
“মুখ ও মুখোশ”
কবিতাটিতে সমাজে আদর্শ ও আচরণের মধ্যে যে বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। এর মূল দিকগুলো হলো
আমি লক্ষ্য করেছি যে, বাইরে থেকে ধার্মিক বা শালীন পোশাক (যেমন বোরখা বা মাথায় কাপড়) পরলেও অনেকের আচরণ ও ভাষায় উগ্রতা প্রকাশ পাচ্ছে। অর্থাৎ, পোশাকের আড়ালে প্রকৃত বিনয় হারিয়ে যাচ্ছে।
আদর্শের দোহাই দিয়ে রাজপথে যে অশালীন ভাষা বা গালিগালাজ ব্যবহার করা হচ্ছে,তাকে সংস্কৃতির জন্য ‘বিষাক্ত’ বলে মনে হচ্ছে।প্রকৃত শালীনতা যেন আজ অন্ধকারের কোণে মুখ লুকিয়ে ফেলেছে।
মানুষের আসল পরিচয় তার পোশাকে নয়, বরং তার কথা ও আচরণের মাধুর্যে প্রকাশ পায়। উগ্র উল্লাস বা অভদ্রতা কখনোই সুস্থ প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না।
আমি সমাজকে আহ্বান করছি আমরা যেন কণ্ঠের উগ্রতা পরিহার করি।বোরখাকে অসম্মান না করে বরং আচরণের শালীনতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার তাগিদ দিচ্ছি।
সারসংক্ষেপ: বাহ্যিক আবরণের চেয়ে মানুষের অভ্যন্তরীণ রুচি ও কথার শালীনতাই যে শ্রেষ্ঠ—এটাই কবিতার মূল বার্তা।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Michigan USA 11-01-2026
Joy Bangla Brigade

