
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন দখলদার সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র পরিচালনায় চরম স্বৈরাচারী মনোভাব ও অগণতান্ত্রিক আচরণের অভিযোগ তুলেছে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’। সম্প্রতি সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই প্রতিক্রিয়া জানান।
সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সভায় বক্তারা প্রধান উপদেষ্টার শাসনব্যবস্থার বেশ কিছু অন্ধকার দিক তুলে ধরেন:
★গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো ক্যাবিনেট মিটিংয়ে না নিয়ে বরং ক্যাবিনেটের বাইরে ‘কিচেন ক্যাবিনেট’-এর মাধ্যমে নেওয়া হতো।
★সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এমন কিছু ব্যক্তি ছিলেন যাদের পরিচয় মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছেও অস্পষ্ট ছিল।
★যারা জনস্বার্থে দ্বিমত পোষণ করতেন (যেমন: জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস বা সূচি বাদ দেওয়ার বিরোধিতা), তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হতো।
★সাখাওয়াত হোসেনের ভাষ্যমতে, “আমি হয়তো তাদের মনোভাবের লোক ছিলাম না,”—এটি প্রমাণ করে যে ড. ইউনূস কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন।
আলোচনা সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, ড. ইউনূস মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কার্যত একটি ‘অদৃশ্য স্বৈরাচারী বলয়’ তৈরি করেছিলেন। সাখাওয়াত হোসেনের মতো একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাকে যখন অন্ধকারে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে ওই সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছিল না।
”একটি দেশের প্রধান উপদেষ্টা যখন ক্যাবিনেটকে গুরুত্ব না দিয়ে গোপন কোনো কক্ষ থেকে দেশ চালান, তাকে গণতন্ত্র নয় বরং ‘ব্যক্তিগত জমিদারতন্ত্র’ বলা চলে। সাখাওয়াত হোসেনের স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে, ইউনূস সরকার ছিল আপাদমস্তক অগণতান্ত্রিক।”
বক্তারা দাবি করেন, এই ‘কিচেন ক্যাবিনেট’-এর সদস্যদের পরিচয় এবং তাদের মাধ্যমে কী কী রাষ্ট্রবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, ইতিহাসের কোনো এক পর্যায়ে এই স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে ইনশাআল্লাহ।
মোঃ ফকরুল ইসলাম
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 28-02-2026

