কৃষকের রক্তে ভেজা ১৫ই মার্চ-বুলেট দিয়ে সারের দাবি দমনের সেই কলঙ্কিত ইতিহাস

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ,গড়ব সোনার বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে যারা আমাদের অন্ন জোগান, সেই কৃষকদের বুকেই ১৯৯৫ সালের এই দিনে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার চালিয়েছিল নির্মম বুলেট। আজ ১৫ই মার্চ, ‘কৃষক হত্যার প্রতিবাদ দিবস’

১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে দেশজুড়ে সারের চরম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। সার না পেয়ে যখন কৃষকের ফসল মাঠে মারা যাচ্ছিল, তখন সারের ন্যায্য দাবিবহির্ভূত কোনো আন্দোলন নয়, বরং জীবন বাঁচানোর আর্তনাদ নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন মেহনতি কৃষকরা। কিন্তু তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী কৃষকের হাতে সার তুলে দেওয়ার বদলে তুলে দিয়েছিল তপ্ত বুলেট।

​সারের দাবিতে আন্দোলনরত ১৮ জন নিরীহ কৃষককে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। টাঙ্গাইলের শহীদ আতিক,জামালপুরের শহীদ খালেক ও কবির,নেত্রকোনার শহীদ নিত্যানন্দ,ময়মনসিংহের শহীদ রফিক,কিশোরগঞ্জের শহীদ মকছুদ মিয়া এবং গাইবান্ধার শহীদ টুকু মিয়া ও শহীদ মমিনসহ আরও অনেক বীর কৃষক সেদিন অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন।

​জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিবিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি, জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় কৃষকের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সারের ওপর বিশাল অংকের ভর্তুকি দিয়ে তা কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সারের জন্য কৃষককে কোনোদিন প্রাণ দিতে হয়নি, বরং বঙ্গবন্ধু কন্যার ছায়ায় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।

​১৯৯৫ সালে যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সার কালোবাজারি করেছিল, তারা আজও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃষি উপকরণ ও জ্বালানির সংকট কৃষকদের পুনরায় এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

​জয় বাংলা ব্রিগেড মনে করে, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নই বাংলাদেশের প্রকৃত উন্নয়ন। ১৫ই মার্চের সেই শহীদ কৃষকদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। কৃষকের ঘাম আর শ্রমে সিক্ত এই বাংলায় কোনো ষড়যন্ত্রকারীকে কৃষকের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।

​আসুন, ১৫ই মার্চের শহীদদের স্মরণে আমরা শপথ নিই—কৃষকের অধিকার আদায়ে এবং দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি।

জয় বাংলা! ✊🏻 জয় বঙ্গবন্ধু!

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 15-03-2026

মহীয়সী নারী শহীদ আরজু মণি সেরনিয়াবাত-এর ৮০তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি 

“ইতিহাসের পাতায় এক অদম্য সাহস ও ত্যাগের নাম আরজু মণি”

​আজ ১৫ মার্চ। বাংলার এক মহীয়সী নারী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণি’র সুযোগ্য সহধর্মিনী শহীদ আরজু মণি সেরনিয়াবাত-এর ৮০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪৮ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

​১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের সেই কালরাত্রিতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে ধানমন্ডির বাসভবনে স্বামী শেখ মণি’র সাথে তিনিও শাহাদাতবরণ করেন। অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ঘাতকের বুলেট তাঁর জীবন কেড়ে নিলেও, বাংলার মানুষের হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে আছেন তাঁর মমতা, ধৈর্য আর অসীম ত্যাগের মহিমায়।

তিনি ১৫ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।

​তিনি ছিলেন আধুনিক যুব রাজনীতির প্রবর্তক শেখ ফজলুল হক মণি’র সহধর্মিনী এবং তৎকালীন মন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

​বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পরিবারের পুত্রবধূ হিসেবে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক নীরব সৈনিক। শেখ মণি’র রাজনৈতিক ব্যস্ততার উত্তাল সময়ে তিনি অসীম ধৈর্যের সাথে সংসার আগলে রেখেছিলেন এবং অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।

​বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম দুই ব্যক্তিত্ব—ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং যুবলীগের বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ-এর মহীয়সী জননী তিনি।

​”১৫ই আগস্টের সেই বিয়োগান্তক ঘটনায় আমরা হারিয়েছি এক মমতাময়ী মা এবং এক আদর্শিক নারীকে। ঘাতকরা তাকে শারীরিকভাবে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শ ও আত্মত্যাগ চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে।”আজ এই শুভ ক্ষণে জয় বাংলা ব্রিগেড-এর পক্ষ থেকে আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ আরজু মণি সেরনিয়াবাতকে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 15-03-2026

​কোথায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী? দখলদার সরকার ও বর্তমান সরকারের রক্তচক্ষু ও প্রতিহিংসার বলি কি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র?

জয় বাংলা ব্রিগেড সত্যের পথে,ন্যায়ের লড়াইয়ে অবিচল।
 
বাংলাদেশ আজ এক অন্ধকার সময় পার করছে। যে গণতন্ত্র আর আইনের শাসনের বুলি আওড়িয়ে এক তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের শাসনামলে দেশের সাংবিধানিক প্রধানদের নিরাপত্তা আজ হিমাঙ্কিত। বিশেষ করে, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া আমাদের মনে গভীর শঙ্কা ও প্রশ্ন জাগিয়ে তুলছে।

৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু এরপর থেকেই তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। একজন নারী স্পিকার, যিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন, তাকে কি বর্তমান সরকার ও ইউনূস সরকারের মদদে গুম করা হয়েছে? “জয় বাংলা ব্রিগেড” মনে করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মেটাতে তাকে লোকচক্ষুর অন্তরালে আটকে রাখা বা বড় কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার বানানো অস্বাভাবিক নয়।

তার পাসপোর্ট বাতিলের গুঞ্জন এবং বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়ার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে,তাকে পরিকল্পিত ভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। একজন নাগরিকের চলাচলের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়ে তাকে কোন গোপন সুড়ঙ্গে বন্দি করা হয়েছে, তা দেশের মানুষ জানতে চায়।

তথাকথিত সংস্কারের নামে অবৈধ দখলদার সরকার ও বর্তমান প্রহসনের সরকার দেশে এক ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিরোধী মত ও পূর্ববর্তী সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের টার্গেট করে একের পর এক “গোপন হত্যা” বা “আয়নাঘরে” বন্দি করার যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কি সেই প্রতিহিংসারই সর্বশেষ শিকার?

​”জয় বাংলা ব্রিগেড” স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছে:

অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। * যদি তাকে কোনো টর্চার সেলে বা গুম করে রাখা হয়ে থাকে, তবে এর দায় বর্তমান সরকার ও ড. ইউনূসের প্রশাসনকেই নিতে হবে।

​আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আমরা আবেদন জানাই, বাংলাদেশের সাংবিধানিক ব্যক্তিবর্গের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসুন।

​”বাংলার মাটিতে আওয়ামী আদর্শের সৈনিকদের গায়ে আঁচড় কাটলে তার হিসাব কড়ায়-গন্ডায় নেওয়া হবে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো একজন মহীয়সী নারীকে নিয়ে কোনো নোংরা খেলা খেললে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।”

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 14-03-2026

শোক বার্তা

গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা

মোঃ ফকরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।

​অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সিরাজদীখান উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

​তাঁর মৃত্যুতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে।

মহিউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক জননন্দিত জননেতা। মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর প্রয়াণে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক এবং আদর্শবান অভিভাবককে হারালাম।

​আমরা মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার প্রার্থনা করছি।

​শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ যেন তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দান করেন।

শোকান্তে,

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি,

জয় বাংলা ব্রিগেড।

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 10-03-2026

অপপ্রচারের বেলুন ফুটলো: সংকটে ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’

মোঃ ফকরুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়।

রাজনীতির ময়দানে সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে যারা জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল, আজ তাদের মুখে কুলুপ। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী চিন্তার ফসল ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’ আজ দেশের জ্বালানি সংকটে লাইফলাইন হিসেবে কাজ করছে।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ যখন এই প্রকল্পের উদ্বোধন হয়, তখন বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো দেশজুড়ে মিথ্যাচারের বিষবাষ্প ছড়িয়েছিল। তাদের প্রধান অভিযোগ ছিল—এই পাইপলাইন দিয়ে নাকি বাংলাদেশের গ্যাস ভারতে পাচার করা হবে! কিন্তু বাস্তবতা হলো, এটি সম্পূর্ণ একটি ডিজেল সরবরাহ লাইন

​দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন,সেখানে বিএনপি তাদের চিরাচরিত ‘ভারত বিরোধিতা’ এবং ‘আধিপত্যবাদের’ বুলি আউড়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।

আজ যখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং দেশে ডিজেলের চাহিদা তুঙ্গে, তখন এই মৈত্রী পাইপলাইন দিয়েই নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি তেল আসছে।

খরচ সাশ্রয়: হাজার হাজার কোটি টাকার পরিবহন খরচ বেঁচে যাচ্ছে।

সময়: নদীপথ বা সড়কপথের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দ্রুত জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে উত্তরাঞ্চলে।

নিরাপত্তা: কোনো রকম পাচার নয়, বরং ভারত থেকে নামমাত্র মূল্যে ডিজেল এনে দেশের কৃষি ও শিল্প রক্ষা করা হচ্ছে।

​বিএনপিকে প্রশ্ন: এখন আপনাদের জবাব কী?

​গলা ফাটিয়ে যারা একে ‘গ্যাসের পাইপলাইন’ বলে প্রচার করেছিলেন, আজ দেশের এই ক্রাইসিস মোমেন্টে তারা কোথায়?

১. এটি যদি গ্যাসের পাইপলাইন হতো, তবে আজ ডিজেল আসছে কীভাবে?

২. দেশের মানুষের উপকারে আসা কি আপনাদের কাছে আধিপত্যবাদ?

মিথ্যা দিয়ে সাময়িকভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায়, কিন্তু সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। বঙ্গবন্ধু কন্যার দূরদর্শী কূটনৈতিক সাফল্যের প্রমাণ আজ প্রতিটি লিটার ডিজেলে প্রমাণিত হচ্ছে। জয় বাংলা ব্রিগেড মনে করে, উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা রুখতে বিএনপি যে অপপ্রচারের রাজনীতি করছে, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে এবং দিচ্ছে।

“উন্নয়ন যখন দৃশ্যমান, অপপ্রচার তখন ম্লান।”

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 10-03-2026

বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

স্মরণ করছি গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা ও জননেতা জিল্লুর রহমানকে

​আজ ৯ই মার্চ, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন বিশ্বস্ত সহচর এবং সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি মরহুম জিল্লুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী।

​জিল্লুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি। দলের কঠিনতম সময়ে তিন তিনবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে তিনি সংগঠনকে সুসংগঠিত করেছেন। কিশোরগঞ্জের ভৈরব-কুলিয়ারচর আসন থেকে ছয়বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি জনগণের অকৃত্রিম ভালোবাসা জয় করেছিলেন। তার ধৈর্য, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা।

​এই মহান নেতার জন্মবার্ষিকীতে জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে আমরা জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

​”রাজনীতির মঞ্চে তিনি ছিলেন সততা ও আনুগত্যের এক মূর্ত প্রতীক। সংকটে ও সংগ্রামে তার ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে।”

​মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের প্রার্থনা— তিনি যেন এই দেশপ্রেমিক জননেতাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক 

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 09-03-2026

বাঙালির আত্মপরিচয়ের বাতিঘর বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস

মোঃ ফকরুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাঙালির আত্মবিশ্বাসের দিন।আত্ম পরিচয়ের স্বাধীনতায় বিভোর হবার দিন।

যিনি এই দিনটিকে সমগ্র বাঙালির জীবনে সত্য করে তুলেছিলেন তিনি আর কেউ নন সমগ্র  ভারত উপমহাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।তার প্রতি জানাই সহস্রাধিক শ্রদ্ধা।

বাঙালির জীবনে তিনি না এলে অর্ধ পেট খেয়ে মরতে হতো। বাঙালির জীবনে তিনি না এলে দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে জীবন যাপন করতে হতো।অতুলপ্রসাদ সেন যেভাবে বলেছেন কি জাদু বাংলা গানে’ গান গেয়ে দাঁড় মাঝি টানে। গেয়ে গান নাচে বাউল,গান গেয়ে ধান কাটে চাষা। আহ কি যে মধুর, ঠান্ডা, একান্তই বাঙালির, আপনার জীবন যাপন সেটা সত্য হয়ে উঠতো না।

২০২৪ সাল থেকে অত্যাবধি অর্থাৎ গত ১৮ মাস বাঙালির  অর্জিত স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলা ভাষা, বাঙালি সংস্কৃতি নিয়ে নানা তর্কবিতর্কের মধ্য দিয়ে যা দাঁড়ালো তা আগামী প্রজন্মকে ভেবেচিন্তে প্রস্তুত হতে হবে।

যেমন – সম্প্রতি মেজর হাফিজুর রহমানকে বলতে শুনলাম, বাংলাদেশ রচনায় বঙ্গবন্ধুর অবদান অস্বীকার করা যাবে না, তার নামে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।আবার পরক্ষণেই তিনি বলছেন,  তিনি বাংলাদেশ সৃষ্টির স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যেতে পারেননি, মেজর জিয়াউর রহমান তার পক্ষ হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এটাই নাকি সত্য।

বাহ্ মেজর হাফিজুর রহমান গত ১৮ মাসে আপনাদের এটুকু উন্নতি হয়েছে যে, সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি নামানোর জন্য রেজওয়ানা হাসানের যে দৌড় ঝাঁপ সেখানে মেজর জিয়াউর রহমানের ছবি তুলে দিতে পারলেন না। কেন? কারণ রেজওয়ানা হাসানরা চায় জাতির কায়দে আজম জিন্নাহর ছবি টানাতে আর ঘোষক হিসেবে গোলাম আযমকে  স্বীকৃতি দিতে।তাহলে তো জিয়াউর রহমানের কোন অস্তিত্বই থাকে না,তাই না?

অতএব আবার সেই পুরনো কাসুন্দি বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক, জাতির পিতা, তার সৃষ্ট সংবিধান এইটাকে তো আর অবজ্ঞা করা গেল না। আচ্ছা  মেজর হাফিজুর রহমান  বলুনতো জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিলেন তাহলে পাকিস্তান কেন তাকে এরেস্ট  করে জেলে নিলেন না। আবার দেখুন দেশ যখন স্বাধীন হয়ে গেল তখন তো জিয়াউর রহমানের গলায় ধন্য ধন্য বলে ফুলেল শুভেচ্ছা পরানোর কথা, কারণ  জনগণ তখন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে সেই ঘোষণা পাঠ করতে শুনেছেন। কিন্তু আমরা তো দেখলাম ভিন্ন দৃশ্য ! পাকিস্তান থেকে লন্ডন হিথ্র এয়ারপোর্ট, তারপর ভারত, তারপর  কলকাতা এয়ারপোর্ট, তারপর বাংলাদেশ  ঢাকা আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট সমস্ত দেশ জুড়ে এক অভিন্ন নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।কি অসাধারণ দৃশ্য!  কি অসাধারণ জয়ধ্বনি! 

                         স্বাধীন  জাতির, স্বাধীনতা নেতা 

                                শেখ মুজিব শেখ মুজিব।।

কোথায় জিয়াউর রহমান?

আবার দেখুন ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু অ্যারেস্ট হলেন আর ওদিকে আমেরিকান মিডিয়ায় নিউজে দেখাচ্ছে  পূর্ব পাকিস্তানের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন।কোথায় জিয়াউর রহমান? উনারা এই তথ্য পেলেন কোথা থেকে? কারণ ততক্ষণে ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে তথ্যটি বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

আচ্ছা মেজর হাফিজুর রহমান আমাকে আরেকটা কথা বলুন,  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের  ঘোষণা পাঠের পূর্বে কালুরঘাট থেকে এই একই ঘোষণা পাঠ করেন জনাব  এম এ হান্নান সাহেব। তাহলেতো ঘোষক হিসেবে প্রথম যিনি পাঠ করবেন তার নামটিই প্রথমে আসা উচিত, তাই নয়  কি? 

চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম এম এ হান্নান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখা হয়েছিল ২০০০ সালে।  আপনারা ক্ষমতায় এসে ২০০৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করলেন কেন? আর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিবর্তন করে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করলেন কেন?  কাজেই যা হবার তাই হয়েছে।মশাই ইতিহাস এগুলোই ইতিহাস আগামী প্রজন্ম গবেষণার মাধ্যমে তা বের করবেন।

ও আচ্ছা আরো আছে ! আপনারা তো ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’ নামক, সরকারিভাবে প্রকাশিত ৩০ খন্ডের যে বই সেখানে কোন কোন খন্ডের অনেক তথ্যকে পরিবর্তন করে ছাপিয়ে ছিলেন কেন? জিয়াউর রহমান তো স্বাধীনতার ঘোষক, আপনাদের এই ঘোষক বলার ভাজে ভাজে থাকে তিনিই দেশটিকে স্বাধীন করেছেন। তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করলেন কেন এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার হত্যাকারীদের দায়ী মুক্তি দিলেন কেন?,  মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকারদের নাগরিকত্ব দিলেন কেন?  সংবিধানের মূলনীতি পাল্টে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযুক্ত করলেন কেন?  বাঙালি জাতীয়তাবাদ অপসারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ অন্তর্ভুক্ত করলেন কেন?  ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন কেন? এবং সেই আলবদর দলকে নিবন্ধনেরও অনুমতি দিলেন কেন? 

দেখুন সেই দলটি আজ আপনাদেরই গিলে খেতে বসেছে (আওয়ামী লীগ  ও ভারত আপনাদের সহযোগিতা না করলে জামাত ক্ষমতায় যেত , মনে রাখবেন)। তাই বুঝি বঙ্গবন্ধুর গড়া সংবিধানের এত গুরুত্ব। তাই বুঝি  সংবিধানকে গুরুত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি পুন:স্থাপন। আপনাদের এই চৈতন্যদয়কে স্যালুট করি।তবে এই ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে আপনারা ৫৪ বছর ধরে যে কাসুন্দি ঘেঁটে চলেছেন সেটা থামালে  আরো ভালো  হবে।আমরা চাই আপনারা  সত্যের ওপর দাঁড়ান বলুন মেজর জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং সেক্টর কমান্ড। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটির দ্বিতীয় পাঠক।ব্যাস দেখুন আপনাদের দলের চাকচিক্যই পরিবর্তন হয়ে যাবে। অন্য একটা স্পিরিট কাজ করবে দলকে সামনে এগিয়ে নিতে।

সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

স্বাধীন জাতির,স্বাধীন পিতা 

শেখ মুজিব শেখ মুজিব॥

তোমার প্রতি আবারও সশ্রদ্ধ স্যালুট।

জয় বাংলা ! জয় বঙ্গবন্ধু।

মেজর নমিতা খান,জয় বাংলা নারী ব্রিগেড প্রধান।

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 08-03-2026

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

​বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহাকাব্যিক দিন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর উদ্যোগে এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুম প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এই সভায় বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের গুরুত্ব এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

​আলোচনা সভার শুরুতে বক্তারা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তাঁরা বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যে বজ্রকণ্ঠের ভাষণ দিয়েছিলেন, তা কেবল একটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না; সেটি ছিল শোষিত ও বঞ্চিত বাঙালির স্বাধীনতার ঘোষণা। ইউনেস্কো কর্তৃক হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃত এই ভাষণটি আজও আমাদের সকল অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস জোগায়।

সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইতিহাসের প্রতিটি কঠিন সময়ে বঙ্গবন্ধুর অদম্য প্রত্যয় যেমন জাতিকে পথ দেখিয়েছে, তেমনি বর্তমানের অন্ধকার কাটিয়ে গণতন্ত্র ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ৭ই মার্চের ভাষণ আমাদের প্রধান অনুপ্রেরণা। সাম্রাজ্যবাদ ও মৌলবাদমুক্ত একটি ‘সোনার বাংলা’ গড়ার দৃঢ় শপথ গ্রহণ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

​সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

জয় বাংলা ব্রিগেডের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:

মেজর জেনারেল ডক্টর রাব্বী আলম পিএইচডি: প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জয় বাংলা ব্রিগেড; সংগ্রামী সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন:

হাফিজুর রহমান ইকবাল: সাবেক ছাত্রনেতা ও জয় বাংলা জনপ্রতিনিধি ব্রিগেডের সাধারণ সম্পাদক।

এম কবিরুল ইসলাম আকাশ: মুখপাত্র, জয় বাংলা ব্রিগেড।

নমিতা খান: প্রধান, জয় বাংলা নারী ব্রিগেড।

​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে উপস্থাপনা করেন জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ ফকরুল ইসলাম। সভায় বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিটের মেজর, কো-মেজর, ক্যাপ্টেন, কো-ক্যাপ্টেন, আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ সংযুক্ত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, “সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকলে কোনো অপশক্তি আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা কাঙ্ক্ষিত মুক্তি ছিনিয়ে আনবই।”

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 07-03-2026

​জননেতা আব্দুল জলিল-এর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জয় বাংলা ব্রিগেড-এর উদ্যোগে এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

জননেতা আব্দুল জলিল এর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে মরহুমের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের ওপর আলোকপাত করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রাব্বি আলম পিএইচডি বলেন – ​৬ই মার্চ, আমাদের জাতীয় রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জননেতা আব্দুল জলিল-এর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি জয় বাংলা ব্রিগেড-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি।

​জননেতা আব্দুল জলিল ছিলেন রাজপথের আপসহীন কাণ্ডারি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তি ও তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের ভিত মজবুত করতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

​”দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর ত্যাগ এবং সাহসিকতা আমাদের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।” আরো বলেন ​তিনি ছিলেন দুঃসময়ের কান্ডারি ও রাজনৈতিক কর্মীদের আদর্শ।

​মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয়।

​আধুনিক নওগাঁর রূপকার হিসেবে তাঁর অবদান কোনো দিন ভোলার নয়।

​আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম আমাদের পথ চলার প্রেরণা হয়ে থাকুক।

শ্রদ্ধাবনত,

নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ,

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি 

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয় 

Joy Bangla Brigade 

Michigan USA 06-03-2026

১৯৭১-এর অগ্নিঝরা মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার চূড়ান্ত প্রস্তুতি ও বাঙালির বিজয়গাথা

বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন পূরণের মাস মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক নেতৃত্বে সূচিত হয়েছিল এক অভূতপূর্ব অসহযোগ আন্দোলন, যা পর্যায়ক্রমে রূপ নেয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বঙ্গবন্ধুর আপসহীন নেতৃত্বকে উপজীব্য করে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর উদ্যোগে এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​আলোচনায় উঠে আসে কীভাবে ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাঙালির হৃদয়ে স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর পাকিস্তানি জান্তারা যখন ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে, তখনই ১ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু কার্যত এ দেশের শাসনের ভার নিজের হাতে তুলে নেন। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি হয়ে ওঠে বিকল্প রাষ্ট্রপ্রধানের সদর দপ্তর। কেবল সেনানিবাস ছাড়া পুরো দেশ তখন চলত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়।

​৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালির মুক্তির প্রধান দলিল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সেই বিশাল জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার যে ডাক দিয়েছিলেন, তা-ই ছিল মূলত স্বাধীনতার পরোক্ষ ঘোষণা। কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো থেকে শুরু করে নেলসন ম্যান্ডেলা পর্যন্ত বিশ্বনেতারা এই ভাষণকে ‘স্বাধীনতার মূল দলিল’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

​২৫শে মার্চ কালরাতে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, বঙ্গবন্ধু তখনই বিশেষ ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বিশ্ববিখ্যাত পত্রিকাগুলোতেও তখন গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হয়েছিল যে, শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন ঘোষণা করেছেন। এরপর শুরু হয় ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যার মূলে ছিল বঙ্গবন্ধুর নাম ও তাঁর আদর্শ।ঐতিহাসিক এই মাসটিকে স্মরণ করতে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম প্ল্যাটফর্মে এক ভার্চ্যুয়াল বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম (এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান, জয় বাংলা ব্রিগেড) প্রধান অতিথি: ড. রাব্বি আলম পিএইচডি (প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জয় বাংলা ব্রিগেড),বিশেষ অতিথি: এম কবিরুল ইসলাম আকাশ (মুখপাত্র),মোঃ হাফিজুর রহমান ইকবাল (জয় বাংলা ব্রিগেড জনপ্রতিনিধি সাধারণ সম্পাদক),মোঃ ফকরুল ইসলাম (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক),মোঃ রুহুল আমিন (দপ্তর সম্পাদক) ও নমিতা খান (নারী ব্রিগেড প্রধান) সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু ছিলেন সেই প্রজ্ঞাবান নেতা যার একটি ভুলের কারণে বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হতে পারত। কিন্তু তাঁর বিচক্ষণতায় আমরা আজ স্বাধীন জাতি। জয় বাংলা ব্রিগেডের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

মোঃ ফকরুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

জয় বাংলা ব্রিগেড কেন্দ্রীয়

Joy Bangla Brigade

Michigan USA 04-03-2026