
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ উপাধ্যক্ষ শামীকুল ইসলাম সরকার লিপনের জেল হেফাজতে মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড গভীর শোকাহত এবং একইসঙ্গে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: যে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই
শামিকুল ইসলাম লিপন কোনো সাধারণ বন্দি ছিলেন না; তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তার মৃত্যু আমাদের বিচার ব্যবস্থা ও মানবাধিকারের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে:
বারবার জেল গেটে গ্রেফতার: মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন পাওয়ার পরেও কারাফটক থেকে তাকে বারবার গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি কি আইনের শাসন, নাকি তিলে তিলে মেরে ফেলার সুপরিকল্পিত নীল নকশা?
চিকিৎসায় অবহেলা: দীর্ঘ দেড় বছর বিনাবিচারে আটক রেখে তাকে শারীরিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। অসুস্থ হওয়ার পর যথাযথ সময়ে কেন তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হলো না?
মিথ্যা মামলার বেড়াজাল: ঢাকার মগবাজার থেকে গ্রেফতারের পর একের পর এক মিথ্যা মামলায় তাকে জড়িয়ে রাখা হয়েছে, যা একজন জননেতাকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার শামিল।
আমাদের দাবি ও অবস্থান
জয় বাংলা ব্রিগেড মনে করে, উপাধ্যক্ষ লিপনের এই মৃত্যু স্রেফ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি একটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। রাজনৈতিক আদর্শের কারণে একজন মানুষকে এভাবে আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে না।
“লিপন ভাই মৃত্যুবরণ করেননি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাংলার মাটি থেকে এই প্রতিটি অন্যায়ের হিসাব একদিন নেওয়া হবে।”
শোক ও সংহতি
আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। পলাশবাড়ীর মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা উপাধ্যক্ষ শামীকুল ইসলাম লিপনের ত্যাগ বৃথা যেতে দেব না।
অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবেই।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 15-02-2026

