু বাধ্য হলাম তার ভক্তকূলের একচেটিয়া আবেগ ও ইননোসেন্ট বানানো দেখে। কারন আমরা তো আর তার ফ্যানবেইজের মতো ইতর না যে একজন নারী নেত্রী’কে “পতিতা, সুগার মাম্মি,ডাইনী,রাক্ষুসী,দেশোদ্রোহী বলে গালি দিবো রাগ থেকে। আমরা নোংরামী করলে ১৫ বছরে অনলাইনে অনেক কিছুই করতে পারতাম। বাট এসব নোংরামী আমাদের আইডোলজি’তে নাই।।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 04-01-2026


শেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ✊