মোঃ ফকরুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।

রাজনীতির ময়দানে সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে যারা জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল, আজ তাদের মুখে কুলুপ। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী চিন্তার ফসল ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’ আজ দেশের জ্বালানি সংকটে লাইফলাইন হিসেবে কাজ করছে।
২০২৩ সালের ১৮ মার্চ যখন এই প্রকল্পের উদ্বোধন হয়, তখন বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো দেশজুড়ে মিথ্যাচারের বিষবাষ্প ছড়িয়েছিল। তাদের প্রধান অভিযোগ ছিল—এই পাইপলাইন দিয়ে নাকি বাংলাদেশের গ্যাস ভারতে পাচার করা হবে! কিন্তু বাস্তবতা হলো, এটি সম্পূর্ণ একটি ডিজেল সরবরাহ লাইন।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন,সেখানে বিএনপি তাদের চিরাচরিত ‘ভারত বিরোধিতা’ এবং ‘আধিপত্যবাদের’ বুলি আউড়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।
আজ যখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং দেশে ডিজেলের চাহিদা তুঙ্গে, তখন এই মৈত্রী পাইপলাইন দিয়েই নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি তেল আসছে।
খরচ সাশ্রয়: হাজার হাজার কোটি টাকার পরিবহন খরচ বেঁচে যাচ্ছে।
সময়: নদীপথ বা সড়কপথের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দ্রুত জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে উত্তরাঞ্চলে।
নিরাপত্তা: কোনো রকম পাচার নয়, বরং ভারত থেকে নামমাত্র মূল্যে ডিজেল এনে দেশের কৃষি ও শিল্প রক্ষা করা হচ্ছে।
বিএনপিকে প্রশ্ন: এখন আপনাদের জবাব কী?
গলা ফাটিয়ে যারা একে ‘গ্যাসের পাইপলাইন’ বলে প্রচার করেছিলেন, আজ দেশের এই ক্রাইসিস মোমেন্টে তারা কোথায়?
১. এটি যদি গ্যাসের পাইপলাইন হতো, তবে আজ ডিজেল আসছে কীভাবে?
২. দেশের মানুষের উপকারে আসা কি আপনাদের কাছে আধিপত্যবাদ?
মিথ্যা দিয়ে সাময়িকভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায়, কিন্তু সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। বঙ্গবন্ধু কন্যার দূরদর্শী কূটনৈতিক সাফল্যের প্রমাণ আজ প্রতিটি লিটার ডিজেলে প্রমাণিত হচ্ছে। জয় বাংলা ব্রিগেড মনে করে, উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা রুখতে বিএনপি যে অপপ্রচারের রাজনীতি করছে, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে এবং দিচ্ছে।
“উন্নয়ন যখন দৃশ্যমান, অপপ্রচার তখন ম্লান।”
Joy Bangla Brigade
Michigan USA 10-03-2026

