​প্রতিবাদ ও হুঁশিয়ারি: মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের রক্ত ও শিক্ষকের মর্যাদা নিয়ে ছিনিমিনি সইবে না জয় বাংলা ব্রিগেড!✊

আজ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বরেণ্য শিক্ষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিনের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলা ও তাঁকে লাঞ্ছিত করার ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাচ্ছি।

​🚫 এখনই যদি এই রূপ হয়,তবে সামনে কী?

​নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে মাত্র,অথচ এখনো সরকার গঠিত হয়নি। এর মধ্যেই প্রশাসনের এক শ্রেণির অতি-উৎসাহী কর্মকর্তা নব্য প্রভুদের খুশি করতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অতন্দ্র প্রহরীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। একজন নিরস্ত্র শিক্ষক এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কলার চেপে ধরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া কেবল একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং এটি বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্বের মূলে কুঠারাঘাত।

​⚠️ আমাদের বার্তা স্পষ্ট:

প্রশাসনের প্রতি: মনে রাখবেন, সরকার আসে সরকার যায়,কিন্তু আইনের শাসন চিরস্থায়ী। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার পরিণতি শুভ হবে না। অতি-উৎসাহী হয়ে যারা ‘নব্য তোষামোদ’ শুরু করেছেন তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে।

ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতি: বিএনপি নির্বাচনের জয় পেতেই যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের রাজপথে লাঞ্ছিত হতে হয়, তবে দেশপ্রেমিক জনতা চুপ করে বসে থাকবে না। প্রতিহিংসার রাজনীতি দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হতে পারে না।

​”যে হাতে আমরা একাত্তরে অস্ত্র ধরেছিলাম, সেই হাতের উত্তরসূরিদের গায়ে হাত তোলার ধৃষ্টতা দেখাবেন না। ড. জামাল উদ্দিনের সম্মান মানেই মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্মান।”

📢 আমাদের দাবি:

১. অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত ও অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

২. প্রকাশ্য দিবালোকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভিন্নমত দমনের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এই মহড়া বন্ধ করতে হবে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় (মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল যোদ্ধা)

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 15-02-2026

Please follow and like us:
Pin Share