ওয়েব ডেস্ক,জয় বাংলা ব্রিগেড–০৫ এপ্রিল ২০২৬

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এক চরম কঠিন ও বৈরি সময় পার করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলের এই ঐতিহাসিক ক্রান্তিলগ্নে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং সংগঠনকে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম পিএইচডি।
দলের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায়, তিনি দেশ-বিদেশের নেতাকর্মীদের এক সুতোয় বাঁধতে শুরু করেছেন ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা জুম মিটিং’। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি বিশাল অংশের মতে, সময়ের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ড. রাব্বি আলম আজ আওয়ামী লীগের সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ও আস্থার নেতায় পরিণত হয়েছেন।
তৃণমূলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে ড. রাব্বি আলম দিনরাত আওয়ামী লীগের মূল দলসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। একের পর এক ধারাবাহিক ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বিপর্যস্ত নেতাকর্মীদের মনে সাহস জোগাচ্ছেন, যার ফলে নেতাকর্মীরা আবারও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন।
শুধু কথায় নয়, কাজেও তিনি দুঃসময়ের কাণ্ডারি। তার উদ্যোগে গঠিত ‘আইন ব্রিগেড’ (যার নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম) রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের নিরলস আইনি সহায়তা ও জামিনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তিনি কারাবন্দী নেতাকর্মীদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া এবং চরম অর্থকষ্টে পড়া অসহায় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘরোয়া সভা ও জুম মিটিংয়ে ড. রাব্বি আলম নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত দূরদর্শী ও স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন। তিনি নেতাকর্মীদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন: ”এখন বিভেদ নয়, ঐক্যের সময়। বিয়োজন নয়, বরং সংযোজন করতে হবে। মনে রাখবেন, এই রাজনৈতিক লড়াই ১০০ মিটার স্প্রিন্ট বা দ্রুত দৌড়ের খেলা নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ‘রিলে রেস’। তাই আমাদের চরম ধৈর্য ধরে অত্যন্ত বিচক্ষণতা, মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসের সাথে এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে।”
এদিকে মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মীদের মাঝে বিগত দিনে দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা দুর্নীতিবাজ, সুবিধাবাদী ও হাইব্রিডদের নিয়ে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা এম কবিরুল ইসলাম আকাশ এ বিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন:
”মাননীয় নেত্রী বিগত ১৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকায় দলের প্রতি শতভাগ খেয়াল রাখতে পারেননি। এই সুযোগে অনেক দুর্নীতিবাজ, হাইব্রিড, লম্পট ও কমিটি বাণিজ্যকারীরা দলের বারোটা বাজিয়েছিল। নেত্রীর কাছে সবার আমলনামাই আছে।”
তৃণমূলের দৃঢ় বিশ্বাস, গত প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এসব দুর্নীতিবাজ ও সিন্ডিকেট নামধারী মাফিয়াদের বাদ দিয়ে নতুনভাবে সংগঠন গোছানোর কাজ করছেন। দল এখন খাঁটি ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়নের দিকে এগোচ্ছে।
দলের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, যেকোনো ষড়যন্ত্র বা বিরোধীদের পাতা ফাঁদ এড়িয়ে তারা এখন ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে চান। আগামী দিনের রাজপথের লড়াই ও সংগ্রামে তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ড. রাব্বি আলম পিএইচডি’র মতো সৎ, সাহসী ও ত্যাগী নেতাদেরই দলীয় প্রধানের পাশে দেখতে চান।প্রতিকূল এই সময়ে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলের সংগঠকেরা।
জয় বাংলা!জয় বঙ্গবন্ধু!বাংলাদেশ চিরজিবী হোক।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 05-04-2026

